🔹 আদরিনী গল্পের বিষয়বস্তু আলোচনা করো
🔹 কবি-পরিচিতি : প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় (১৮৭৩-১৯৩২) : রবীন্দ্রনাথের সমসাময়িক বাংলা ছোটোগল্পের একজন উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিক। তিনি সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের জীবন, গ্রামীণ সমাজ, একান্নবর্তী পরিবারের সম্পর্ক ও আনন্দ-বেদনা গল্পে তুলে ধরেছেন। অনেক রচনায় হালকা হাস্যরস এবং বিধবাবিবাহ, স্বদেশি আন্দোলন প্রভৃতি সামাজিক বিষয়ের প্রভাবও দেখা যায়।
১৮৭৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি পূর্ব বর্ধমান জেলার ধাত্রীগ্রামে তাঁর জন্ম হয়। পিতার নাম জয়গোপাল মুখোপাধ্যায় এবং হুগলি জেলার গুড়াপ ছিল তাঁদের আদি বাসস্থান। বাবার চাকরির কারণে তিনি বিভিন্ন স্থানে বসবাস করেন। পড়াশোনা শেষ করে কিছুদিন সরকারি অফিসে কাজ করেন এবং ‘প্রদীপ’ পত্রিকায় ‘সিমলা শৈল’ নামে একটি প্রবন্ধ লেখেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থের মধ্যে আছে ‘নবকথা’, ‘ষোড়শী’, ‘দেশী ও বিলাতি’, ‘গল্পাঞ্জলি’ 'গল্পবীথি' 'পত্রপুষ্প' প্রভৃতি । এছাড়া উপন্যাসের মধ্যে ‘রমাসুন্দরী’, ‘নবীন সন্ন্যাসী’, ‘রত্নদীপ’ ও ‘সিন্দুর কৌটো’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। তাঁর ব্যঙ্গকাব্য ‘অভিশাপ’ এবং ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে রচিত 'ছোটোগল্পের শিল্পাদর্শ' হল তার একটি উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ গ্রন্থ। ১৯৩২ সালের ৫ এপ্রিল কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
🔹 আদরিণী গল্পের উৎস : বাংলা সাহিত্যের কথাসাহিত্যিক প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের ‘আদরিণী’ গল্পটি প্রথমে ‘সাহিত্য’ পত্রিকার ১৩২০ বঙ্গাব্দের ভাদ্র সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। পরে এই গল্পটি 'গল্পাঞ্জলি' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
🔹 আদরিণী গল্পের চরিত্রসমূহ :
আদরিণী - একটি হাতি
কেন্দ্রীয় চরিত্র - আদরিণী
জয়রামবাবুর বয়স - পঞ্চাশের উর্ধ্বে
জয়রামবাবুর পেশা - মোক্তারি
আদরিণীর মালিক - জয়রাম মুখোপাধ্যায়
জয়রামবাবুর হৃদয় - কোমল ও স্নেহপ্রবণ
জয়রামবাবুর মেজাজ - রুক্ষ প্রকৃতির
জয়রামের আদি নিবাস - যশোর জেলা
যৌবনে জয়রামবাবুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য - বদরাণি প্রকৃতির
নগেনবাবুর পেশা - ডাক্তারি
কুঞ্জবিহারীবাবুর পেশা - ওকালতি
পীরগঞ্জের মেজোবাবু - জমিদার নরেশচন্দ্র রায়চৌধুরী
প্রথম অবস্থায় জয়রামের সম্বল ছিল - একটি ক্যাম্বিসের ব্যাগ এবং একটি পিতলের ঘটি
জয়রামবাবুর পুত্র সংখ্যা - ৩
