🔹 আজব শহর কলকেতা প্রশ্ন উত্তর 5 Marks
[প্রতিটি প্রশ্নের মান 5]
1. 'আজব শহর কলকেতা'-য় ফরাসি বইয়ের দোকান দেখে লেখকের মনে কীরূপ ভাবের উদয় হয়েছিল? দোকানের ভিতর ঢুকে লেখক কীরূপ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলেন? [HS Model Question 24] ২+৩
অথবা, "সামনে দেখি বড় বড় হরফে লেখা 'ফ্রেঞ্চ বুক শপ' -'ফ্রেঞ্চ বুক শপ-টিতে গিয়ে প্রাবন্ধিকের কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল তা প্রসঙ্গ-সহ বর্ণনা করো। ৫
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘আজব শহর কলকেতা’ প্রবন্ধে লেখক এক ফরাসি বইয়ের দোকানকে কেন্দ্র করে কলকাতার এক অভিনব অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন।
ফরাসি বইয়ের দোকান দেখে লেখকের মনোভাব : কলকাতার মতো জায়গায় ফরাসি বইয়ের দোকান দেখে লেখক বিস্মিত হয়েছিলেন। তাঁর মনে হয়েছিল, হয়তো কোনো ধনী ফরাসি ভুল করে এখানে এসে দোকান খুলেছেন এবং লাভের চেয়ে টাকা খরচ করাই তাঁর উদ্দেশ্য। এমনও ভেবেছিলেন, বাইরে ফরাসি বই থাকলেও ভেতরে অন্য ধরনের বই বিক্রি হতে পারে।
দোকানের ভিতর ঢুকে লেখকের অভিজ্ঞতা : ফরাসি বইয়ের দোকানের ভিতরে ঢুকে লেখক অনেক হলুদ ও সাদা মলাটের বই দেখে অবাক হলেন। কিছু বই ঠিকমতো রাখা ছিল, আবার কিছু জায়গায় এলোমেলোও ছিল। বইগুলো এমনভাবে সাজানো যে যারা এই ধরনের সিরিজ চেনে তারা সহজেই দরকারি বই খুঁজে নিতে পারবে। কিন্তু যারা জানে না, তাদের একটু অসুবিধায় পড়তে হবে। দোকানে এক ফরাসি মহিলা তাঁকে হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানান। লেখক অস্পষ্ট ফরাসি ভাষায় তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। মহিলা লেখকের প্রয়োজনীয় বইয়ের নাম লিখে রাখেন এবং বই এলেই খবর দেবেন বলে জানান। আলাপের সময় তিনি আরও বলেন, দোকানটি তাঁর এক বান্ধবীর, বান্ধবী না থাকায় তিনিই দেখাশোনা করছেন। তিনি অল্পদিন হলো, মাত্র তিন মাস কলকাতায় এসেছেন এবং ভালো ইংরেজি বলতে পারেন না। এই দোকান খোলার মূল উদ্দেশ্য ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যের পরিচয় ছড়িয়ে দেওয়া। এত দূরে এসে নিজের ভাষায় কথা বলতে পেরে তিনি খুব খুশি হয়েছেন। দোকানের ভিতরে এসে লেখকের আগের ভুল ধারণা ভেঙে যায়। তিনি এক নতুন ও মনে রাখার মতো অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
উপসংহার : অতএব, এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে লেখক বুঝতে পারেন, অনুমান সব সময় সত্য হয় না। ফরাসি বইয়ের দোকান তাঁকে নতুন ভাবনা ও ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা দিয়েছিল।
2. "আজব শহর কলকেতাই বটে"- কলকাতাকে প্রাবন্ধিকের আজব মনে হওয়ার কারণ কী ?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘আজব শহর কলকেতা’ প্রবন্ধে লেখক কলকাতার নানা বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। একটি ফরাসি বইয়ের দোকানকে কেন্দ্র করে তাঁর মনে শহরটিকে খুব অদ্ভুত বলে মনে হয়।
