WB Semester Display Ads-1

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বই কেনা প্রশ্ন উত্তর | Boi Kena Question Answer | Boi Kena Question Answer Class 11

0

বই কেনা প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর PDF

ভূ(caps)মিকা : একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা পরীক্ষার জন্য পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্রন্থ থেকে সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা একটিমাত্র প্রবন্ধগ্রন্থ 'পঞ্চতন্ত্র' পড়তে হবে। এই পঞ্চতন্ত্র প্রবন্ধগ্রন্থে চারটি প্রবন্ধ রচনা রয়েছে। যেমন 'বই কেনা', 'আজব শহর কলকাতা', 'পঁচিশে বৈশাখ' এবং 'আড্ডা'। এই 'পঞ্চতন্ত্র' প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে লিখিত পরীক্ষায় 40 নম্বরের মধ্যে 10 নম্বর থাকবে। অর্থাৎ পরীক্ষায় 5 নম্বর মানের বড় প্রশ্ন তিনটি দেওয়া থাকবে, তার মধ্যে যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর করতে হবে। অতএব তোমাদের সুবিধার জন্য সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা 'বই কেনা' প্রবন্ধ থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর সহ Free PDF নিচে দিলাম। এছাড়াও আমাদের প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা সাজেশন ই-বুকটি (PDF) শিক্ষার্থীরা অল্প কয়েক টাকার বিনিময়ে সংগ্রহ করতে পারেন। কারণ এই ই-বুকটি WBCHSE বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। তাই এখান থেকে পরীক্ষায় অনেক প্রশ্ন কমন পাবেন। সুতরাং যারা বাংলা ই-বুকটি(PDF) কিনতে চান, তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটের Menu Option-এ ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দেখে নিতে পারেন।

Boi Kenai Question Answer

🔹 Boi Kenai Question Answer PDF

[প্রতিটি প্রশ্নের মান 5]
1. মার্ক টুয়েন-এর লাইব্রেরির বিশেষত্ব কেমন ছিল? আঁদ্রে জিদে কীভাবে তাঁর লেখক বন্ধুদের শিক্ষা দিয়েছিলেন? [HS Model Question 24]
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘বই কেনা’ প্রবন্ধে নানা বিখ্যাত মানুষের বই ও লাইব্রেরি নিয়ে মজার ঘটনা পাওয়া যায়। সেখানে মার্ক টুয়েনের লাইব্রেরির অদ্ভুত রূপ এবং আঁদ্রে জিদের বন্ধুদের শিক্ষা দেওয়ার কাহিনি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
মার্ক টুয়েনের লাইব্রেরির বিশেষত্ব : মার্ক টুয়েনের লাইব্রেরি ছিল দেখার মতো। সেখানে আলাদা করে বুকশেলফ ছিল না। মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত বইয়ে ভরা থাকত, এমনকি কার্পেটের উপরেও বইয়ের স্তূপ পড়ে থাকত। এত বই ছিল যে ঠিকমতো হাঁটার জায়গাও পাওয়া যেত না। তিনি কিছু বই কিনতেন, আবার অনেক বই বন্ধুদের কাছ থেকে ধার নিয়ে আর ফেরত দিতেন না। এভাবেই তার বিশাল সংগ্রহ তৈরি হয়েছিল।
আঁদ্রে জিদে তাঁর লেখক বন্ধুদের শিক্ষা দিয়েছিলেন : নোবেলজয়ী লেখক আঁদ্রে জিদে রাশিয়া ভ্রমণ থেকে ফিরে তিনি সোভিয়েত শাসনের সমালোচনা করে একটি বই লেখেন। এর পর প্যারিসের স্তালিনপন্থীরা তাকে নানা অপমান ও কটূক্তি করতে থাকে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, তার অনেক লেখক বন্ধু এই সময় পাশে দাঁড়াননি; তারা চুপ করে ছিলেন। বন্ধুদের এই উদাসীনতা জিদেকে গভীরভাবে কষ্ট দেয়।
ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি তাদের শিক্ষা দেওয়ার একটি অভিনব উপায় ভাবেন। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানালেন, তিনি তার লাইব্রেরি নিলামে তুলবেন। পরে জানা গেল, সব বই নয়, যেসব বন্ধু তার হয়ে প্রতিবাদ করেননি তাদের দেওয়া স্বাক্ষর করা উপহার বইগুলিই বিক্রি করা হবে। এভাবেই তিনি বন্ধুদের প্রতি নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে তাদের শিক্ষা দিয়েছিলেন।
উপসংহার : এই দুটি ঘটনায় বোঝা যায়, বই সংগ্রহ কিংবা বইকে কেন্দ্র করে মানুষের স্বভাব কত বিচিত্র হতে পারে। কেউ বই জমাতে ভালোবাসেন, আবার কেউ বইয়ের মাধ্যমেই অভিমান ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেন।

