🔹 Tar Songe Kobita Class 12
🔹 কবি-পরিচিতি : পাবলো নেরুদা (১৯০৪-১৯৭৩) : পাবলো নেরুদা ছিলেন চিলির একজন বিখ্যাত কবি ও রাজনীতিবিদ। তাঁর জন্ম ১৯০৪ সালের ১২ জুলাই। তাঁর আসল নাম ছিল নেফতালি রিকার্দো রেয়েস বাসোয়ালতো। পরে পাবলো নেরুদা নামটিই তাঁর স্থায়ী নাম হয়ে যায়। পিতার অমতে কবিতা লেখার জন্য এবং সেই সময়ের রীতি অনুসারে তিনি এই ছদ্মনাম গ্রহণ করেন। তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী কবি। তাঁর লেখায় প্রেমের কবিতা, পরাবাস্তববাদী রচনা, ঐতিহাসিক কাব্য এবং রাজনৈতিক লেখা ধরা পড়ে। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে আছে ‘Twenty Love Poems and a Song of Despair’ (১৯২৪), ‘Residence on Earth’ (১৯৩৩), ‘Spain in our Hearts’ (১৯৩৭), ‘The Captain’s Verses’ (১৯৫২), ‘Extravagaria’ (১৯৫৮) এবং ‘The Stones of Chile’ (১৯৬১)। তাঁর রচনা ‘The Splendor and Death of Joaquin Murieta’ গ্রন্থটি বাংলায় মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় অনুবাদ করেন। ১৯২৭ সালে চিলি সরকার তাঁকে রেঙ্গুনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠায়। পরে তিনি চিলির কমিউনিস্ট পার্টির সেনেটর হন। ১৯৭১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। চিলিতে অগাস্তো পিনোচেটের শাসনকালে, ১৯৭৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে সারা বিশ্বে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়।
🔹 'তার সঙ্গে’ কবিতার উৎস : ‘তার সঙ্গে’ কবিতাটি পাবলো নেরুদার স্প্যানিশ ভাষায় লেখা ‘Con ella’ কবিতার বাংলা অনুবাদ। এটি তাঁর ‘Extravagaria’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া। ইংরেজিতে কবিতাটি ‘With Her’ নামে সিরান কসগ্রোভ অনুবাদ করেন এবং তা ‘Poetry Ireland’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পরে কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় এটি বাংলায় অনুবাদ করেন। তাঁর অনুবাদগ্রন্থ ‘পাবলো নেরুদার প্রেমের কবিতা’ ১৯৭৬ সালের জানুয়ারিতে দে’জ পাবলিশিং থেকে প্রকাশিত হয়। পরে ১৯৮৮ সালে ‘পাবলো নেরুদার শ্রেষ্ঠ কবিতা’ গ্রন্থেও কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত হয়। এই অনুবাদের কাজে শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে বিক্রমন নায়ার সাহায্য করেছিলেন। ‘পাবলো নেরুদার শ্রেষ্ঠ কবিতা’ গ্রন্থে এটি ৩৮ নম্বর কবিতা, আর ‘পাবলো নেরুদার প্রেমের কবিতা’ গ্রন্থে এটি ২৪ নম্বর কবিতা।
🔹 'তার সঙ্গে’ কবিতার লাইন ধরে আলোচনা :
"সময়টা খুব সুবিধের না।
আমার জন্যে অপেক্ষা কারা।
দুজনে মিলে খুব সমঝে একে পার করতে হবে।
তুমি তোমার ঐ ছোট্টো দুটি হাত আমার হাতে রাখো
কষ্টেসৃষ্টেও ডাঠ দাঁড়াবো।
ব্যাপারটা বুঝবো, আহ্লাদ করবো।"
