🔹 Bangla Class 10 Abhishek Question Answer
[প্রতিটি প্রশ্নের মান 3]
1. “জিজ্ঞাসিলা মহাবাহু বিস্ময় মানিয়া”- মহাবাহু কে ? এই বিস্ময়ের কারণ আলোচনা করো।
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় যুদ্ধসংবাদ শুনে ইন্দ্রজিতের বিস্ময় ও মানসিক প্রতিক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।
মহাবাহু : এখানে ‘মহাবাহু’ বলতে বীর যোদ্ধা ইন্দ্রজিৎকে বোঝানো হয়েছে, রাবণের শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী পুত্র।
এই বিস্ময়ের কারণ : ছদ্মবেশে আগত রমা ইন্দ্রজিৎকে জানান যে বীরবাহু যুদ্ধে নিহত হয়েছে এবং রামচন্দ্র আবার জীবিত হয়েছেন। কিন্তু এর আগে ইন্দ্রজিৎ নিজেই প্রবল আক্রমণে রামচন্দ্রকে খণ্ড খণ্ড করে কেটে ফেলেছেন। যুদ্ধজয়ের আনন্দে তিনি তখন প্রমোদ উদ্যানে ছিলেন। তাই হঠাৎ এই বিপরীত সংবাদ তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয় এবং তিনি বিস্মিত হন।
উপসংহার : অতএব, পূর্ব বিশ্বাসের সঙ্গে নতুন সংবাদ না মেলায় ইন্দ্রজিৎ বিস্মিত হয়ে এমন প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছিলেন।
2. "এ অদ্ভুত বারতা, জননী/কোথায় পাইলে তুমি,/শীঘ্র কহ দাসে।"- কোন্ বার্তার কথা বলা হয়েছে ? বক্তার কাছে সেই বার্তা অদ্ভুত মনে হয়েছে কেন ?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় যুদ্ধসংবাদকে কেন্দ্র করে ইন্দ্রজিতের বিস্ময় ও সন্দেহের প্রকাশ দেখা যায়।
বার্তাটি হল : এখানে বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদকে বোঝানো হয়েছে, যা ধাত্রীরূপে আগত লক্ষ্মী ইন্দ্রজিতকে জানিয়েছিলেন।
অদ্ভুত মনে হওয়ার কারণ : ইন্দ্রজিৎ এর আগে নিশাযুদ্ধে রামচন্দ্রকে হত্যা করেছেন। তাই রাম জীবিত থেকে বীরবাহুকে হত্যা করেছেন এই সংবাদ তাঁর কাছে অসম্ভব বলে মনে হয়। মৃত ব্যক্তি আবার জীবিত হয়ে যুদ্ধ করতে পারে না। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি খবরটিকে অস্বাভাবিক ও অবিশ্বাস্য বলে ভাবেন এবং বিস্মিত হন।
উপসংহার : অতএব, নিজের পূর্ব ধারণার সঙ্গে সংবাদটির মিল না থাকায় ইন্দ্রজিতের কাছে বার্তাটি অদ্ভুত বলে মনে হয়েছিল।
3. 'ছিঁড়িলা কুসুমদাম রোষে মহাবলী'- 'মহাবলী' কে ? তার এমন আচরণের কারণ কী ?
