🔹 আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ধারা প্রশ্ন উত্তর 2nd semester
[প্রতিটি প্রশ্নের মান 5]
1. নবজাগরণ বলতে কী বোঝো এবং কোন্ সময়কে 'নবজাগরণের কাল' বলা হয়? নবজাগরণের ফলে বাঙালির মনে বৌদ্ধিক জাগরণ ঘটে কীভাবে ? ৩+২
উত্তর : বাংলার ইতিহাসে ‘নবজাগরণ’ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই সময় সমাজ, ধর্ম ও চিন্তাধারায় বড় পরিবর্তন দেখা যায়। মানুষের মননে নতুন ভাবনার সূচনা হয় এবং পুরোনো বিশ্বাসকে নতুনভাবে বিচার করার প্রবণতা গড়ে ওঠে।
নবজাগরণ কী : যখন কোনো জাতি দীর্ঘদিন সমাজ ও ধর্মের কঠোর নিয়মে আবদ্ধ থাকার পর সেই বন্ধন ভেঙে নতুন চিন্তা ও প্রতিবাদের পথে এগোয়, তখন তাকে নবজাগরণ বলা হয়। উনবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির প্রভাবে বাঙালির মনে যে ব্যাপক পরিবর্তন আসে, তার ফলেই সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চারিত হয়। এই সামগ্রিক মানসিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনকেই বাংলায় রেনেসাঁস বা নবজাগরণ বলা হয়। এর মাধ্যমেই বাংলা ও ভারতে আধুনিক যুগের সূচনা ঘটে।
নবজাগরণের কাল : বাংলায় যে সময় সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংস্কার আন্দোলন গড়ে ওঠে, সেই সময়কালকেই ‘নবজাগরণের কাল’ বলা হয়। সাধারণভাবে রাজা রামমোহন রায়ের কর্মযুগ থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুকাল পর্যন্ত সময়কে নবজাগরণের পর্ব হিসেবে ধরা হয়।
নবজাগরণের ফলে বাঙালির মনে বৌদ্ধিক জাগরণ : পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রভাবে উনিশ শতকে বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজে নতুন চিন্তার উন্মেষ ঘটে। তারা প্রচলিত রীতি-নীতি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করতে শুরু করে। সমাজের নানা বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস জন্মায় এবং যুক্তির ভিত্তিতে মত গঠন করার প্রবণতা বাড়ে। এমনকি নারীর অধিকার ও সমাজে তাদের অবস্থান নিয়েও বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা শুরু হয়। এইভাবেই বাঙালির মনে বৌদ্ধিক জাগরণ গড়ে ওঠে।
উপসংহার : সুতরাং নবজাগরণ ছিল বাঙালির চিন্তা, সমাজ ও সংস্কৃতির এক নব অধ্যায়। এই সময়েই যুক্তিবাদী মনোভাব, সামাজিক সংস্কার ও আধুনিক চেতনার বিকাশ ঘটে, যা পরবর্তী কালের সমাজগঠনে গভীর প্রভাব ফেলে।
2. উনিশ শতকের নবচেতনার উন্মেষ বাংলা সাহিত্যকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল, আলোচনা করো। [WBCHSE Sample Question]
উত্তর : উনিশ শতকে বাংলার সমাজজীবনে যে নবচিন্তার উন্মেষ ঘটে, তা ছিল এক যুগান্তকারী ঘটনা। এই নতুন মানসিকতার প্রভাব কেবল সমাজসংস্কারে নয়, সাহিত্যক্ষেত্রেও গভীরভাবে অনুভূত হয়। ফলে বাংলা সাহিত্য ধীরে ধীরে আধুনিক ধারায় বিকশিত হতে শুরু করে।
বাংলা সাহিত্যকে নবচেতনার প্রভাব :
(ক) গদ্যের বিকাশ : ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর বাংলা গদ্যচর্চা সুসংগঠিত রূপ পায়। পাঠ্যপুস্তক ও অনুবাদগ্রন্থ রচনার মাধ্যমে গদ্যের ভিত্তি শক্ত হয়। পরে রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, অক্ষয়কুমার দত্ত ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখের প্রচেষ্টায় বাংলা গদ্য পরিণত, মার্জিত ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