2. "এক আরব পণ্ডিতের লেখাতে সমস্যাটার সমাধান পেলুম।"-এখানে কোন্ সমস্যার কথা বলা হয়েছে? লেখক কোন্ সমাধান পেয়েছিলেন ? ২+৩
অথবা, "জ্ঞানার্জন ধনার্জনের চেয়ে মহত্তর" - প্রসঙ্গ উল্লেখ করে উদ্ধৃতিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। ৫
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘বই কেনা’ প্রবন্ধে বন্ধুদের কাছ থেকে বই নিয়ে তা ফেরত না দেওয়ার স্বভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে লেখক এক আরব পণ্ডিতের লেখায় সমস্যাটির একটি ব্যাখ্যা খুঁজে পান।
সমস্যাটি হল : মানুষ সাধারণ জিনিসের ক্ষেত্রে খুব সৎ হতে পারে, কিন্তু বইয়ের বেলায় অনেক সময় সেই সততা থাকে না। বন্ধুর কাছ থেকে বই নিয়ে অনেকে আর ফেরত দিতে চান না। কখনো ভুলে যান, কখনো উদাসীন থাকেন। ফলে বই ধার দেওয়া ব্যক্তিই বিপদে পড়েন। এই বই না ফেরানোর প্রবণতাকেই লেখক মূল সমস্যা হিসেবে দেখিয়েছেন।
লেখক যে সমাধান পেয়েছিল : এক আরব পণ্ডিতের লেখায় বলা হয়েছিল, ধনীরা যেমন অর্থ উপার্জনকে বড় মনে করে, তেমনি জ্ঞানীরা জ্ঞান অর্জনকেই সবচেয়ে মূল্যবান ভাবেন। জ্ঞান লাভের জন্য তারা বইকে নিজের কাছে রাখতে চান। টাকা পেলে তারা তা আবার জ্ঞানচর্চার পেছনেই খরচ করেন। কারণ তাদের বিশ্বাস, জ্ঞানই আসল সম্পদ, অর্থের চেয়ে তার মর্যাদা বেশি। এই ভাবনা থেকেই অনেকে বই নিজের কাছে রেখে দিতে দ্বিধা করেন না।
উপসংহার : অতএব, বই ফেরত না দেওয়ার বিষয়টি শুধু অসততা নয়, এর পেছনে জ্ঞানকে বড় করে দেখার মানসিকতাও কাজ করে। "জ্ঞানার্জন ধনার্জনের চেয়ে মহত্তর" এই উপলব্ধিই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