অথবা, 'এই কি সাজে আমারে'- বক্তার এমন মন্তব্যের কারণ কী ?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় যুদ্ধসংবাদ শুনে ইন্দ্রজিতের মানসিক পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বর্ণিত হয়েছে।
মহাবলী : এখানে ‘মহাবলী’ বলতে বীর যোদ্ধা ইন্দ্রজিৎকে বোঝানো হয়েছে, যিনি রাবণের পুত্র ও লঙ্কার শ্রেষ্ঠ বীর।
তার এমন আচরণের কারণ : প্রমোদকাননে আনন্দে থাকার সময় ধাত্রীমাতার ছদ্মবেশে দেবী লক্ষ্মী ইন্দ্রজিৎকে বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ দেন। তিনি আরও জানান, রাম পুনর্জীবিত হয়ে যুদ্ধ চালাচ্ছেন এবং রাবণ শোকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই সংবাদ শুনে ইন্দ্রজিৎ ক্রোধ ও শোকে উত্তেজিত হয়ে বিলাসজীবন ত্যাগ করেন এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে গলার ফুলমালা ছিঁড়ে ফেলেন।
উপসংহার : অতএব, ভাইয়ের মৃত্যু ও যুদ্ধের আহ্বানই ইন্দ্রজিতকে ক্রোধে উদ্দীপ্ত করে এমন আচরণ করতে বাধ্য করেছিল।
4. "ধিক মোরে, কহিলা গম্ভীরে কুমার।"-'কুমার' কে? তাঁর এই আত্মধিক্কারের কারণ কী ? ১+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় যুদ্ধসংবাদ পেয়ে ইন্দ্রজিতের অনুতাপ ও আত্মসমালোচনার মুহূর্ত প্রকাশ পেয়েছে।
কুমার : এখানে ‘কুমার’ বলতে রাবণের পুত্র বীর ইন্দ্রজিৎকে বোঝানো হয়েছে, লঙ্কার প্রধান যোদ্ধা।
তার এই আত্মধিক্কারের কারণ : ইন্দ্রজিৎ তখন প্রমোদকাননে আনন্দ-বিলাসে মগ্ন ছিলেন। সেই সময়েই রামচন্দ্র যুদ্ধে বীরবাহুকে হত্যা করেন এবং শত্রুসৈন্য লঙ্কাকে আক্রমণ করে। নিজের দায়িত্বের সময়ে বিলাসে মত্ত থাকার কথা মনে করে তিনি লজ্জিত হন। যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত না থাকার জন্য নিজেকেই দোষারোপ করে গভীর অনুতাপে আত্মধিক্কার দেন।
উপসংহার : অতএব, কর্তব্যে অবহেলার অনুভূতি থেকেই ইন্দ্রজিৎ নিজেকে ধিক্কার দিয়েছিলেন।
5. "সাজিলা রথীন্দ্রর্ষভ বীর-আভরণে”- এই সেজে ওঠার বর্ণনা দাও ?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় ইন্দ্রজিতের যুদ্ধপ্রস্তুতির মহিমান্বিত দৃশ্য কাব্যিকভাবে বর্ণিত হয়েছে।
এই সেজে ওঠার বর্ণনা : ইন্দ্রজিৎ বীরের অলংকারে সজ্জিত হয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হন। তাঁর সাজ কবি কার্তিকের যুদ্ধযাত্রা ও অর্জুনের প্রস্তুতির সঙ্গে তুলনা করেছেন। মেঘবর্ণ রথের চাকা বিদ্যুতের মতো দীপ্ত ছিল, পতাকা ইন্দ্রধনুর মতো উজ্জ্বল এবং অশ্বগুলি ছিল অত্যন্ত দ্রুতগামী। রথের গতি পর্বতের মতো প্রবল, আর ধনুকের শব্দে চারদিক কেঁপে উঠেছিল।
উপসংহার : অতএব, বীরোচিত সাজ ও শক্তিশালী প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রার মহিমা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
6. "কাঁপিল লঙ্কা, কাঁপিলা জলধি!"- লঙ্কা ও জলধি কেঁপে ওঠার কারণ কি ?
