🔹 আফ্রিকা কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF
[প্রতিটি প্রশ্নের মান 3]
1. "ছিনিয়ে নিয়ে গেল তোমাকে"- কে, কাকে কীভাবে ছিনিয়ে নিয়ে গেল ? ১+২
অথবা, "বাঁধলে তোমাকে বনস্পতির নিবিড় পাহারায়" - তোমাকে বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে ? তাকে বনস্পতির পাহারায় আবদ্ধ করা হয়েছিল কীভাবে ? ১+২
অথবা, আফ্রিকার জন্ম বৃত্তান্তটি লেখো। ৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আফ্রিকা মহাদেশের জন্ম ও বিচ্ছিন্ন অবস্থার কাহিনি কাব্যিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
এখানে ‘তোমাকে’ বলতে আফ্রিকা মহাদেশকে বোঝানো হয়েছে, যাকে সৃষ্টির আদিম সময়ে পৃথিবীর মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
সৃষ্টির প্রাচীন কালে স্রষ্টার সৃষ্টিকর্ম চলার সময় রুদ্র সমুদ্রের প্রবল শক্তি আফ্রিকাকে প্রাচীন ধরিত্রীর বুক থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঘন বনস্পতি ও অরণ্যের কঠোর পাহারায় আবদ্ধ রাখা হয়। সেই পাহারা এতই গভীর ছিল যে সূর্যের আলো পর্যন্ত সহজে সেখানে প্রবেশ করতে পারত না।
উপসংহার : এইভাবেই কবি আফ্রিকার নিভৃত ও বিচ্ছিন্ন জন্মবৃত্তান্ত কাব্যের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।
2."কৃপণ আলোর অন্তঃপুরে"- আলোকে কৃপণ বলা হয়েছে কেন ? ৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আফ্রিকার জন্মকালীন নিভৃত ও বিচ্ছিন্ন অবস্থার বর্ণনা করা হয়েছে।
আলোকে ‘কৃপণ আলো’ বলার কারণ : রুদ্র সমুদ্রের বাহু প্রাচীন ধরিত্রীর বুক থেকে আফ্রিকাকে ছিনিয়ে এনে অরণ্যঘেরা অঞ্চলে স্থাপন করেছিল। চারদিকে ঘন বনস্পতি ও গভীর অরণ্যের কারণে সূর্যের আলো সেখানে অবাধে প্রবেশ করতে পারত না। ফলে আলো ছিল অল্প ও সীমিত। এই স্বল্প আলোর উপস্থিতিকেই কবি কাব্যিকভাবে ‘কৃপণ আলো’ বলে উল্লেখ করেছেন।
উপসংহার : এভাবে কবি আফ্রিকার নিভৃত, অন্ধকারাচ্ছন্ন ও একান্ত অবস্থাকে প্রতীকী ভাষায় প্রকাশ করেছেন।
3. "বিদ্রূপ করছিলে ভীষণকে।"- এখানে কার কথা বলা হয়েছে ? কেন সে ভীষণকে বিদ্রূপ করছিল ? ১+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আদিম আফ্রিকার রহস্যময় প্রকৃতি ও তার মানসিক অবস্থার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
এখানে সৃষ্টিলগ্নের আদিম আফ্রিকার কথা বলা হয়েছে, যে বিচ্ছিন্ন ও অরণ্যবেষ্টিত পরিবেশে প্রকৃতির রহস্যময় শক্তির মধ্যে নিজের অস্তিত্ব গড়ে তুলছিল।
ভীষণকে বিদ্রূপ করার কারণ : চারপাশের ভয়ংকর ও দুর্বোধ্য প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে আফ্রিকা ভয়কে অতিক্রম করার চেষ্টা করেছিল। প্রকৃতির ভীষণ রূপ তাকে আতঙ্কিত করলেও সে সাহসের মাধ্যমে সেই ভয়ের বিরুদ্ধেই দাঁড়ায়। নিজের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে ভীষণতার প্রতিক্রিয়ায় সে যেন ভীষণকেই বিদ্রূপ করছিল। অতএব, এইভাবে কবি আফ্রিকার সংগ্রামী মানসিকতার পরিচয় তুলে ধরেছেন।
4. "এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে" - 'ওরা' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে ? ওরা আসার পর কী হয়েছিল ? ১+২
অথবা, "এল মানুষ ধরার দল"- 'মানুষ ধরার দল' কারা ? তারা আসার পর কী হয়েছিল ? ১+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আফ্রিকার উপর সাম্রাজ্যবাদীদের অত্যাচারের করুণ ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
‘ওরা’ কারা : এখানে ‘ওরা’ বলতে সাম্রাজ্যলোভী ইউরোপীয় শক্তি বা মানুষ ধরার দলকে বোঝানো হয়েছে, যারা সম্পদের লোভে আফ্রিকায় এসে শোষণ ও দাসব্যবস্থা চালু করেছিল।
ওরা আসার পর যা হয়েছিল : তারা লোহার হাতকড়ি নিয়ে এসে আফ্রিকার মানুষদের বন্দি করে দাসে পরিণত করে। সম্পদ লুট ও নির্মম অত্যাচারের মাধ্যমে দেশটিকে শোষণ করা হয়। নিরীহ মানুষ অপমান, লাঞ্ছনা ও কষ্ট সহ্য করতে বাধ্য হয়। ফলে আফ্রিকা সম্মানহারা ও ক্ষতবিক্ষত ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছিল।