3."সে ঝুঁকিটা নিতে নারাজ। এক্সপেরিমেন্ট করতে নারাজ।"- এখানে কোন্ ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে? সে নারাজ কেন ? ২+৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘বই কেনা’ প্রবন্ধে বইয়ের দাম, বিক্রি এবং প্রকাশকদের মানসিকতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেই ঝুঁকি নেওয়া ও তা এড়িয়ে চলার বিষয়টি উঠে এসেছে।
ঝুঁকিটি হল : এখানে মূল ঝুঁকি হল বইয়ের দাম কমিয়ে বেশি কপি ছাপার চেষ্টা করা। লেখকের মতে, দাম কমালে বিক্রি বাড়তে পারে। কিন্তু প্রকাশকেরা ভয় পান বই না বিক্রি হলে বড় ক্ষতি হবে। তাই বেশি সংখ্যায় ছাপা ও কম দামে বিক্রির এই পরীক্ষাকেই ঝুঁকি বলা হয়েছে।
সে নারাজ হওয়ার কারণ : বাঙালি প্রকাশকেরা মনে করেন, পাঠকেরা বই কেনেন না। আবার কম বই ছাপার জন্য দামও বেশি থাকে। এভাবেই এক ধরনের ঘুরপাক খাওয়া অবস্থা তৈরি হয়েছে। প্রকাশকদের জীবিকা বই বিক্রির ওপরেই নির্ভর করে। তাই তারা লোকসানের আশঙ্কায় নতুনভাবে চেষ্টা করতে চান না। বেশি কপি ছাপিয়ে দাম কমালে যদি বিক্রি না হয়, তাহলে দেউলিয়া হওয়ার ভয় থাকে। এই ভয়ের কারণেই তারা এক্সপেরিমেন্ট করতে রাজি নন।
উপসংহার : অতএব, ঝুঁকি না নেওয়ার পিছনে কাজ করছে অনিশ্চয়তা ও লোকসানের আতঙ্ক। তবে লেখকের ইঙ্গিত, সাহস করে উদ্যোগ নিলে হয়তো অবস্থার পরিবর্তনও সম্ভব।

4."তাই এই অচ্ছেদ্য চক্র"/"এ চক্র ছিন্ন তো করতেই হবে"-  চক্রের কী ? এই চক্র কিভাবে ছিন্ন করা সম্ভব ? ৩+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘বই কেনা’ প্রবন্ধে বইয়ের দাম, পাঠকের মানসিকতা ও প্রকাশকদের ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রয়েছে। এই প্রসঙ্গেই তিনি এক ধরনের ঘুরে-ফিরে চলা সমস্যাকে ‘অচ্ছেদ্য চক্র’ বলেছেন।
চক্রটি হল : পাঠকেরা বলেন, বইয়ের দাম বেশি, তাই তারা কিনতে চান না। আবার প্রকাশকেরা বলেন, মানুষ বই কেনে না বলেই বেশি কপি ছাপা যায় না, ফলে দামও কমানো সম্ভব নয়। এইভাবে ক্রেতা ও প্রকাশকের যুক্তি একে অন্যকে ঘিরে ঘুরতে থাকে। এই শেষ না হওয়া অবস্থাকেই লেখক ‘অচ্ছেদ্য চক্র’ বলেছেন।
চক্রটি যেভাবে ছিন্ন করা সম্ভব : লেখকের মতে, ভয় কাটিয়ে উদ্যোগ নিতে হবে। ভালো বই হলে বেশি সংখ্যায় ছাপতে হবে এবং দাম কমানোর চেষ্টা করতে হবে। বিদেশে প্রকাশকেরা সাহস করে বড় মাপের ছাপা দেন। আমাদের এখানেও যদি সেই মানসিকতা আসে, তাহলে বিক্রি বাড়তে পারে। পাঠকদেরও বই কেনার অভ্যাস বাড়াতে হবে। বইয়ের জন্য বেশি খরচ করলেও কেউ সর্বস্বান্ত হয় না; বরং বই থেকে পাওয়া জ্ঞান অনেক বেশি মূল্য ফিরিয়ে দেয়। এই বিশ্বাস থেকেই চক্র ভাঙা সম্ভব।
উপসংহার : অতএব, পারস্পরিক ভয় ও সন্দেহ দূর করে সাহসী পদক্ষেপ নিলেই এই ঘুরপাক খাওয়া অবস্থা বদলানো যেতে পারে এটাই লেখকের মূল ইঙ্গিত।