অথবা, "কাঁপিল লঙ্কা, কাঁপিলা জলধি!"- এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট আলোচনা করো।
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় ইন্দ্রজিতের যুদ্ধযাত্রার শক্তি ও ভয়ংকর পরিবেশ তুলে ধরা হয়েছে।
লঙ্কা ও জলধি কেঁপে ওঠার কারণ : বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তাঁর রথ আকাশপথে প্রবল বেগে চলতে থাকে এবং ধনুকের টংকারে তীব্র শব্দ সৃষ্টি হয়। সেই শব্দ গরুড়ের গর্জনের মতো চারদিকে প্রতিধ্বনিত হয়। রথের গতি ও ভয়ংকর আওয়াজে চারদিক কেঁপে ওঠে, ফলে লঙ্কা ও সমুদ্রেও কম্পন অনুভূত হয়।
উপসংহার : অতএব, ইন্দ্রজিতের শক্তিশালী যুদ্ধযাত্রার ভয়ংকর শব্দ ও গতির কারণেই লঙ্কা ও জলধি কেঁপে উঠেছিল।
7. "নাদিলা কর্বূরদল হেরি বীরবরে/মহাগর্বে।”- 'কর্বূরদল' বলতে কি বোঝানো হয়েছে ? বীরবরকে দেখে তাদের গর্বের কারণ কী ? ১+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় যুদ্ধের আগে লঙ্কার সৈন্যদের উচ্ছ্বাস ও বীরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রকাশ পেয়েছে।
কর্বূরদল : এখানে ‘কর্বূরদল’ বলতে লঙ্কার রাক্ষসবাহিনীকে বোঝানো হয়েছে, যারা রাবণের অধীনে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিল।
বীরবরকে দেখে তাদের গর্বের কারণ : যুদ্ধসজ্জায় ইন্দ্রজিৎকে দেখে রাক্ষসসৈন্যরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত হয়। তাঁর অসাধারণ যুদ্ধদক্ষতা ও বীরত্ব সম্পর্কে তারা আগে থেকেই জানত। দেবরাজ ইন্দ্রকেও তিনি পরাজিত করেছিলেন, তাই তাঁকে লঙ্কার শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা হিসেবে মানা হতো। যুদ্ধক্ষেত্রে এমন বীরকে পাশে পেয়ে সৈন্যদের সাহস ও আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।
উপসংহার : অতএব, ইন্দ্রজিতের বীরত্ব ও খ্যাতির কারণেই রাক্ষসবাহিনী তাকে দেখে গর্ব ও উচ্ছ্বাস অনুভব করেছিল।
8. "এ মায়া, পিতঃ বুঝিতে না পারি!"- এরূপ মন্তব্যের কারণে কি ?
অথবা, "এ মায়া, পিতঃ বুঝিতে না পারি!"- এখানে কোন মায়ার কথা বলা হয়েছে ?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় যুদ্ধসংবাদকে কেন্দ্র করে ইন্দ্রজিতের বিস্ময় ও সন্দেহের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
এরূপ মন্তব্যের কারণ : এখানে রামচন্দ্রের পুনর্জীবনের ঘটনাকেই ‘মায়া’ বলা হয়েছে। ইন্দ্রজিতের বিশ্বাস ছিল যে নিশাযুদ্ধে তিনি রামকে হত্যা করেছেন। কিন্তু পরে শোনা যায়, রাম জীবিত হয়ে বীরবাহুকে বধ করেছেন। এই অসম্ভব ঘটনাকে তিনি স্বাভাবিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেননি। তাই তিনি মনে করেন, দেবশক্তি বা অলৌকিক মায়ার প্রভাবেই এমন ঘটনা ঘটেছে।
উপসংহার : অতএব, রামের পুনর্জীবনকেই ইন্দ্রজিৎ মায়ার ফল বলে মনে করেছিলেন, যা প্রসঙ্গের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
9. 'বিধি বাম মম প্রতি'- বক্তা কে ? কেন তিনি এমন কথা বলেছেন ? ১+২
অথবা, 'এ কাল সমরে নাহি চাহে প্রাণ মম পাঠাইতে তোমা বারংবার'- এই মন্তব্য কোন্ প্রসঙ্গে কেন ?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা অভিষেক কবিতা থেকে প্রদত্ত অংশটি নেওয়া হয়েছে। এখানে যুদ্ধের করুণ পরিস্থিতিতে রাবণের মনের দুঃখ ও আশঙ্কা প্রকাশ পেয়েছে।
বক্তা : উক্তিটির বক্তা লঙ্কার রাজা রাবণ, তিনি পুত্র ইন্দ্রজিতকে উদ্দেশ্য করেই এই কথা বলেন।
