🔹আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ধারা class 11 question answer
[প্রতিটি প্রশ্নের মান 5]1. বাংলা গদ্যচর্চার ইতিহাসে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান আলোচনা করো।
উত্তর : ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজ কর্মচারীদের দেশীয় ভাষা শিক্ষা দেওয়া। তবে বাংলা গদ্যের বিকাশে এই কলেজের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা গদ্যচর্চার ইতিহাসে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান :
(ক) উইলিয়াম কেরির উদ্যোগ ও অবদান : উইলিয়াম কেরি ১৮০১ সালে বাংলা ও সংস্কৃতের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। বাংলা গদ্য পাঠ্যপুস্তকের অভাব দূর করতে তিনি নিজে গ্রন্থ রচনা করেন এবং অন্যদেরও লেখায় উৎসাহ দেন। বাইবেলের বাংলা অনুবাদ, ‘ইতিহাসমালা’ ও ‘কথোপকথন’ তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ। তিনি সহজ ভাষা ব্যবহার করে পরবর্তী গদ্যকারদের পথ দেখান।
(খ) রামরাম বসুর অবদান : রামরাম বসু কলেজের অন্যতম বিদ্বান পণ্ডিত ছিলেন। কেরির অনুরোধে তিনি ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত’ ও ‘লিপিমালা’ রচনা করেন। তাঁর রচনায় তথ্যভিত্তিক ও সুসংগঠিত গদ্যের পরিচয় পাওয়া যায়, যা বাংলা গদ্যের প্রাথমিক গঠনে সহায়ক হয়েছিল।
(গ) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের অবদান : মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার বাংলা গদ্যের প্রারম্ভিক যুগের একজন উল্লেখযোগ্য রূপকার। তাঁর ‘প্রবোধচন্দ্রিকা’, ‘বত্রিশ সিংহাসন’, ‘রাজাবলি’, ‘হিতোপদেশ’ প্রভৃতি গ্রন্থ গদ্যের সহজ ও প্রাঞ্জল রীতির উদাহরণ। তাঁর ভাষা ছিল সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট এবং অপ্রয়োজনীয় অলংকারমুক্ত।
(ঘ) অন্যান্য অধ্যাপকদের ভূমিকা : চণ্ডীচরণ মুনসির ‘তোতা ইতিহাস’, রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায়ের ‘মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রম’, হরপ্রসাদ রায়ের ‘পুরুষ পরীক্ষা’ ইত্যাদি গ্রন্থ বাংলা গদ্যের প্রথম যুগের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এইসব রচনার মাধ্যমে গদ্যের বিষয়বৈচিত্র্য ও রচনাশৈলী সমৃদ্ধ হয়।
(ঙ) সংগঠিত লেখকগোষ্ঠী গঠন ও গদ্যের ভিত্তি নির্মাণ : ফোর্ট উইলিয়াম কলেজকে ঘিরে প্রথমবারের মতো একটি সুসংগঠিত লেখকসমাজ গড়ে ওঠে। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে বাংলা গদ্যের একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি হয়। যদিও কলেজটি ১৮৫৪ সালে বন্ধ হয়ে যায়, তবুও গদ্যচর্চার প্রাথমিক ভিত রচনায় এর অবদান অম্লান।
উপসংহার : অতএব বাংলা গদ্যের প্রাথমিক গঠনে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সহজ ভাষায় গ্রন্থ রচনা ও লেখকগোষ্ঠী গঠনের মাধ্যমে এটি বাংলা গদ্যের ভিত শক্ত করে দেয়। তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।
2. বাংলা গদ্যের বিকাশে রামমোহন রায়ের অবদান আলোচনা করো।
উত্তর : বাংলা গদ্যের প্রারম্ভিক যুগে রাজা রামমোহন রায় এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেন। যুক্তিবাদ, আধুনিক চিন্তা ও মানবতাবোধের মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যকে সমাজমুখী ও প্রগতিশীল রূপ দেন।