5. প্রকাশকেরা বইয়ের দাম কমাতে চান না কেন? "বই কিনে কেউ তো কখনো দেউলে হয়নি।"- লেখকের এই মতের কারণ কী আলোচনা করো ? ৩+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘বই কেনা’ প্রবন্ধে বইয়ের বাজারকে ঘিরে পাঠক ও প্রকাশকের ভাবনার সংঘাত তুলে ধরা হয়েছে। এই আলোচনার মধ্যেই দাম কমানো নিয়ে প্রকাশকদের অনীহা এবং বই কেনার মূল্য সম্পর্কে লেখকের মত প্রকাশ পায়।
লেখকের এই মতের কারণ : প্রকাশকেরা মনে করেন, বাঙালি পাঠক বই খুব বেশি কেনেন না। তাই বেশি কপি ছাপা হলে সেগুলো বিক্রি না-ও হতে পারে।। তাদের রোজগার বই বিক্রির ওপরেই দাঁড়িয়ে আছে। লোকসান হলে সংসার চালানো কঠিন হবে এই আশঙ্কা থেকেই তারা দাম কমানোর ঝুঁকি নিতে চান না।
কিন্তু লেখক এই ভাবনার সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন। তাঁর মতে, বইয়ের পেছনে খরচ করা টাকা কখনো নষ্ট হয় না। কারণ বই মন দিয়ে পড়লে মানুষ জ্ঞান লাভ করে, আর সেই জ্ঞানের দাম টাকার চেয়ে অনেক বড়। আজ সামান্য অর্থ ব্যয় হলেও তা ভবিষ্যতে অনেক গুণ লাভ এনে দেয়। টাকা ফুরিয়ে যায়, কিন্তু জ্ঞান চিরদিন থাকে। তাই বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না এই বিশ্বাস থেকেই লেখক এমন মত প্রকাশ করেছেন।
উপসংহার : অতএব, প্রকাশকেরা ভয়ে পিছিয়ে থাকলেও লেখক মনে করেন, বইয়ের পেছনে ব্যয় আসলে লাভেরই বিনিয়োগ, এতে দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা নেই।

6. 'বই কেনা' প্রবন্ধে লেখক কোন্ কোন্ ধর্মগ্রন্থের নাম উল্লেখ করেছেন? সেই ধর্মগ্রন্থগুলি সম্পর্কে তার মতামতের প্রাসঙ্গিকতা লেখো। ২+৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘বই কেনা’ প্রবন্ধে লেখক পাঠকের কাছে বইয়ের গুরুত্ব পরিষ্কার করে তুলতে বিভিন্ন ধর্মের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের উদাহরণ ব্যবহার করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি দেখাতে চেয়েছেন, জ্ঞান ও পুস্তকের মর্যাদা সব ধর্মেই স্বীকৃত।
বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে প্রাবন্ধিকের বক্তব্য :
(ক) কোরান : মুসলমানদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ কোরানের প্রথম দিককার বাণীর অর্থ হল আল্লা কলমের মাধ্যমে মানুষকে শিক্ষা দেন। লেখকের মতে, সেই কলমের ফলেই বইয়ের সৃষ্টি, আর বই হচ্ছে জ্ঞান ধরে রাখার প্রধান মাধ্যম। তাই কোরানের এই বাণী বইয়ের গুরুত্বই প্রমাণ করে।
(খ) বাইবেল : খ্রিস্টানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বাইবেল। শব্দটির অর্থই হল ‘সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ’। নামের মধ্যেই বইকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। লেখক বোঝাতে চান, ধর্মীয় জীবনেও পুস্তকের সম্মান কত গভীর।
(গ) মহাভারত : হিন্দুদের মধ্যে যে দেবতার নাম নিয়ে সব শুভ কাজ শুরু করা হয়, তিনি গণেশ বা গণপতি। পুরাণে বলা আছে, বিশাল কাব্য মহাভারত লিখে রাখার দায়িত্ব তিনি নিজে নিয়েছিলেন। এই কাহিনি থেকে গ্রন্থটির মাহাত্ম্য ও সম্মানের কথাই প্রকাশ পায়।
উপসংহার : এই সব উদাহরণ তুলে ধরে লেখক বুঝিয়েছেন, পৃথিবীর নানা ধর্মেই বইকে জ্ঞানের ভাণ্ডার হিসেবে শ্রদ্ধা করা হয়। তাই মানুষেরও উচিত বইকে সম্মান করা এবং পাঠের মাধ্যমে নিজেকে সমৃদ্ধ করা।