(খ) সাময়িকপত্রের বিস্তার : নবচেতনার ভাব প্রচার ও বিকাশে বিভিন্ন সাময়িকপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ‘দিগ্দর্শন’, ‘সম্বাদ কৌমুদী’ ও ‘বঙ্গদর্শন’-এর মতো পত্রিকাগুলি সমাজ, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কারমূলক চিন্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। এর ফলে জনমত গঠন সহজ হয় এবং গদ্যভাষা সমৃদ্ধ হয়।
(গ) কাব্যে নবধারা : মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইউরোপীয় মহাকাব্যের আদর্শে বাংলা কাব্যে নতুন রীতি প্রবর্তন করেন। তাঁর হাত ধরে কাব্যে ছন্দ ও ভাবের বৈচিত্র্য আসে। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যসাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ ও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করেন।
(ঘ) নাট্যসাহিত্যের বিকাশ : ইউরোপীয় নাট্যধারার প্রভাবে বাংলা নাটকে মৌলিকতা ও বাস্তবতার প্রকাশ ঘটে। দীনবন্ধু মিত্র ও গিরিশচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ নাট্যকার সমাজসংক্রান্ত বিষয়কে নাটকে স্থান দিয়ে নাট্যসাহিত্যকে জনপ্রিয় ও সমৃদ্ধ করে তোলেন।
(ঙ) নতুন চিন্তাধারার উন্মেষ : নবচেতনার ফলে সাহিত্য সমাজসংস্কার, যুক্তিবাদ ও মানবিক মূল্যবোধের বাহন হয়ে ওঠে। লেখকেরা সমকালীন সমস্যা ও মানবজীবনের বাস্তব দিকগুলি সাহিত্যে প্রতিফলিত করেন। এতে সাহিত্য আরও জীবন্ত ও অর্থবহ রূপ পায়।
উপসংহার : অতএব, উনিশ শতকের নবচেতনা বাংলা সাহিত্যকে সর্বাঙ্গীণভাবে প্রভাবিত করে। গদ্য, কাব্য, নাটক ও সাময়িকপত্র সব ক্ষেত্রেই নতুন ধারা ও সৃষ্টিশীলতার বিকাশ ঘটে। এর ফলেই বাংলা সাহিত্য আধুনিক যুগে প্রবেশ করে এবং বাঙালির মননজগতে স্থায়ী ছাপ রেখে যায়।
3. নবজাগরণে ব্রাহ্মসমাজের ভূমিকা আলোচনা করো। [WBCHSE Sample Question]
উত্তর : বাংলার নবজাগরণের যুগে ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারের ক্ষেত্রে ব্রাহ্মসমাজ এক গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই সংগঠন মানুষের ধর্মচিন্তা ও সমাজজীবনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা করে এবং নবচেতনার বিকাশে সহায়তা করে।
নবজাগরণে ব্রাহ্মসমাজের ভূমিকা :
(ক) প্রতিষ্ঠা ও মূল আদর্শ : রাজা রামমোহন রায় ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠান ও কুসংস্কারের পরিবর্তে বেদান্ত ও উপনিষদের ভিত্তিতে একেশ্বরবাদ প্রচার করেন। এর মাধ্যমে ধর্মকে সরল ও যুক্তিনির্ভর করার প্রয়াস নেওয়া হয়।
(খ) ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে আন্দোলন : ব্রাহ্মনেতারা মধ্যযুগীয় ধর্মান্ধতা ও অন্ধবিশ্বাসের বিরোধিতা করেন। তাঁদের প্রচেষ্টায় সমাজে যুক্তিবাদী ধর্মচেতনার উন্মেষ ঘটে এবং মানুষ ধর্মকে নতুনভাবে বিচার করতে শেখে।
(গ) দেবেন্দ্রনাথ ও কেশবচন্দ্রের অবদান : দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্মসমাজকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করেন। তাঁর উদ্যোগে ১৮৫৭ সালে কেশবচন্দ্র সেন আন্দোলনে যোগ দেন এবং একে আরও গতিশীল করেন। কেশবচন্দ্র বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ও পর্দাপ্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং বিধবাবিবাহ ও অসবর্ণ বিবাহের সমর্থন করেন, যা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে।