কলকাতাকে আজব মনে হওয়ার কারণ :
(ক) বিপদের সময় হঠাৎ আবিষ্কার : শহরে বেরিয়ে প্রাবন্ধিক ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় পথ হারিয়ে ফেলেছিলেন। সেই অসহায় অবস্থায় হঠাৎ একটি ‘ফ্রেঞ্চ বুক শপ’-এর দেখা পাওয়া তাঁর কাছে বিস্ময়ের মতো মনে হয়।
(খ) বাংলার শহরে ফরাসি বই : যে জায়গায় বাংলা বইয়েরই যথেষ্ট ক্রেতা মেলে না, সেখানে আবার আলাদা করে ফরাসি বইয়ের দোকান এই বিষয়টি তাঁর কাছে খুব অস্বাভাবিক বলে মনে হয়।
(গ) দোকান সম্পর্কে আগের ধারণা : ভেতরে ঢোকার আগে তাঁর মনে হয়েছিল, হয়তো কোনো ধনী মানুষের খেয়ালখুশির ব্যবসা, অথবা ফরাসি নাম ব্যবহার করে অন্য ধরনের বই বিক্রি করা হয়।
(ঘ) ভেতরের দৃশ্য : কিন্তু দোকানে ঢুকে তিনি দেখলেন সত্যিই প্রচুর ফরাসি বই রয়েছে। হলুদ ও সাদা মলাটের বই চারদিকে সাজানো, আবার কিছু বই এলোমেলোও পড়ে আছে যা দৃশ্যটিকে আরও অভিনব করে তোলে।
(ঙ) বই সাজানোর বিশেষ পদ্ধতি : কিছু বই এমনভাবে সাজানো ছিল যেন টাইপরাইটারের অক্ষর সাজানো। যে এই নিয়ম জানে, সে সহজেই বই খুঁজে নিতে পারবে। কিন্তু না জানলে খুব সমস্যায় পড়তে হবে। এই পদ্ধতিটিও তাঁর কাছে আশ্চর্য লাগে।
উপসংহার : অতএব, বাংলা ভাষার শহর কলকাতায় হঠাৎ ফরাসি বইয়ের এমন অভিনব দোকান, তার বিপুল সংগ্রহ এবং আলাদা সাজানোর পদ্ধতি সব মিলিয়ে প্রাবন্ধিকের চোখে শহরটিকে বিস্ময়কর ও অদ্ভুত বলে মনে হয়েছে। তাই তিনি একে ‘আজব শহর কলকেতা’ বলেছেন।
3. 'এই হল ফরাসি জাতটার গুণ।'- কোন্ গুণের কথা বলা হয়েছে ? কীভাবে সে গুণের পরিচয় পাওয়া গেল ? ২+৩
অথবা, "এই হল ফরাসী জাতটার গুণ। হাজারো দোষের মধ্যে একটা কিছু ভালো দেখতে পেলেই প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠে।"- ফরাসি জাতির গুণ প্রাবন্ধিক কীভাবে উপলব্ধি করেছিলেন ? প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠার কারণ কী ? ২+৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘আজব শহর কলকেতা’ প্রবন্ধে ফরাসি জাতির স্বভাব সম্পর্কে একটি বিশেষ দিক তুলে ধরা হয়েছে। সামান্য ভালো কিছু দেখলেও তারা আন্তরিকভাবে তার প্রশংসা করে এই মানসিকতার কথাই এখানে বলা হয়েছে।
গুণটি হল : ফরাসিদের স্বভাব হল ফরাসিরা কারও মধ্যে অনেক ত্রুটি থাকলেও সামান্য ভালো কিছু দেখলেই তার খুব খুশি হয়ে ওঠে এবং খোলাখুলি প্রশংসা করতে দ্বিধা করে না। ছোট বিষয় হলেও তারা সেটাকে গুরুত্ব দেয়।
গুণটির পরিচয় : এক বর্ষার দিনে লেখক একটি ফরাসি বইয়ের দোকানে ঢুকে পড়ে। সেখানে কথাবার্তার সময় তাঁর মুখে ফরাসি ভাষা শুনে দোকানের ফরাসি মহিলা খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন। লেখকও বহুদিন আগের শেখা ভাষা মনে করে বলার চেষ্টা করেন। একজন বাঙালির মুখে নিজের ভাষা শুনে মহিলা এতটাই খুশি হন যে বারবার আনন্দ প্রকাশ করে প্রশংসা করতে থাকেন। তাঁর আচরণ থেকেই বোঝা যায়, অন্যের সামান্য চেষ্টাকেও তারা কত আন্তরিকভাবে মর্যাদা দেয়।