জয়রামবাবুর কনিষ্ঠ পুত্র - কলিকাতায় পাঠরত
জয়রামবাবুর পৌত্রী - কল্যাণী
জয়রামবাবুর প্রথম দুই পুত্র - মূর্খ
🔹 আদরিনী গল্পের বিষয়বস্তু :
প্রথম পরিচ্ছেদের কাহিনি : মোক্তার জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে নগেন ডাক্তার ও কুঞ্জবিহারী উকিল আসেন। তাঁরা জানতে চান, পীরগঞ্জের মেজোবাবুর মেয়ের বিয়েতে জয়রামবাবুর নিমন্ত্রণ হয়েছে কি না। এই কথা শুনে জয়রামবাবু রেগে যান। তখন তাঁরা বলেন, আসলে তাঁরা জানতে চেয়েছিলেন জয়রামবাবু বিয়েতে যাবেন কি না। এতে তিনি কিছুটা শান্ত হন। জয়রাম বলেন, কাছারির কাজের জন্য যাওয়া তাঁর পক্ষে কঠিন, কিন্তু না গেলেও পীরগঞ্জের বাবুরা কষ্ট পাবেন। এরপর জয়রাম তাঁদের জিজ্ঞেস করেন, তাঁরা বিয়েতে যাবেন কি না। তখন তারা বলেন, যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও যাওয়া সহজ নয়। কারণ সেখানে যাওয়ার ভালো রাস্তা নেই, গোরুর গাড়িতে গেলে অনেক সময় লাগে এবং পালকি জোগাড় করাও কঠিন। তবে জয়রামবাবু গেলে রাজবাড়ি থেকে নিশ্চয়ই একটি হাতি আনানো যেতে পারে। সেই হাতিতে চড়ে সবাই আরামে যেতে পারবেন। এই প্রস্তাব শুনে জয়রামবাবু খুশি হন। তিনি বলেন, মহারাজার এস্টেটের সঙ্গে তাঁর অনেক দিনের সম্পর্ক আছে, তাই চিঠি লিখলে রাজবাড়ি থেকে হাতি পাওয়া সম্ভব। নগেন ও কুঞ্জবিহারী তখন তাঁকে অনেক প্রশংসা করে বিয়েতে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। শেষ পর্যন্ত জয়রামবাবু যাওয়ার কথা দেন এবং বিয়েবাড়িতে গিয়ে কী করবেন তা নিয়ে সবাই আনন্দের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদের কাহিনি : রবিবার সকালে জয়রামবাবু একজন ভৃত্যকে দিয়ে মহারাজের কাছে হাতি চেয়ে চিঠি পাঠান। হাতি আসবে ভেবে তাঁর বাড়িতে হাতিকে রাখার ও খাওয়ানোর প্রস্তুতিও শুরু হয়। বিকেলে আগের মতোই তাঁর বৈঠকখানায় পাড়ার যুবকেরা তাস ও পাশা খেলতে জড়ো হয়। সেখানে নগেন ডাক্তার ও কুঞ্জবিহারী উকিলও উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ভৃত্য ফিরে এসে জানায়, মহারাজ হাতি দিতে রাজি হননি। রাজবাড়ি থেকে বলা হয়েছে, বিয়েবাড়িতে গোরুর গাড়িতে করে যেতে। এই খবর শুনে জয়রামবাবু খুবই ক্ষুব্ধ হন। কারণ তিনি কষ্ট করে নিজের পরিশ্রমে শহরে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন এবং তাঁর স্বভাব ছিল একটু রাগী। তাই অন্যরা গোরুর গাড়িতে যাওয়ার কথা বললেও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, হাতিতে চড়তে না পারলে তিনি বিয়েবাড়িতে যাবেন না।