উপসংহার : এইভাবে কবি সাম্রাজ্যবাদীদের নিষ্ঠুরতা ও দাসপ্রথার ভয়াবহতা প্রকাশ করেছেন।
5. "পঙ্কিল হল ধূলি তোমার রক্তে অশ্রুতে মিশে"- 'তোমার' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে ? তার রক্ত অশ্রু ঝরেছিল কেন ? ১+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আফ্রিকার উপর সাম্রাজ্যবাদীদের নির্মম অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
এখানে ‘তোমার’ বলতে আফ্রিকা মহাদেশকে বোঝানো হয়েছে, যে সাম্রাজ্যবাদীদের শোষণ ও অত্যাচারের ফলে অপমানিত, লাঞ্ছিত এবং গভীর যন্ত্রণার শিকার হয়েছিল।
তার রক্ত অশ্রু ঝরার কারণ : সম্পদের লোভে সাম্রাজ্যবাদীরা আফ্রিকায় এসে মানুষকে দাসে পরিণত করে এবং নির্মম নির্যাতন চালায়। শোষণ, লুণ্ঠন ও অত্যাচারের ফলে অসংখ্য মানুষ কষ্ট ও মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। এই অমানবিক আচরণের কারণেই আফ্রিকার মাটি রক্ত ও অশ্রুতে ভিজে যায়।
উপসংহার : এইভাবে কবি আফ্রিকার বেদনা ও সাম্রাজ্যবাদীদের নিষ্ঠুরতার কথা তুলে ধরেছেন।
6. "সভ্যের বর্বর লোভ নগ্ন করল আপন নির্লজ্জ অমানুষতা" - সভ্যের বর্বর লোভ বলতে কী বোঝানো হয়েছে ? তা কীভাবে নির্লজ্জ অমানুষতাকে নগ্ন করেছিল ? ১+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আফ্রিকার উপর সাম্রাজ্যবাদীদের অত্যাচারের করুণ ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
সভ্যের বর্বর লোভ : সভ্যের বর্বর লোভ বলতে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সম্পদ দখল ও ক্ষমতা বৃদ্ধির স্বার্থপর আকাঙ্ক্ষাকে বোঝানো হয়েছে, যা মানবতার মূল্যবোধকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল।
অমানুষতা নগ্ন হওয়ার কারণ : সম্পদের লোভে সাম্রাজ্যবাদীরা আফ্রিকায় এসে মানুষকে দাসে পরিণত করে এবং নির্মম অত্যাচার চালায়। শোষণ, লুণ্ঠন ও অপমানের মাধ্যমে তাদের নিষ্ঠুর আচরণ প্রকাশ পায়। সভ্যতার মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা নিষ্ঠুরতা তখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং মানবিকতার অভাব প্রকাশ্যে ধরা পড়ে। অতএব, এইভাবে কবি সভ্যতার নামে লুকানো অমানবিকতার প্রকৃত রূপ প্রকাশ করেছেন।
7. "এসো যুগান্তের কবি"- 'যুগান্তের কবি' কাকে করা হয়েছে ? কোন্ পরিস্থিতিতে তাকে আহ্বান করা হয়েছে ? ১+২
উত্তর : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আফ্রিকার উপর সংঘটিত অন্যায়ের প্রেক্ষিতে মানবতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুগান্তের কবি : ‘যুগান্তের কবি’ বলতে স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তাকে বোঝানো হয়েছে, যিনি যুগের সীমা অতিক্রম করে মানবতার সত্য উপলব্ধি করতে সক্ষম এবং ন্যায়ের প্রতীক।
আহ্বানের প্রেক্ষাপট : সাম্রাজ্যবাদীদের নিষ্ঠুর অত্যাচারে আফ্রিকা অপমানিত ও রক্তাক্ত হয়েছে। সভ্যতার নামে এই অন্যায় পৃথিবীকে কলঙ্কিত করেছে। মানবসভ্যতার এই পাপ মোচনের জন্য কবি সৃষ্টিকর্তাকে আহ্বান করেছেন, যাতে তিনি মানহারা আফ্রিকার সামনে নত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে মানবতার মর্যাদা পুনরুদ্ধার করেন।
উপসংহার : এইভাবে কবি ক্ষমা ও অনুতাপের মধ্যেই সভ্যতার মুক্তির পথ দেখিয়েছেন।
8. "সমুদ্রপারে সেই মুহূর্তেই তাদের পাড়ায় পাড়ায়"- কাদের পাড়ার কথা বলা হয়েছে ? সেখানে কী কী হয়েছিল ? ১+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। কবিতায় আফ্রিকার অত্যাচার ও সভ্য বিশ্বের বৈপরীত্যময় অবস্থার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
এখানে সমুদ্রের ওপারের সাম্রাজ্যবাদী বা মানুষ ধরার দলের দেশের পাড়ার কথা বলা হয়েছে, যেখানে তথাকথিত সভ্য মানুষের বসবাস ছিল।
সেখানে যা হয়েছিল : সেখানে শান্ত পরিবেশে মন্দিরে উপাসনা চলছিল, শিশুরা নিরাপদে খেলছিল এবং সংগীত-সাহিত্যে সৌন্দর্যের চর্চা হচ্ছিল, অথচ একই সময়ে আফ্রিকায় নির্মম অত্যাচার চলছিল। অতএব, এর মাধ্যমে কবি সভ্যতার ভণ্ডামি ও বৈপরীত্য স্পষ্ট করেছেন।