মূল্যায়ন : অতএব, এই ঘটনাটি প্রমাণ করে, ফরাসিরা ভালো কিছু দেখলে উদার মনে তার স্বীকৃতি দিতে জানে এটাই তাদের বড় গুণ।
4. "পৃথিবীর কি অদ্ভুত রীতি"- এই উক্তি কোন্ প্রসঙ্গে এসেছে ? পৃথিবীর রীতিটি অদ্ভূত কেন ? ২+৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘আজব শহর কলকেতা’ প্রবন্ধে সমাজজীবনের নানা বৈপরীত্যকে হাস্যরসের ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন। মানুষের পছন্দ-অপছন্দের অদ্ভুত দিক বোঝাতে গিয়েই তিনি "পৃথিবীর কি অদ্ভূত রীতি" মন্তব্যটি করেন।
উক্তিটির প্রসঙ্গ : লেখক বোঝাতে চান, পৃথিবীতে অনেক সময় দরকারি জিনিস অবহেলিত থাকে, আর অপ্রয়োজনীয় জিনিস সহজেই কদর পায়। এই কথা বোঝাতে তিনি তুলসীদাসের বক্তব্য টেনে বলেন - মদের দোকানদার বসে থাকে, মানুষ নিজেরাই সেখানে গিয়ে মদ কিনে আনে, কিন্তু দুধ বিক্রি করতে হলে দুধওয়ালাকে বাড়ি বাড়ি ঘুরতে হয়। কলকাতায় ফরাসি বইয়ের দোকান নিয়ে ভাবতে গিয়েই লেখকের মনে এই প্রসঙ্গ আসে।
পৃথিবীর রীতিটিকে অদ্ভূত বলার কারণ : এই রীতিকে অদ্ভুত বলা হয়েছে কারণ মানুষ অনেক সময় উপকারী জিনিসের মূল্য দেয় না, অথচ ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয় জিনিসের দিকে বেশি গুরুত্ব দেয়। মদ শরীরের ক্ষতি করে জেনেও মানুষ তা কিনতে ভিড় করে। অন্যদিকে দুধের মতো দরকারি জিনিস বিক্রি করতে গেলে অনুরোধ করতে হয়। বিদেশি জিনিসের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণও এই মানসিকতারই প্রমাণ। তাই প্রয়োজনীয় জিনিস অবহেলিত আর অপ্রয়োজনীয় জিনিস আদর পায়। এই উল্টো মানসিকতার কারণেই লেখকের চোখে পৃথিবীর "অদ্ভূত রীতি"।
মূল্যায়ন : অতএব, মানুষের রুচি ও চাহিদার এই বিপরীতধর্মী অবস্থাই লেখকের কাছে "অদ্ভূত রীতি” বলে মনে হয়েছে।
5. 'বুক শপকে হাতির দাঁতের সাথে তুলনা করা হয়েছে কেন ? বাঙালি প্রকাশকেরা বই মুনাফার জন্য কোন্ যুক্তি দেন ? ৩+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘আজব শহর কলকেতা’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক কলকাতার এক ফরাসি বইয়ের দোকান দেখে প্রথমে সন্দেহ ও কৌতূহলে ভরে ওঠেন। সেই ভাবনা থেকেই তিনি দোকানটির তুলনা ও প্রকাশকদের যুক্তি নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
বুক শপকে হাতির দাঁতের সাথে তুলনা করার কারণ : হাতির যে বড় দাঁত বাইরে দেখা যায়, তা মূলত সৌন্দর্যের জন্য; খাওয়ার কাজে লাগে ভেতরের দাঁত। এই কথাটা মনে রেখেই লেখক ভাবেন, দোকানের নাম ফরাসি হলেও হয়তো সামনেই শুধু কয়েকটা ফরাসি বই রাখা থাকবে। কিন্তু ভিতরে অন্য ধরনের, বিশেষ করে বাংলা বইয়ের আধিক্য থাকতে পারে। তাই কলকাতায় সম্পূর্ণ ফরাসি বইয়ে ভরা দোকান সত্যিই আছে কি না এই সন্দেহ থেকেই তিনি ফ্রেঞ্চ বুক শপের তুলনা হাতির দাঁতের সঙ্গে করেছেন।