বাংলা গদ্যের বিকাশে রামমোহন রায়ের অবদান :
(ক) যুক্তিবাদী ও সমাজমনস্ক গদ্যচর্চা : কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের বিরোধিতা করে তিনি নিজের জ্ঞান ও যুক্তিকে ভিত্তি করে গদ্য রচনা করেন। তাঁর লেখায় আত্মবিশ্বাস, বিজ্ঞানমনস্কতা ও উদার চিন্তার পরিচয় পাওয়া যায়।
(খ) সাকারবাদের বিরুদ্ধে রচনা : মূর্তিপূজা ও পৌত্তলিকতার বিরোধিতা করে তিনি একাধিক বিতর্কমূলক গ্রন্থ লেখেন। যেমন ‘উৎসবানন্দ বিদ্যাবাগীশের সহিত বিচার’, ‘ভট্টাচার্যের সহিত বিচার’, ‘গোস্বামীর সহিত বিচার’, ‘কবিতাকারের সহিত বিচার’, ‘সুব্রহ্মণ্য শাস্ত্রীর সহিত বিচার’। এসব রচনা যুক্তিনির্ভর গদ্যের দৃষ্টান্ত।
(গ) হিন্দু দর্শনের পক্ষে মতপ্রকাশ : রক্ষণশীল হিন্দু ও খ্রিস্টান মিশনারিদের সঙ্গে মতবিরোধের প্রেক্ষিতে তিনি হিন্দু দর্শনের পক্ষে লেখালেখি করেন। ‘ব্রাহ্মণ সেবধি’ পত্রিকা এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়।
(ঘ) সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান : সতীদাহ প্রথা বন্ধে তাঁর গদ্য রচনা বিশেষ কার্যকর হয়। ‘সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ’ এবং এর দ্বিতীয় সম্বাদ জনমত গঠনে সহায়তা করে।
(ঙ) অনুবাদ, পত্রিকা সম্পাদনা ও ব্যাকরণ রচনা : তিনি ‘বেদান্তগ্রন্থ’, ‘বেদান্তসার’ ও বিভিন্ন উপনিষদের অনুবাদ করেন। ‘সম্বাদ কৌমুদী’ ও ‘ব্রাহ্মণ সেবধি’ সম্পাদনার মাধ্যমে জনচেতনা জাগ্রত করেন। এছাড়া বাংলা ভাষার উন্নতির জন্য ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ রচনা করেন।
উপসংহার : অতএব বলা যায়, রামমোহন রায়ের যুক্তিবাদী ও সমাজসচেতন লেখনী বাংলা গদ্যকে আধুনিক ও শক্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর অবদান বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয়।
3. বাংলা গদ্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো। [WBCHSE (XI)' 2023,'20,'18,'16] [HS Model Question '24]
অথবা, 'বাংলা গদ্যের প্রথম যথার্থ শিল্পী' ঈশ্বরচন্দ্রের অবদান সম্বন্ধে আলোচনা করো। [WBCHSE Sample Question]
উত্তর : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম যথার্থ শিল্পী হিসেবে স্বীকৃত। উনিশ শতকে তিনি অনুবাদ, মৌলিক রচনা, শিক্ষামূলক গ্রন্থ ও সমাজসংস্কারমূলক লেখার মাধ্যমে বাংলা গদ্যকে সুসংগঠিত ও পরিণত রূপ দেন।
বাংলা গদ্যের বিকাশে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান :
(ক) অনুবাদ সাহিত্যে অবদান : বিদ্যাসাগর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করেন। যেমন ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’, ‘শকুন্তলা’, ‘সীতার বনবাস’, ‘ভ্রান্তিবিলাস’। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ‘বাঙ্গালার ইতিহাস’, ‘জীবনচরিত’, ‘বোধোদয়’, ‘কথামালা’ প্রভৃতি গ্রন্থ রচনা বা অনুবাদ করেন। এসব রচনায় ভাষা ছিল সহজ ও পরিমিত।
(খ) মৌলিক রচনা : ‘সংস্কৃত ভাষা ও সংস্কৃত সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাব’ গ্রন্থে তিনি সংস্কৃত সাহিত্যের পরিচয় তুলে ধরেন। ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ তাঁর আবেগঘন রচনা। ছদ্মনামে রচিত ‘অতি অল্প হইল’, ‘আবার অতি অল্প হইল’, ‘ব্রজবিলাস’, ‘রত্নপরীক্ষা’ ইত্যাদিতে তাঁর কৌতুকরস প্রকাশ পায়। তাঁর আত্মজীবনী ‘বিদ্যাসাগর চরিত’ও উল্লেখযোগ্য।