9. "কবির সংগীতে বেজে উঠেছিল/সুন্দরের আরাধনা”- কবির সংগীতে বেজে ওঠার তাৎপর্য কী ? ৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। কবি আধুনিক সভ্যতার ভেতরের দ্বন্দ্ব ও ভণ্ডামিকে তাঁর কবিতায় তুলে ধরেছেন। একদিকে সভ্যতার নামে অত্যাচার চললেও অন্যদিকে সৌন্দর্য ও মানবতার কথা বলা হচ্ছিল
কবির সংগীতে বেজে ওঠার তাৎপর্য : একদিকে আফ্রিকায় সাম্রাজ্যবাদীদের নির্মম শোষণ, দাসত্ব ও মানবতার অপমান চলছিল, অন্যদিকে তথাকথিত সভ্য দেশে শান্ত জীবন প্রবাহিত হচ্ছিল। সেখানে উপাসনা, শিশুর আনন্দ ও শিল্প-সংগীতে সুন্দরের সাধনা চলছিল। এই বৈপরীত্য দেখিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে বাহ্যিক সভ্যতার আড়ালে মানবিকতার অভাব লুকিয়ে ছিল।
উপসংহার : এর মাধ্যমে সভ্য সমাজের দ্বিচারিতা ও নৈতিক সংকট প্রকাশ পেয়েছে।
10. "দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে"- 'মানহারা মানবী' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে ? তার দ্বারে দাঁড়াতে বলা হয়েছে কেন ? ১+২
অথবা, "বলো ক্ষমা করো"- কার কাছে কেন ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে ? ৩
উত্তর : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আফ্রিকার উপর সাম্রাজ্যবাদীদের অত্যাচারের করুণ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
মানহারা মানবী : ‘মানহারা মানবী’ বলতে অত্যাচার ও শোষণের ফলে সম্মানহারা আফ্রিকা মহাদেশকে বোঝানো হয়েছে, যে সাম্রাজ্যবাদীদের নিষ্ঠুর আচরণে অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়েছে।
তার দ্বারে দাঁড়াতে বলার কারণ : সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অত্যাচারে আফ্রিকা চরম অপমান ও কষ্টের শিকার হয়েছে। তার মর্যাদা নষ্ট হয়েছে এবং মানবসভ্যতা এই অন্যায়ের জন্য দায়ী। তাই কবি মানবজাতিকে আফ্রিকার সামনে নতমস্তকে দাঁড়িয়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে বলেছেন, যাতে এই অন্যায়ের প্রায়শ্চিত্ত করা যায়।
উপসংহার : এভাবে কবি আফ্রিকার প্রতি মানবতার দায় ও অনুশোচনার প্রয়োজন প্রকাশ করেছেন।
11. "দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে।”- এই আহ্বান কাকে করা হয়েছে ? তাঁর প্রতি কবির এরূপ আহ্বানের কারণ কী ? ১+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আফ্রিকা' কবিতা থেকে উক্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আফ্রিকার প্রতি সংঘটিত অন্যায়ের প্রতিবাদ ও মানবতার আহ্বান প্রকাশ পেয়েছে।
এখানে যুগান্তের কবিকে আহ্বান করা হয়েছে। তিনি মানবসভ্যতার প্রতিনিধি হিসেবে আফ্রিকার সামনে দাঁড়িয়ে মানুষের পক্ষ থেকে দায় স্বীকার করবেন এই ভাবনাই প্রকাশিত হয়েছে।
আহ্বানের কারণ : ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদীদের অত্যাচারে আফ্রিকা অপমানিত ও ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। নিরীহ মানুষ দীর্ঘদিন লাঞ্ছনা সহ্য করলেও সভ্য বিশ্ব তাদের কষ্ট উপেক্ষা করেছে। তাই কবি যুগান্তের কবিকে মানবতার প্রতিনিধি হিসেবে মানহারা আফ্রিকার দ্বারে দাঁড়িয়ে সকল মানুষের হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
উপসংহার : এর মাধ্যমে কবি মানবসভ্যতার অনুতাপ ও নৈতিক দায়িত্ববোধের প্রয়োজন প্রকাশ করেছেন।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন ই-বুক(PDF)টি নিতে হলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটের Menu Option-এ ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দেখে নিতে পারেন।
File Details :
PDF Name : আফ্রিকা কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 2. আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 3. জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 4. আগুন নাটকের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