তৃতীয় পরিচ্ছেদের কাহিনি : জয়রাম মুখোপাধ্যায় বীরপুরের উমাচরণ লাহিড়ির কাছ থেকে দু-হাজার টাকা দিয়ে একটি হাতি কিনে নেন। হাতিটিকে ঘরে আনার সময় যথাযথ আচার পালন করে তাকে বরণ করা হয় এবং তার নাম রাখা হয় আদরিণী। পরে জয়রামবাবু সেই হাতিতে চড়ে পীরগঞ্জে বিয়ের নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যান। ফেরার পথে তিনি মহারাজ নরেশচন্দ্রের সঙ্গে দেখা করতে যান। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল, তিনি যে নিজে হাতি কিনেছেন তা জানানো এবং মহারাজের হাতি না দেওয়ার কারণে যে কষ্ট পেয়েছিলেন, তা কিছুটা দূর করা। এতে জয়রামবাবু মনে তৃপ্তি অনুভব করেন।
চতুর্থ পরিচ্ছেদের কাহিনি : এরপর পাঁচ বছর কেটে যায়। এ সময় আদালতে ইংরেজি জানা শিক্ষিত মোক্তারের সংখ্যা বাড়তে থাকে, ফলে জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের কাজ কমে যায় এবং আয়ও অর্ধেক হয়ে পড়ে। অবসর নিতে চাইলেও তিনি তা পারেন না, কারণ তাঁর তিন ছেলের মধ্যে প্রথম দুইজন অকর্মণ্য এবং ছোট ছেলে তখনও পড়াশোনা করছে। ইংরেজি ভালো না জানার কারণে মামলা পরিচালনাতেও তাঁকে অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয়, তাই জুনিয়রের সাহায্য নিতে হয়। এই অবস্থায় একবার তিনি একটি খুনের মামলায় আসামির পক্ষে সওয়াল করেন এবং তাকে মুক্ত করতেও সক্ষম হন। ইংরেজ বিচারক তাঁর দক্ষতায় খুবই মুগ্ধ হন এবং পেশকারের কাছে তাঁর পরিচয় জানতে চান। বিচারকের প্রশংসা শুনে জয়রামবাবু খুব আনন্দিত হন। তিনি এই ঘটনাকে নিজের জীবনের বড় প্রাপ্তি মনে করে বিচারককে সেলাম জানিয়ে স্থায়ীভাবে এজলাস থেকে বিদায় নেন।
পঞ্চম পরিচ্ছেদের কাহিনি : ধীরে ধীরে জয়রাম মুখোপাধ্যায় আর্থিক কষ্টে পড়তে থাকেন। খরচ কমাতে না পারায় সঞ্চয়ের টাকা ব্যবহার করতে হয়। অনেকেই তাঁকে হাতি বিক্রি করার পরামর্শ দেন, কিন্তু তিনি তা সহজে মানতে পারেন না। পরে তিনি হাতিটিকে ভাড়া দেওয়ার কথা ভাবেন এবং বিজ্ঞাপনও দেন, তবে তাতে বিশেষ আয় হয় না।
এদিকে সংসারের চিন্তা বাড়তে থাকে। বড় নাতি অসুস্থ, দুই পুত্রবধূ অন্তঃসত্ত্বা এবং নাতনি কল্যাণীর বিয়ের বয়স হয়েছে। কল্যাণীর বিয়ে ঠিক হলেও প্রায় আড়াই হাজার টাকার প্রয়োজন হয়। ভবিষ্যতে আরও নাতনিদের বিয়ের চিন্তাও থাকে। এই সব দুশ্চিন্তায় তাঁর শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। বন্ধুরা আবারও আদরিণীকে বিক্রি করার কথা বলেন। শেষ পর্যন্ত অসহায় হয়ে জয়রামবাবু রাজি হন। বামুনহাটের মেলায় হাতিটিকে নিয়ে যাওয়ার আগে তিনি নিজের হাতে আদরিণীকে রসগোল্লা খাওয়ান এবং মেলা দেখে আসতে বলেন। আসলে তিনি মনে মনে তাকে বিদায় জানাতে পারেন না এবং এতে তাঁর মনে গভীর শূন্যতা তৈরি হয়।