বাঙালি প্রকাশকদের মুনাফার যুক্তি : এই ভাবনার পরেই লেখক ব্যবসার কথায় আসেন। প্রকাশকেরা বলেন, শুধু উন্নত মানের বই ছাপলে লাভ হয় না। যে বই বেশি বিক্রি হয়, অর্থাৎ হালকা ধরনের বই, সেগুলো বেশি ছাপতেই তারা আগ্রহী। কারণ বিক্রি বেশি হলেই মুনাফা নিশ্চিত হয়।
উপসংহার : অতএব বলতে পারি লেখক দেখাতে চেয়েছেন বাহ্যিক চেহারা অনেক সময় আসল সত্যকে ঢেকে রাখে, আর ব্যবসায় লাভের চিন্তাই প্রধান হয়ে দাঁড়ায়।
6. "ততক্ষণে আমি একটা খাসা বই পেয়ে গিয়েছি"-'ততক্ষণে' বলতে কোন্ সময়কে বোঝানো হয়েছে ? বইটির বিষয়বস্তু লেখো। ২+৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘আজব শহর কলকেতা’ প্রবন্ধে লেখকের এক ফরাসি বইয়ের দোকানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। সেখানেই তিনি একটি বিশেষ বই পাওয়ার কথা বলেন।
সময়টি হল : এক বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় লেখক “ফ্রেঞ্চ বুক শপ” নামে একটি দোকানে যান এবং ফরাসি ভাষায় দোকানির সঙ্গে কথা বলতে বলতে নিজের দরকারি বই খুঁজছিলেন। সেই সময় এক বাঙালি যুবক এসে ফরাসিতে কমার্শিয়াল আর্টের বই চাইতে থাকে। এই ঘটনার মধ্যেই লেখক নিজের পছন্দের বইটি হাতে পান। তাই ‘ততক্ষণে’ বলতে ওই ছেলেটির আসা ও লেখকের বই খুঁজে পাওয়ার সেই সময়টাকেই বোঝানো হয়েছে।
বইটির বিষয়বস্তু : লেখক যে বইটি পেয়েছিলেন তা ছিল জার্মান শাসক অ্যাডলফ হিটলারের জীবন ও চরিত্র নিয়ে লেখা। ন্যুরনবর্গ বিচারে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য ও নথির ওপর ভিত্তি করে বইটি তৈরি। সেখানে হিটলারের রাজনীতি, যুদ্ধের সময়কার কাজকর্ম এবং অপরাধের দিকগুলি আলোচনা করা হয়েছে। ফরাসিদের চোখে হিটলারকে কীভাবে দেখা হয়, সেই ধারণাও বইটিতে স্পষ্ট। ফলে এটি ছিল ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবনচরিত।
উপসংহার : অতএব, ফরাসি বইয়ের দোকানে খুঁজতে খুঁজতেই লেখক আকস্মিকভাবে হিটলার সম্পর্কিত একটি মূল্যবান বই হাতে পান, যা তাঁর কাছে বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই এই ই-বুক(PDF)টি কিনতে হলে মেনু অপশনে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
File Details :
PDF Name : আজব শহর কলকেতা প্রশ্ন উত্তর PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. বই কেনা প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 2. তেলেনাপোতা আবিষ্কার গল্পের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 3. নুন কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 4. আগুন নাটকের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