এমন কথা বলার কারণ : বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে ইন্দ্রজিৎ যুদ্ধের অনুমতি চাইলে রাবণ দুঃখে ভেঙে পড়েন। সদ্য পুত্র হারানোর কারণে তিনি আর ইন্দ্রজিতকে যুদ্ধে পাঠাতে চাননি। তাঁর মনে হয়েছিল ভাগ্য তার বিপক্ষে। অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছিল। যেমন পাথর জলে ভাসছে, মৃত রাম পুনর্জীবিত হচ্ছে এবং বীর যোদ্ধারা একে একে নিহত হচ্ছে। তাই তিনি হতাশ হয়ে এমন মন্তব্য করেন।
উপসংহার : অতএব, পুত্রশোক ও অশুভ পরিস্থিতির আশঙ্কা থেকেই রাবণ প্রসঙ্গ অনুযায়ী এই কথাটি বলেছিলেন।
10. "এ কাল সমরে,/নাহি চাহে প্রাণ মম পাঠাইতে তোমা/বারংবার।"-'কাল সমর' বলতে কোন সমরকে বোঝানো হয়েছে ? সেখানে ইন্দ্রজিৎকে পাঠাতে বক্তা দ্বিধাগ্রস্ত কেন ? ১+২
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় রাবণের পিতৃস্নেহ ও যুদ্ধভীতির অনুভূতি স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
কাল সমর : ‘কাল সমর’ বলতে ভয়ংকর ও প্রাণঘাতী যুদ্ধকে বোঝানো হয়েছে, যেখানে মৃত্যু অনিবার্য এবং যোদ্ধাদের জীবনের প্রবল বিপদের আশঙ্কা থাকে।
যুদ্ধে ইন্দ্রজিৎকে পাঠাতে বক্তার দ্বিধাগ্রস্ত হওয়ার কারণ : বীরবাহুর মৃত্যুর পরে ইন্দ্রজিৎই লঙ্কার প্রধান ভরসা হয়ে ওঠেন। তাকে হারালে লঙ্কা বীরশূন্য হয়ে পড়বে এই আশঙ্কা রাবণের মনে ছিল। উপরন্তু ভাগ্যও তার বিপক্ষে চলছে বলে তিনি মনে করেন, কারণ মৃত রামও পুনর্জীবন লাভ করেছে। তাই একমাত্র জীবিত ও শক্তিশালী পুত্রকে এমন বিপজ্জনক যুদ্ধে পাঠাতে তিনি দ্বিধা অনুভব করেন।
উপসংহার : অতএব, পুত্রস্নেহ ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণেই রাবণ ইন্দ্রজিৎকে কালসমরে পাঠাতে অনিচ্ছুক ছিলেন।
11. "অভিষেক করিলা কুমারে"- কুমার কে ? তাঁকে কে কীভাবে কেন অভিষেক করলেন ?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'অভিষেক' কবিতায় যুদ্ধপরিস্থিতিতে ইন্দ্রজিতের দায়িত্ব গ্রহণের ঘটনাটি বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে।
এখানে ‘কুমার’ বলতে রাবণের পুত্র বীর ইন্দ্রজিৎ বা মেঘনাদকে বোঝানো হয়েছে, লঙ্কার প্রধান যোদ্ধা।
লঙ্কার রাজা রাবণ নিয়ম মেনে পবিত্র গঙ্গাজলের স্পর্শে ইন্দ্রজিৎকে সেনাপতি পদে অভিষিক্ত করেন। বীরবাহুর মৃত্যুর পরে শত্রুর বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজন দেখা দেয়। ভাইয়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়া এবং রামচন্দ্রকে যুদ্ধে পরাজিত করার উদ্দেশ্যেই তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
উপসংহার : অতএব, যুদ্ধের সংকটময় সময়ে প্রতিশোধ ও বিজয়ের লক্ষ্যেই ইন্দ্রজিতের অভিষেক সম্পন্ন করা হয়েছিল।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন ই-বুক(PDF)টি নিতে হলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটের Menu Option-এ ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দেখে নিতে পারেন।
File Details :
PDF Name : অভিষেক কবিতা প্রশ্ন উত্তর PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 2. আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 3. জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 4. হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