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদের কাহিনি : ১০ জ্যৈষ্ঠ কল্যাণীর বিয়ের দিন ঠিক হয়। এদিকে আদরিণী মেলায় বিক্রি না হয়ে আবার বাড়িতে ফিরে আসে। তাকে দেখে বাড়ির লোকেরা প্রথমে খুশি হয়, কিন্তু তার রোগা হয়ে যাওয়ায় সবাই চিন্তিত হয়ে পড়ে। কিছু সময় পর এই চিন্তা বদলে যায় কল্যাণীর বিয়ের খরচের চিন্তায়। পাড়ার লোকেরা মনে করে, জয়রামবাবুর আদরিণীর প্রতি বেশি টান থাকার জন্যই তাকে আগে বিক্রি করা হয়নি। তাই পরে তাকে রসুলগঞ্জের মেলায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এবার বিদায়ের সময় জয়রামবাবু তার কাছে যাননি। কিন্তু আদরিণী চলে যাওয়ার পরে তার চোখে জল এসেছিল এই কথা শুনে জয়রামবাবু খুবই কষ্ট পান। তিনি তাকে অন্তর্যামী বলে মনে করেন এবং ভাবতে থাকেন, মাঝে মাঝে সন্দেশ বা রসগোল্লা নিয়ে তার নতুন জায়গায় গিয়ে তাকে দেখে আসবেন।
সপ্তম পরিচ্ছেদের কাহিনি : রসুলগঞ্জের মেলায় যাওয়ার পরদিন বিকেলে এক কৃষক জয়রাম মুখোপাধ্যায়ের কাছে একটি চিঠি এনে দেয়। চিঠিটি তাঁর মধ্যম পুত্র লিখেছিল। সেখানে জানানো হয়, বাড়ি থেকে প্রায় সাত ক্রোশ দূরে গিয়ে আদরিণী খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মাহুত অনেক চেষ্টা করলেও তার অবস্থা ভালো হয়নি এবং সে প্রায় মৃত্যুর মুখে পৌঁছে গেছে। তাই আদরিণীর দেহ সমাধিস্থ করার জন্য জমির ব্যবস্থা করতে জয়রামবাবুকে দ্রুত সেখানে আসতে বলা হয়। চিঠি পেয়ে জয়রামবাবু খুব উদ্বিগ্ন হয়ে তাড়াতাড়ি সেখানে পৌঁছান। কিন্তু ততক্ষণে আদরিণীর মৃত্যু হয়ে গেছে। তখন তিনি তার কাছে গিয়ে খুব কাঁদতে থাকেন। অভিমান করে চলে যাওয়ার জন্য তাকে অনুযোগ করেন এবং নিজেকেই দোষ দেন, কারণ তিনিই তাকে বিক্রি করতে পাঠিয়েছিলেন। এর প্রায় দুই মাস পরে জয়রাম মুখোপাধ্যায়ও মৃত্যুবরণ করেন।
🔹 আদরিণী গল্পের শব্দার্থ ও টীকা :
প্রথম পরিচ্ছেদ : মোক্তার : মামলা চালানোর জন্য নিযুক্ত কর্মচারী / বাই : এর অর্থ পেশাদার নর্তকী বা গায়িকা / খেমটা : এক বিশেষ তালে অনুষ্ঠিত লঘুচালের / বিষয়ী : বিত্তবান বা ধনসম্পদের অধিকারী / নৃত্য-বিশেষ / বৈঠকখানা : বসার ঘর / এস্টেট : জমিদারি / কাছারি : আদালত বা বিচারালয় / মক্কেল : বিচারের জন্য উকিল -মোক্তার প্রমুখের কাছে পেশাগতভাবে সাহায্যপ্রার্থী
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : জলযোগান্তে : প্রাতরাশের পরে / আহ্নিক : নিত্যবন্দনা বা উপাসনা / সুশীল : ভদ্র / সুবোধ : শান্তশিষ্ট / ক্যাম্বিস : মোটা মজবুত চট-জাতীয় কাপড় / হাকিম : বিচারক / অনর্থপাত : অর্থহীন বিষয়ের অবতারণা / বচসা : তর্কাতর্কি / লোকপরম্পরা : এক লোক থেকে অন্য লোক / অবমাননা : অমর্যাদা / মোকর্দমা : মামলা / তদারক : দেখাশোনা / দেওয়ান : রাজার রাজস্ব আদায়ের প্রধান কর্মচারী বা রাজস্বমন্ত্রী