(গ) শিশুশিক্ষায় অবদান : ‘আখ্যানমঞ্জুরী’ ও ‘বর্ণপরিচয়’ (প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ) বাংলা শিক্ষার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা নেয়। এসব বই সহজ ভাষায় রচিত হওয়ায় শিশুদের মধ্যে গদ্যপাঠের আগ্রহ বাড়ে।
(ঘ) সমাজসংস্কারমূলক রচনা : বিধবাবিবাহের সমর্থনে ও বহুবিবাহের বিরোধিতায় তিনি যুক্তিনির্ভর প্রবন্ধ লেখেন। ‘বিধবাবিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব’ এবং ‘বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব’ গ্রন্থে তাঁর মানবিক ও প্রগতিশীল চিন্তা প্রকাশিত হয়েছে।
(ঙ) ভাষা ও গদ্যরীতি গঠন : তিনি গদ্যে যথাযথ যতিচিহ্নের ব্যবহার প্রচলন করেন এবং সুশৃঙ্খল সাধু ভাষার রূপ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর গদ্যে স্পষ্টতা, ভারসাম্য ও অন্তর্গত ছন্দ লক্ষ্য করা যায়, যা পরবর্তী লেখকদের জন্য আদর্শ হয়ে ওঠে।
উপসংহার : অতএব বলা যায়, বিদ্যাসাগরের সাহিত্যকর্ম ও ভাষা-সংস্কার বাংলা গদ্যকে সুদৃঢ় ভিত্তি দেয় এবং তাকে শিল্পসম্মত মর্যাদায় উন্নীত করে। তাই বাংলা গদ্যের ইতিহাসে তাঁর অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়।
4. বাংলা গদ্য ও প্রবন্ধ সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরীর অবদান আলোচনা করো।
উত্তর : বাংলা গদ্য ও প্রবন্ধ সাহিত্যের নবযুগের সূচনায় অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব প্রমথ চৌধুরী । ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লেখালেখি এবং ‘সবুজপত্র’ সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা প্রবন্ধে নতুন রীতি ও ভাবনার জন্ম দেন। তাঁর প্রচেষ্টায় বাংলা গদ্য আরও সহজ, আধুনিক ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
বাংলা গদ্য ও প্রবন্ধ সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরীর অবদান :
(ক) রচনাসম্ভার ও বৈচিত্র্য : তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘তেল-নুন-লকড়ি’, ‘বীরবলের হালখাতা’, ‘নানাকথা’, ‘আমাদের শিক্ষা’, ‘নানাচর্চা’, ‘আত্মকথা’, ‘বঙ্গ সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয়’ ইত্যাদি। এসব রচনায় বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য ও স্বতন্ত্র ভঙ্গি দেখা যায়।
(খ) বিষয় নির্বাচনে বিস্তার : তাঁর প্রবন্ধে ইতিহাস, সমাজ, রাজনীতি, সাহিত্য ও সংস্কৃতির নানা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। কখনও ব্যঙ্গ ও রসিকতার মাধ্যমে, আবার কখনও যুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণে তিনি সমকালীন সমস্যার কথা বলেছেন। অনেক রচনা বিতর্কমূলক হলেও তাতে তীক্ষ্ণ চিন্তার পরিচয় মেলে।
(গ) গদ্যের বৈশিষ্ট্য : প্রগতিশীল মানসিকতা ও যুক্তিবাদ তাঁর লেখার প্রধান শক্তি। তির্যক মন্তব্য, ব্যঙ্গ ও শ্লেষ তাঁর রচনাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। দেশি ও বিদেশি শব্দের সচেতন ব্যবহারে তাঁর গদ্য আরও প্রাণবন্ত হয়েছে।
(ঘ) চলিত গদ্যের প্রতিষ্ঠা : চলিত ভাষাকে সাহিত্যে প্রতিষ্ঠা করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। তাঁর রচনাশৈলী সহজ, সাবলীল ও পাঠকবান্ধব ছিল।