(ঘ) বিভাজন ও নতুন সংগঠন : ১৮৬৬ সালের ১১ নভেম্বর মতভেদের কারণে ‘ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্মসমাজ’ ও ‘আদি ব্রাহ্মসমাজ’ নামে দুটি শাখা গড়ে ওঠে। পরে প্রগতিশীলদের উদ্যোগে ‘সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা সমাজসংস্কারে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেয়।
(ঙ) সামাজিক ও রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ : সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ স্ত্রীশিক্ষা প্রসার, সমাজউন্নয়ন ও রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেয়। তাঁদের প্রচেষ্টায় সমাজে নতুন মূল্যবোধ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির বিস্তার ঘটে। পরবর্তীকালে স্বাধীনতা আন্দোলনেও বহু ব্রাহ্ম ব্যক্তিত্ব সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
উপসংহার : অতএব, ব্রাহ্মসমাজ নবজাগরণের ধর্মীয় ও সামাজিক পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিল। তাদের উদ্যোগে সমাজে যুক্তিবাদ, মানবিকতা ও সংস্কারের ধারা শক্তিশালী হয়, যা বাংলার আধুনিক চেতনার বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
4. আধুনিক যুগে বাংলার সমাজজীবনের যে ছবি পাওয়া যায়, তা আলোচনা করো। [WBCHSE Sample Question)
উত্তর : উনিশ শতকের নবজাগরণ বাংলার সমাজজীবনে গভীর পরিবর্তন আনে। দীর্ঘদিনের কুসংস্কার, অমানবিক প্রথা ও অন্ধ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে শিক্ষিত সমাজ প্রতিবাদ জানাতে শুরু করে। ফলে সমাজে নতুন চিন্তা, মানবিকতা ও যুক্তিবাদের বিকাশ ঘটে।
আধুনিক যুগে বাংলার সমাজজীবনের ছবি :
(ক) সতীদাহ প্রথা বিলোপ : একসময় স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীকে চিতায় জীবন্ত দাহ করার নিষ্ঠুর রীতি প্রচলিত ছিল। রাজা রামমোহন রায় এই অমানবিক প্রথার বিরুদ্ধে প্রবন্ধ ও সংবাদপত্রের মাধ্যমে জনমত গড়ে তোলেন। তাঁর প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ ১৮২৯ সালে আইন প্রণয়ন করে সতীদাহ প্রথা বন্ধ করা হয়। এটি ছিল সমাজসংস্কারের এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
(খ) বিধবাবিবাহ প্রবর্তন : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিধবাদের মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেন। তিনি গ্রন্থ রচনা করে সমাজকে বোঝান যে বিধবাবিবাহ অন্যায় নয়। তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৮৫৬ সালে বিধবাবিবাহ আইনসিদ্ধ হয়, যা নারীজীবনে নতুন আশার সঞ্চার করে।
(গ) বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের বিরোধিতা : সমাজে অল্পবয়সে বিবাহ ও একাধিক বিবাহের প্রচলন ছিল। রামমোহন রায়, বিদ্যাসাগর ও কেশবচন্দ্র সেন প্রমুখ এসব কুপ্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। তাঁদের প্রচেষ্টায় সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং সংস্কারের ভিত্তি মজবুত হয়।
(ঘ) জাতিভেদ প্রথার সমালোচনা : নবজাগরণের প্রভাবে জাতপাতের কঠোর বিভাজন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। মানুষ সমতা, মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা বলতে শুরু করে। ফলে সমাজে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম হয়।