প্রথম স্তবকের সহজ ব্যাখ্যা : ‘তার সঙ্গে’ কবিতার এই প্রথম স্তবকে কবি সময়ের কঠিন অবস্থার কথা বলেছেন। তাঁর মতে, সময়টা ভালো নয়। চারদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক অবনতি এবং নৈতিকতার পতনের কারণে জীবনযাপন কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই এই কঠিন সময় একা পার করা সহজ নয়। কবি মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে একজন সহযাত্রীর প্রয়োজন। তাই তিনি বলেন,"দুজনে মিলে খুব সমঝে একে পার করতে হবে।" এখানে ‘সমঝে’ কথাটির অর্থ হলো চারপাশের প্রতিকূল পরিস্থিতি ভালো করে বুঝে তারপর এগিয়ে চলা। কবিতায় ‘ছোট্টো দুটি হাত’ দিয়ে নবীন বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বোঝানো হয়েছে। সেই নতুন প্রজন্ম এখনও পুরো শক্তিতে দৃঢ় হয়নি। তাই অভিজ্ঞ মানুষ তাদের হাত ধরে এগিয়ে যেতে চায়। বড়ো ও অভিজ্ঞ হাতের আশ্রয়ে ছোট হাতগুলো শক্তি ও সাহস পাবে। এই ভাবনার সঙ্গে বাংলা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের চিন্তারও কিছু মিল দেখা যায়। তিনিও বলেছেন যে মানুষ দুর্বল হলেও লড়াইয়ের সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যায়। অর্থাৎ সংগ্রাম সহজ নয়। আঘাত পেলে মানুষ পড়ে যেতে পারে, কিন্তু তাকে আবার উঠে দাঁড়াতে হবে। তাই কবির মতে, কষ্ট, দুঃখ ও যন্ত্রণা সহ্য করেই মানুষকে দৃঢ় হয়ে দাঁড়াতে হবে। প্রতিকূল সময়কে বুঝে নিয়ে ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে এগোতে পারলে শেষ পর্যন্ত তারা সফল হবে এবং তখন আনন্দ ও স্বস্তি অনুভব করবে।
" আমরা আবার সেরকম এক জুড়ি
যারা স্থানে-অস্থানে বেঁচেবত্তে এসেছে
পাথরে-ফাটলেও যাদের বাসা বানাতে আটকায়নি।"
দ্বিতীয় স্তবকের সহজ ব্যাখ্যা : ‘তার সঙ্গে’ কবিতার দ্বিতীয় স্তবকের শুরুতেই কবি ‘জুড়ি’ শব্দের মাধ্যমে একজন সমমনস্ক ও যোগ্য সঙ্গীর কথা বলেছেন। কবির মতে, সুখের সময়ে অনেক সঙ্গী পাওয়া যায়, কিন্তু কঠিন সংগ্রামের পথে সত্যিকারের সহযাত্রী খুব কম থাকে। তাই তিনি এমন একজন সঙ্গী খোঁজেন, যে তাঁর মতোই অন্যায় ও অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত। দুজনের একসঙ্গে থাকা, একাগ্রতা ও আন্তরিকতা তাদের সংগ্রামের শক্তি বাড়িয়ে দেয়। কবি আরও বোঝাতে চান যে অস্থির ও প্রতিকূল সময়ে কোনো জায়গাই পুরো নিরাপদ বা স্থায়ী নয়। তবুও নানা বাধা ও অনিশ্চয়তার মাঝেও মানুষকে বেঁচে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। এই লড়াই সফল করতে হলে দুজনের সম্মিলিত চেষ্টা প্রয়োজন। কবির বিশ্বাস, জীবনের শক্তি এত প্রবল যে কঠিন পাথরের ফাঁক থেকেও যেমন গাছ জন্মায়, তেমনি কঠিন পরিস্থিতিতেও মানুষ টিকে থাকতে পারে। অর্থাৎ জীবনকে সত্যিই ভালোবাসলে প্রতিকূল সময়ের সঙ্গেও লড়াই করে বেঁচে থাকা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন একজন সমমনস্ক ‘জুড়ি’ বা সহযাত্রী।
"সময়টা মোটেই সুবিধের না। বোসো, আমার জন্যে দাঁড়াও,
কাঁকে ঝুড়ি নাও, শাবল নাও
জুতো পরো, কাপড়চোপড় সঙ্গে নিয়ে যাও, যা পারো।"
তৃতীয় স্তবকের সহজ ব্যাখ্যা : পাঠ্য ‘তার সঙ্গে’ কবিতার তৃতীয় স্তবকে কবি অশান্ত ও অস্থির সময়ের কঠিন বাস্তবতার কথা তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন, সেই সময় সাধারণভাবে জীবন কাটানো খুব সহজ নয়। একা এগিয়ে যাওয়াও কঠিন, তাই তিনি তাঁর সঙ্গীকে অপেক্ষা করতে বলেন। কারণ সামনে যে পথ রয়েছে তা সহজ নয় এবং সেখানে অনেক বাধা আছে। এই বাধা দূর করতে হলে দুজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কবি ঝুড়ি ও শাবল নেওয়ার কথা বলেছেন প্রতীকী অর্থে। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে সামনে থাকা অজ্ঞানতা, ভয় ও নানা সমস্যাকে সরিয়ে দিতে হবে। যেমন শাবল দিয়ে কঠিন মাটি ভাঙা হয়, তেমনি দৃঢ়ভাবে বাধা দূর করতে হবে। আর ঝুড়িতে আবর্জনা ভরে ফেলে দেওয়ার মতোই সমাজের ক্ষতিকর জিনিসগুলো দূরে সরাতে হবে। এখানে জুতো পরার কথাও বলা হয়েছে, যা প্রস্তুতি ও সুরক্ষার প্রতীক। কঠিন পথে চলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা প্রয়োজন। নিরাপদ আশ্রয় ছেড়ে সামান্য প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে সংগ্রামের পথে বেরিয়ে পড়তে হবে। এইভাবে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে ভবিষ্যৎকে ভালো করতে হলে একসঙ্গে সংগ্রাম করতে হবে। সেই পথে বিলাসিতা বা আরাম নয়, বরং সাহস ও দৃঢ় সংকল্পই সবচেয়ে প্রয়োজন।
"এখন আমাদের একে অপরকে লাগবে
শুধু কারনেশন ফুলের জন্যে না
মধু তালাসের জন্যেও না
আমাদের দুজনের হাতগুলোই লাগবে
ধুয়ে মুছে আগুন বানাবার জন্যে।"
চতুর্থ স্তবকের সহজ ব্যাখ্যা : পাবলো নেরুদার ‘তার সঙ্গে’ কবিতার চতুর্থ স্তবকে কবি দেখিয়েছেন যে কঠিন সময় পার করার জন্য মানুষকে একে অপরের সাহায্য প্রয়োজন। একা এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। কবি বলেছেন, তাদের একত্র হওয়া কেবল সৌন্দর্য বা আনন্দের জন্য নয়। ‘কারনেশন ফুল’ ও ‘মধু খোঁজা’ এখানে শান্ত ও সুখের জীবনের প্রতীক। কিন্তু সেই আরামদায়ক জীবনের সময় এখন নয়। বর্তমান পরিস্থিতি কঠিন, তাই প্রয়োজন শক্তি ও ঐক্য। এই কারণেই কবি বলেছেন যে দুজনের হাত দরকার। সেই হাত দিয়ে আগে চারপাশের ময়লা বা অনৈতিকতা দূর করতে হবে। অর্থাৎ সমাজের খারাপ ও অবক্ষয়ী বিষয়গুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। এরপর কবি ‘আগুন বানানোর’ কথা বলেছেন। এখানে আগুন বলতে শক্ত প্রতিবাদ ও পরিবর্তনের ইঙ্গিত বোঝানো হয়েছে। কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে বড় পরিবর্তন আনার জন্য একা নয়, বরং সমমনস্ক সঙ্গীর সঙ্গে মিলেই এগোতে হবে। তখনই কঠিন সময়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব হবে।
"এই যে সুবিধের-নয়-সময়টা মাথা যতোই উঁচু করুক
আমরা আমাদের চার হাত চার চোখে একে যুঝবোই।।"
পঞ্চম স্তবকের সহজ ব্যাখ্যা : কবি পাবলো নেরুদার ‘তার সঙ্গে’ কবিতার শেষ স্তবকে প্রতিকূল সময়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার দৃঢ় মনোভাব প্রকাশ করেছেন। কবি বলেছেন, বর্তমান সময় খুব সহজ নয় এবং নানা সমস্যায় ভরা। তবুও এই কঠিন সময় মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না। কবি ও তাঁর সহযাত্রী সাহস নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চান। তারা অন্যায়, দুর্নীতি বা অনৈতিকতার সামনে কখনও মাথা নত করবে না। এই লড়াইয়ে একা থাকা নয়, বরং একসঙ্গে থাকা প্রয়োজন। তাই কবি বলেছেন চার হাত ও চার চোখ দিয়ে তারা সময়ের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। অর্থাৎ দুজন মানুষ এক হয়ে শক্তি বাড়িয়ে সংগ্রাম করবে। এভাবে কবি বোঝাতে চেয়েছেন, ঐক্য ও সাহস থাকলে যে-কোনো প্রতিকূল সময়ের মোকাবিলা করা সম্ভব। একসঙ্গে লড়াই করলে কঠিন সময়কে জয় করে মানুষের জন্য ভালো ও স্বস্তির সময় তৈরি করা যায়।