7. 'চোখ বাড়াবার পন্থাটা কি?'- পন্থাগুলি কী কী? মনের চোখ ফোটানোর প্রয়োজনীয়তা কী ? ২+৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা প্রাবন্ধিক মানুষের জ্ঞানবৃদ্ধি ও মানসিক শক্তি গড়ে তোলার জন্য ‘চোখ বাড়ানো’-র কথা বলেছেন। এর মাধ্যমে তিনি বই পড়ার প্রয়োজনীয়তাকেই গুরুত্ব দিয়েছেন।
পন্থাগুলি হল : চোখ বাড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায় হলো নিয়মিত বই পড়া। আর বই পড়তে গেলে বই কেনার আগ্রহও দরকার। বইয়ের সঙ্গেই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বড় হয়।
মনের চোখ ফোটানোর প্রয়োজনীয়তা : প্রাবন্ধিক রাসেলের মত তুলে ধরে বলেন, জীবনের দুঃখ-কষ্ট থেকে বাঁচতে হলে মনের মধ্যে নিজের একটা জগৎ তৈরি করতে হয়। বিপদ এলে সেই ভেতরের জগতে আশ্রয় নিলে কষ্ট সামলানো সহজ হয়। যার মনের শক্তি বেশি, সে বাইরের আঘাতে ভেঙে পড়ে না। নানা প্ররোচনার মধ্যেও সে শান্ত ও স্থির থাকতে পারে।
মূল্যায়ন : তাই বোঝা যায়, বই পড়ার মাধ্যমে মনের চোখ খুলে যায় এবং মানুষ জীবনের কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করার শক্তি পায়।

8. "জিদ শুধু জঞ্জালই বেঁচে ফেলছেন।'-জিদের কাছে জঞ্জাল কী? তিনি কেন তা বেঁচে ফেলছেন? ৩+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘বই কেনা’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক একটি ঘটনার মাধ্যমে লেখক আঁদ্রে জিদের মানসিক অবস্থার পরিচয় দিয়েছেন। সেখানে জিদ কেন কিছু বইকে ‘জঞ্জাল’ বলেছিলেন এবং কেন সেগুলো বিক্রি করতে চেয়েছিলেন, তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
জিদের কাছে জঞ্জাল হল : নোবেলজয়ী লেখক আঁদ্রে জিদে রাশিয়া ভ্রমণ থেকে ফিরে তিনি সোভিয়েত শাসনের সমালোচনা করে একটি বই লেখেন। এর পর প্যারিসের স্তালিনপন্থীরা তাকে নানা অপমান ও কটূক্তি করতে থাকে। কিন্তু তাঁর বহু ঘনিষ্ঠ লেখক-বন্ধু তখন পাশে দাঁড়াননি, নীরব ছিলেন। এই নীরবতাকে জিদ বিশ্বাসঘাতকতার মতো মনে করেছিলেন। তাই সেই বন্ধুদের দেওয়া উপহার বইগুলিই তাঁর কাছে মূল্যহীন, অর্থাৎ জঞ্জালের মতো হয়ে যায়।
বেঁচে ফেলার কারণ : ফরাসি সমাজে বইকে খুব সম্মানের চোখে দেখা হয়। সেই বইকেই বিক্রি করে দেওয়া মানে কাউকে কঠিন অপমান করা। তাই জিদ নিলামে বই বিক্রি করে নীরব বন্ধুদের প্রতি রাগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। এতে তিনি তাদের উপযুক্ত জবাব দিতে পেরেছেন বলে মনে করেছিলেন।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই এই ই-বুক(PDF)টি কিনতে হলে মেনু অপশনে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
File Details :
PDF Name : বই কেনা প্রশ্ন উত্তর PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF

আরো পড়ুন প্রশ্নোত্তর
1.  লালন শাহ ফকিরের গান প্রশ্ন উত্তর PDF Click here
2. তেলেনাপোতা আবিষ্কার গল্পের প্রশ্ন উত্তর PDF Click here
3. নুন কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF Click here
4. আগুন নাটকের প্রশ্ন উত্তর PDF Click here
Regards,
WB Semester Team 
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.