(ঙ) ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলন : হিন্দু কলেজের অধ্যাপক হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর প্রভাবে একদল উদারচিন্তার যুবক কুসংস্কার ও সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে এগিয়ে আসে। তারা যুক্তিবাদ, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও আধুনিক শিক্ষার প্রসার ঘটায়।
উপসংহার : উনিশ শতকের নবজাগরণ বাংলার সমাজজীবনে এক নতুন যুগের সূচনা করে। কুপ্রথা দূরীকরণ, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা ও যুক্তিবাদী চিন্তার বিকাশের মাধ্যমে সমাজ আধুনিক ও প্রগতিশীল পথে অগ্রসর হয়।
5. ঔপনিবেশিক বাংলার নবজাগরণ বাঙালির শিক্ষায় কীভাবে প্রভাব ফেলেছিল ? ৫
উত্তর : ঔপনিবেশিক যুগে বাংলার নবজাগরণ শুধু সমাজেই নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে। নতুন চিন্তা, মুদ্রণব্যবস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিস্তার শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
ঔপনিবেশিক বাংলার নবজাগরণ বাঙালির শিক্ষায় প্রভাব :
(ক) মুদ্রণযন্ত্রের প্রচলন : জার্মানির গুটেনবার্গের আবিষ্কৃত ছাপাখানা ভারতে আসার পর শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে যায়। এর মাধ্যমে বই সহজে ছাপা সম্ভব হয়। পর্তুগিজ-বাংলা অভিধান ও ব্যাকরণসহ কয়েকটি গ্রন্থ প্রথম মুদ্রিত হয়, যা শিক্ষার প্রসারে সহায়ক হয়।
(খ) কলকাতায় ছাপাখানার স্থাপন : ১৭৬৮ সালে কলকাতায় প্রথম মুদ্রণযন্ত্র স্থাপিত হয়। পরে পঞ্চানন কর্মকার বাংলা অক্ষরের ধাতব ছাঁচ তৈরি করেন। ফলে বাংলা ভাষায় মুদ্রণ সহজ হয় এবং ব্যাকরণ গ্রন্থে প্রথম বাংলা ছাপার অক্ষর ব্যবহৃত হয়।
(গ) ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের প্রতিষ্ঠা : ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজ আধুনিক বাংলা গদ্যরচনার সূচনা করে। এখান থেকে বাংলা ভাষার বিকাশ ও শিক্ষার প্রসার ঘটে।
(ঘ) স্কুল বুক সোসাইটি গঠন : ১৮১৭ সালে ইংরেজি ও বাংলা পাঠ্যপুস্তক তৈরির উদ্দেশ্যে এই সংস্থা গড়ে ওঠে। এর ফলে বিদ্যালয়ের জন্য মানসম্মত বই প্রস্তুত হয় এবং শিক্ষাব্যবস্থা সুসংগঠিত হয়।
(ঙ) উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা : প্রেসিডেন্সি কলেজ, সংস্কৃত কলেজ, শ্রীরামপুর কলেজ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ১৮৫৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন যুগের সূচনা হয়।
উপসংহার : ঔপনিবেশিক বাংলার নবজাগরণ শিক্ষাক্ষেত্রে আধুনিকতার পথ খুলে দেয়। মুদ্রণযন্ত্র, নতুন প্রতিষ্ঠান ও পাঠ্যপুস্তক রচনার মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থা সুদৃঢ় ও প্রসারিত হয়।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই এই ই-বুক(PDF)টি কিনতে হলে মেনু অপশনে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
File Details :
PDF Name : আধুনিক বাংলা সাহিত্য PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. বই কেনা প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 2. আজব শহর কলকেতা প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 3. নুন কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 4. আগুন নাটকের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
.webp)