🔹 ‘তার সঙ্গে’ কবিতার বিষয়বস্তু : পাবলো নেরুদা বিশ্বখ্যাত কবি। তিনি প্রেমের কবিতা লিখে খ্যাতি পেলেও তাঁর কবিতায় মানুষের জীবন, দুঃখ-কষ্ট এবং প্রতিবাদের কথাও স্পষ্টভাবে উঠে আসে। তাই তাঁর কবিতায় ভালোবাসার আবেগের সঙ্গে মানুষের সংগ্রামের অনুভূতিও মিলেমিশে থাকে। পাঠ্য ‘তার সঙ্গে’ কবিতাতেও এই দুই দিক একসঙ্গে দেখা যায়। কবিতাটি এক কঠিন ও অস্থির সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত। চারদিকে অনিশ্চয়তা, ভয় ও বিপদের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। সেই কারণে সাধারণভাবে শান্ত জীবনযাপন করা সম্ভব হচ্ছিল না। এই পরিস্থিতিতে কবি বুঝিয়েছেন যে একা এগিয়ে যাওয়া কঠিন, তাই একজন সমমনস্ক সঙ্গীর প্রয়োজন। দুজন একসঙ্গে থাকলে বাধা অতিক্রম করা সহজ হয়। কবিতায় দেখা যায়, কবি ও তাঁর সঙ্গী আগেও নানা প্রতিকূল অবস্থার মুখোমুখি হয়েছেন এবং একসঙ্গে থেকে সেই বাধা পার করেছেন। কঠিন পরিবেশেও তারা নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পেরেছেন। তাই বর্তমান দুঃসময়ের বিরুদ্ধেও তারা একসঙ্গে লড়াই করার সংকল্প নিয়েছেন। কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে এই সম্পর্ক শুধু আনন্দ বা সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং সংগ্রামের শক্তি জোগানোর জন্য। সামনে যত বাধাই থাকুক না কেন, দুজনের ঐক্য ও সাহস তাদের লড়াই চালিয়ে যেতে সাহায্য করবে। কবির বিশ্বাস, একসঙ্গে সংগ্রাম করলে প্রতিকূল সময়কে অতিক্রম করা সম্ভব।
🔹 ‘তার সঙ্গে’ কবিতার শব্দার্থ : জুড়ি : জোটবদ্ধ, সাথি / সমঝে : বিবেচনা করে / আহ্লাদ : আনন্দ, মজা / যোঝা : যুদ্ধ করা / বেঁচেবর্তে : কোনোরকমে জীবনযাপন করে বেঁচে থাকা / রোসো : অপেক্ষা করো / কাঁকে : কোমরের ওপরের অংশে / কারনেশন : ফুল-বিশেষ / শাবল : মাটি খোঁড়ার কাজে ব্যবহূত ছুঁচোলো অস্ত্র-বিশেষ / তালাস : তল্লাশি বা সন্ধান / আগুন : আলো, অগ্নি।
🔹 ‘তার সঙ্গে’ কবিতার প্রশ্ন উত্তর পর্ব : আমি আগেই বলেছি দ্বাদশ শ্রেণীর তৃতীয় সেমিস্টার বাংলা পরীক্ষায় 40 নম্বরের মধ্যে একটি ভারতীয় গল্প ও একটি আন্তর্জাতিক কবিতা থেকে মোট 5 টি MCQ প্রশ্ন আসবে। তাই 5 নম্বর পেতে চাইলে একটি ভারতীয় গল্প 'পোটরাজ' এবং একটি আন্তর্জাতিক কবিতা ‘তার সঙ্গে’ ভালোভাবে পড়তে হবে। তাই 'তার সঙ্গে' কবিতা থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্নোত্তর পড়তে চাইলে নিচে দেখুন লিংক দেওয়া আছে। তবে PDF নিতে চাইলে এই ওয়েবসাইটের উপরে Menu Option-এ ক্লিক করে দেখুন।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিষ্টার সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই দ্বাদশ শ্রেণির তৃতীয় সেমিষ্টার সাজেশন ই-বুক(PDF)গুলি নিতে চাইলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা, আমাদের ওয়েবসাইটের উপরে Menu Option-এ ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দেখে নিতে পারেন।
File Details :
PDF Name : তার সঙ্গে কবিতার বিষয়বস্তু PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. অন্ধকার লেখাগুচ্ছ কবিতার বিষয়বস্তু PDF | Click here |
| 2. দিগ্বিজয়ের রূপকথা কবিতার বিষয়বস্তু PDF | Click here |
| 3. বাঙ্গালা ভাষা প্রবন্ধের বিষয়বস্তু PDF | Click here |
| 4. আদরিণী গল্পের বিষয়বস্তু PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