(ঙ) ‘সবুজপত্র’ ও ‘বীরবলী ঢং’ : ‘সবুজপত্র’ সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি নতুন গদ্যরীতির সূচনা করেন। বিদ্রুপমিশ্রিত চলিত ভাষার এই ভঙ্গি ‘বীরবলী ঢং’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে এবং বাংলা গদ্যচর্চায় নতুন দিশা দেয়।
উপসংহার : অতএব বলা যায়, প্রমথ চৌধুরী বাংলা প্রবন্ধ ও গদ্যকে নতুন আঙ্গিক ও মর্যাদা দিয়েছেন। চলিত ভাষার প্রতিষ্ঠা ও চিন্তার স্বাধীনতার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন।
5. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্যারীচাঁদ মিত্রের অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তর : প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা গদ্যভাষাকে জটিল তৎসম শব্দের বন্ধন থেকে মুক্ত করে সহজ কথ্যভাষার রূপ দিতে সচেষ্ট হন। ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে রচিত তাঁর ‘আলালের ঘরের দুলাল’ গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার সূচনা করে। তাঁর ব্যবহৃত ভাষাশৈলী ‘আলালী গদ্য’ নামে পরিচিত।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্যারীচাঁদ মিত্রের অবদান :
(ক) চলিত ভাষার প্রবর্তন : তিনি গদ্যে আঞ্চলিক ও কথ্য শব্দ ব্যবহার করে সহজ রীতি প্রতিষ্ঠা করেন। এর ফলে বাংলা গদ্য সাধারণ পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।
(খ) আখ্যানধর্মী রচনা ও উপন্যাসের সূচনা : ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮) ব্যঙ্গাত্মক আখ্যানরূপে রচিত এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। সমাজের কুসংস্কার ও ভণ্ডামিকে বিদ্রূপ করার উদ্দেশ্যেই তিনি ছদ্মনাম গ্রহণ করেন।
(গ) সমাজসংস্কারমূলক ও প্রবন্ধ রচনা : ‘এতদ্দেশীয় স্ত্রীলোকদিগের পূর্বাবস্থা’ গ্রন্থে সমাজসংস্কারের ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। ‘এছাড়া ‘ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত’, ‘কৃষিপাঠ’, ‘যৎকিঞ্চিৎ’ প্রভৃতি রচনায় তাঁর চিন্তার গভীরতা প্রকাশ পায়।
(ঘ) ব্যঙ্গ ও নকশাধর্মী সাহিত্য : ‘মদ খাওয়া বড় দায়, জাত থাকার কি উপায়’ রচনায় তিনি কৌতুক ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে সামাজিক অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
(ঙ) পত্রিকা প্রকাশ ও গদ্যচর্চা : রাধানাথ শিকদারের সহযোগিতায় ‘মাসিক পত্রিকা’ (১৮৫৪) প্রকাশ করেন, যেখানে স্বল্পশিক্ষিত নারীদের উপযোগী সরল ভাষায় লেখা প্রকাশিত হতো। এর ফলে গদ্যচর্চার প্রসার ঘটে।
উপসংহার : অতএব বলা যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা গদ্যে সহজ ভাষা ও ব্যঙ্গরসের সংযোজন ঘটিয়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই এই ই-বুক(PDF)টি কিনতে হলে মেনু অপশনে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
File Details :
PDF Name : আধুনিক বাংলা সাহিত্য (পর্ব-২) PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. আধুনিক বাংলা সাহিত্য (পর্ব-১) PDF | Click here |
| 2. আজব শহর কলকেতা প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 3. নুন কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 4. আগুন নাটকের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