তৃতীয় পরিচ্ছেদ : মাদি : মেয়ে / ক্রোশ : দূরত্বের পরিমাপ, এক ক্রোশ ২ মাইলের কিছু বেশি / বিস্তর : প্রচুর / অশিষ্ট : অভদ্র / অন্তঃপুরদ্বার : ভিতরের বাড়ির দরজা / বিপত্নীক : স্ত্রী মারা গিয়েছেন যাঁর / মাহুত : হাতির পরিচালক / রঞ্জিত : রাঙানো / আলোচাল : আতপচাল / কদলীকাণ্ড : কলাগাছের গোড়া / রাজসমীপে : রাজার কাছে / শ্লেষ : বিদ্রূপ
চতুর্থ পরিচ্ছেদ : প্রসন্নহাস্য : সন্তুষ্টির হাসি / দায়রা : ফৌজদারি আদালত / এসেসার : পরামর্শদাতা / তাঁবেদার : সেবক / ডাগর : বড়ো
পঞ্চম পরিচ্ছেদ : খোরাকি : খাদ্য / কায়ক্লেশে : কষ্টের সঙ্গে / সংকুলান : কুলিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা / পথিপার্শ্বস্থ : পথের পাশে অবস্থান করা / কোম্পানির কাগজ : সরকার কর্তৃক গৃহীত ঋণপত্র / নির্বাহ : চালানো / অন্তঃসত্ত্বা : গর্ভবতী / নির্লিপ্ত : উদাসীন / চৈত্রসংক্রান্তি : চৈত্র মাসের শেষদিন / গাত্রোত্থান : উঠে দাঁড়ানো / মামুলি : অতি সাধারণ
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ : হারাধন : হারানো সম্পদ / খেদ : দুঃখ / অপনীত : দূর / ব্রহ্মবাক্য : ব্রাহ্মণের কথা / মুরগিখোর ব্রাহ্মণ : অনাচারী ব্রাহ্মণ / অন্তর্যামী : যিনি অন্তরে অবস্থান করেন অর্থাৎ ঈশ্বর / সম্ভাষণ : সম্বোধন
সপ্তম পরিচ্ছেদ : প্রোথিত : পোঁত / বজ্রাঘাত : বাজ পড়া / মধ্যমপুত্র : দ্বিতীয় পুত্র / বন্দোবস্ত : ব্যবস্থা / পায়চারি : হেঁটে বেড়ানো / কোচবাক্স : গাড়িতে কোচোয়ান অর্থাৎ চালকের বসার স্থান / যাতনায় : যন্ত্রণায় / নিস্পন্দ : স্পন্দনহীন / নবজলধরবর্ণ : নতুন মেঘের মতো রং।
🔹 আদরিনী গল্পের প্রশ্ন উত্তর পর্ব : আমি আগেই বলেছি দ্বাদশ শ্রেণীর তৃতীয় সেমিস্টার বাংলা পরীক্ষায় 40 নম্বরের মধ্যে একটি মাত্র 'আদরিণী' গল্প থেকে মোট 8 টি MCQ প্রশ্ন আসবে। তাই 8 নম্বর পেতে হলে মূল 'আদরিণী' গল্পটি ভালোভাবে পড়তে হবে। আর এই 'আদরিণী গল্প থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন উত্তর পড়তে চাইলে নিচে দেখুন লিংক দেওয়া আছে। তবে PDF নিতে চাইলে এই ওয়েবসাইটের উপরে Menu Option-এ ক্লিক করে দেখুন।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিষ্টার সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিষ্টার সাজেশন ই-বুক(PDF)গুলি নিতে চাইলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা, আমাদের ওয়েবসাইটের উপরে Menu Option-এ ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দেখে নিতে পারেন।
File Details :
PDF Name : আদরিণী গল্পের বিষয়বস্তু PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 2. কোনি উপন্যাসের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 3. জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 4. আফ্রিকা কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
