WB Semester Display Ads-1

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

ক্লাস 12 ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়াসমূহ প্রশ্ন উত্তর | 5 নম্বরের প্রশ্নোত্তর | Class 12 4th Semester Geography QuestIon Answer

0

Unit : 2 ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়াসমূহ PDF

প্রা(caps)রম্ভিক তথ্য : দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টারে ভূগোল বিষয়ে ৩৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। এই ৩৫ নম্বরের মধ্যে ‘প্রাকৃতিক ভূগোলের ধারণা’ অধ্যায় থেকে মোট ১৫ নম্বর প্রশ্ন থাকবে। এই অধ্যায় থেকে দুই নম্বরের প্রশ্ন চারটি থাকবে, যার মধ্যে যেকোনো দুটি করতে হবে (৪ নম্বর), তিন নম্বরের প্রশ্ন চারটি থাকবে, যার মধ্যে যেকোনো দুটি করতে হবে (৬ নম্বর) এবং পাঁচ নম্বরের প্রশ্ন দুটি থাকবে, যার মধ্যে যেকোনো একটি করতে হবে (৫ নম্বর)। অর্থাৎ মোট ৪ + ৬ + ৫ = ১৫ নম্বর। এই ‘প্রাকৃতিক ভূগোলের ধারণা’ অধ্যায়টি মোট ছয়টি ইউনিটে বিভক্ত। এর মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট হল 'ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়াসমূহ'। এই ইউনিটটি পরীক্ষার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা এই 'ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়াসমূহ' ইউনিট থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ৫ নম্বরের প্রশ্ন-উত্তর সহ একটি PDF এখানে প্রদান করেছি। এছাড়াও, আমাদের প্রকাশিত দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার ভূগোল সাজেশন ই-বুক (PDF) শিক্ষার্থীরা অল্প কয়েক টাকার বিনিময়ে সংগ্রহ করতে পারেন। এই ই-বুকটি WBCHSE বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম অনুসারে অত্যন্ত সহজ ও পরীক্ষামুখীভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, যা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আপনাদের অনেকটাই সাহায্য করবে। তাই ই-বুক (PDF)টি কিনতে চাইলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে Menu Option-এ ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দেখে নিতে পারেন।

ক্লাস 12 ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়াসমূহ প্রশ্ন উত্তর

🔹 Class 12 Geography 4th Semester Question Answer

[প্রতিটি প্রশ্নের মান 5]
1. বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর : মরু অঞ্চলে বায়ু অত্যন্ত সক্রিয় ক্ষয়কারী শক্তি হিসেবে কাজ করে। এখানে বায়ু প্রধানত অপসারণ ও অবঘর্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূমির উপর ক্ষয়কার্য চালিয়ে বিভিন্ন বিশেষ ধরনের ভূমিরূপ সৃষ্টি করে।
বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি হল :
i. জুইগেন বা জিউগেন : কঠিন ও কোমল শিলা অনুভূমিকভাবে অবস্থান করলে বায়ুর অবঘর্ষ ক্ষয়ে কোমল শিলা বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং কঠিন শিলা চ্যাপটা ও প্রশস্ত রূপ ধারণ করে। এই টেবিলের মতো ভূমিরূপকে জুইগেন বলা হয়।উত্তর আমেরিকার সোনেরান মরুভূমিতে জুইগেন লক্ষ্য করা যায়।
ii. ইনসেলবার্জ : মরু ক্ষয়চক্রের বার্ধক্য পর্যায়ে পেডিপ্লেনের উপর কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত বিচ্ছিন্ন ও খাড়া ঢালযুক্ত পাহাড়ের মতো যে ভূমিরূপ দেখা যায়, তাকে ইনসেলবার্জ বলা হয়। এই ভূমিরূপের উচ্চতা সাধারণত ১০ থেকে ৩০ মিটার হয় এবং এর ঢাল খুব খাড়া প্রকৃতির। অস্ট্রেলিয়ার মাউন্ট ওলগা একটি উল্লেখযোগ্য ইনসেলবার্জ।
iii. ব্লো-আউট বা ধান্দ : বায়ুর অপসারণ প্রক্রিয়ায় মরু অঞ্চলের বালিরাশি সরে গিয়ে যে গভীর গর্ত বা নিম্নভূমি সৃষ্টি হয়, তাকে ব্লো-আউট বা ধান্দ বলে। ধান্দ গভীর হলে এতে ভৌমজল জমে মরুদ্যান তৈরি হতে পারে। রাজস্থানের থর মরুভূমিতে ধান্দ দেখা যায়।
iv. গৌর : কোমল শিলার উপর কঠিন শিলা থাকলে নিচের অংশ ক্ষয়ে সংকীর্ণ হয় এবং উপরের অংশ প্রশস্ত থাকে। এর ফলে ব্যাঙের ছাতার মতো যে শিলাস্তূপ তৈরি হয়, তাকে গৌর বলা হয়। সাহারা মরুভূমিতে গৌর দেখা যায়।
v. ইয়ার্দাঙ : কঠিন ও কোমল শিলা উল্লম্বভাবে থাকলে বায়ুর অবঘর্ষ ক্ষয়ে কোমল শিলা সরে যায় এবং কঠিন শিলা দীর্ঘ, অপ্রতিসম শৈলশিরার মতো রূপ নেয়। এই ভূমিরূপকে ইয়ার্দাঙ বলা হয়। এটি সাহারা মরুভূমিতে দেখা যায়।
মূল্যায়ন : অতএব বলা যায়, মরু অঞ্চলে বায়ুর অপসারণ ও অবঘর্ষ ক্ষয়কার্যের ফলে জুইগেন, ইনসেলবার্জ, ব্লো-আউট, গৌর ও ইয়ার্দাঙ এর মতো বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, যা বায়ুর শক্তিশালী ক্ষয়ক্ষমতার স্পষ্ট প্রমাণ।

2. নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর : নদী উচ্চগতিতে প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রধানত ক্ষয়কার্য করে থাকে। নদীর এই ক্ষয়কার্যের ফলে বিভিন্ন ধরনের ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে নদীর নিম্নক্ষয় ও পার্শ্বক্ষয়ের তারতম্যের কারণে ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির ভূমিরূপ গড়ে ওঠে।
নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি হল :
i. নদী উপত্যকা :
1. গিরিখাত : আর্দ্র ও পার্বত্য অঞ্চলে নদীর পার্শ্বক্ষয় তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় নদী উপত্যকা ধীরে ধীরে প্রশস্ত ও গভীর হয়ে ওঠে। এর ফলে যে ‘V’ আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টি হয়, তাকে গিরিখাত বলা হয়। এই ধরনের গিরিখাত সাধারণত আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায়। পৃথিবীর গভীরতম গিরিখাত হিসেবে কালিনদীর কালিগন্ডকি গিরিখাতের নাম উল্লেখযোগ্য।
2. ক্যানিয়ন : শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে নদীর নিম্নক্ষয় বেশি সক্রিয় হওয়ার ফলে উপত্যকা খুব সংকীর্ণ ও অত্যন্ত গভীর আকার ধারণ করে। এই ধরনের ‘I’ আকৃতির উপত্যকাকে ক্যানিয়ন বলা হয়। ক্যানিয়ন সাধারণত শুষ্ক অঞ্চলে গঠিত হয়। এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল কলোরাডো নদীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
ii. জলপ্রপাত : কোনো পর্বত, পাহাড় বা মালভূমির উচ্চ অংশ থেকে নদীর জল হঠাৎ করে উল্লম্বভাবে নিচে পড়লে জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়। ভূমির ঢালের হঠাৎ পরিবর্তনের কারণেই সাধারণত জলপ্রপাত গঠিত হয়। জলপ্রপাত আকারে ছোট বা বড় হতে পারে। ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত হিসেবে কুষ্ণিকল জলপ্রপাত পরিচিত।
iii. মন্ত্রকূপ : পার্বত্য অঞ্চলে নদীর প্রবাহের সময় নদীখাতের তলদেশে ক্ষয়কার্যের ফলে ছোট, বর্তুলাকার গর্ত সৃষ্টি হয়, যাকে মন্ত্রকূপ বলা হয়। এই মন্ত্রকূপের আয়তন ও গভীরতা সাধারণত কম হয় এবং এটি মূলত নদীখাতের তলদেশেই অবস্থান করে। সুবর্ণরেখা নদীর গতিপথে মন্ত্রকূপ লক্ষ্য করা যায়।
iv. প্রপাতকূপ : জলপ্রপাত থেকে পতিত বিপুল জলরাশি যে স্থানে আছড়ে পড়ে, সেখানে গভীর ও বৃহৎ গর্তের সৃষ্টি হয়, যাকে প্রপাতকূপ বলা হয়। এই প্রপাতকূপের গভীরতা ও আয়তন তুলনামূলকভাবে বেশি হয় এবং এটি জলপ্রপাতের পাদদেশে গঠিত হয়। হুডু জলপ্রপাতের পাদদেশে প্রপাতকূপ দেখা যায়।
মূল্যায়ন : সুতরাং বলা যায়, নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে গিরিখাত, ক্যানিয়ন, মন্ত্রকূপ, জলপ্রপাত ও প্রপাতকূপের মতো নানা ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। এই ভূমিরূপগুলি নদীর ক্ষয়ক্ষমতা ও প্রবাহগত বৈশিষ্ট্যের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।

3. নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর : নদী যখন নিম্নগতিতে প্রবাহিত হয়, তখন তার বহনক্ষমতা কমে যায়। ফলে নদীবাহিত পলি, বালি, নুড়ি ও কাদা নদীপথে বা নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সঞ্চিত হতে থাকে। এই সঞ্চয়কার্যের ফলেই বিভিন্ন ধরনের ভূমিরূপ গঠিত হয়।
নদীর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি হল  :
i. পললশঙ্কু ও পলল ব্যাজনী : পর্বতের পাদদেশে নদীর গতিবেগ হঠাৎ কমে গেলে নদীবাহিত নুড়ি, বালি ও প্রস্তরখণ্ড সঞ্চিত হয়। এর ফলে ত্রিকোণাকৃতি যে ভূমিরূপ গঠিত হয়, তাকে পললশঙ্কু বলা হয়। আবার এই সঞ্চিত পদার্থ পাখার মতো ছড়িয়ে পড়লে যে ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে পলল ব্যাজনী বলে। পললশঙ্কুর বিস্তার তুলনামূলকভাবে কম হলেও পলল ব্যাজনীর বিস্তার বেশি হয়। শিবালিক পর্বতের পাদদেশে এই ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।
ii. নদীবাঁক বা মিয়েন্ডার : সমভূমি অঞ্চলে নদীর স্রোত দুর্বল হলে সামান্য বাধার কারণে নদী এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হয়, একে নদীবাঁক বলা হয়। নদীবাঁকে নদীর অবতল পাড়ে ক্ষয় এবং উত্তল পাড়ে সঞ্চয়কার্য বেশি হয়। জলঙ্গী নদীতে অসংখ্য মিয়েন্ডার লক্ষ্য করা যায়।
iii. অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ : নদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে কোনো নদীবাঁক পরিত্যক্ত হলে তা ধীরে ধীরে ঘোড়ার ক্ষুরের মতো আকৃতি বিশিষ্ট হ্রদে পরিণত হয়। এই ধরনের হ্রদকে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ বলা হয়। এটি মূল নদীর একেবারে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অবস্থান করে এবং এর আয়তন সাধারণত মাঝারি থেকে বৃহৎ হয়। মুর্শিদাবাদের মতিঝিল এর একটি উদাহরণ।
iv. প্লাবনভূমি : নদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে নদীর দুই পাশের অঞ্চলে পলি, বালি ও কাদা সঞ্চিত হয়ে যে বিস্তৃত ও উর্বর সমভূমি গঠিত হয়, তাকে প্লাবনভূমি বলা হয়। এই ভূমি অত্যন্ত উর্বর প্রকৃতির হলেও কোনো কোনো বছর বন্যার সময় জলমগ্ন হয়ে পড়ে। গঙ্গা নদীর নিম্ন অববাহিকায় বিস্তৃত প্লাবনভূমি দেখা যায়।
v. স্বাভাবিক বাঁধ : নদীর দুই তীরবর্তী অঞ্চলে বন্যার সময় নদীবাহিত পলি, বালি ও কাদা সঞ্চিত হয়ে নদীর সঙ্গে সমান্তরালভাবে উঁচু বাঁধের মতো যে ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে স্বাভাবিক বাঁধ বলা হয়। এই বাঁধের উচ্চতা সাধারণত স্বল্প থেকে মাঝারি হয়। ভাগীরথী নদীর পশ্চিমাংশে স্বাভাবিক বাঁধ লক্ষ্য করা যায়।
মূল্যায়ন : অতএব বলা যায়, নদীর নিম্নগতিতে সংঘটিত সঞ্চয়কার্যের ফলে পললশঙ্কু, পলল ব্যাজনী, নদীবাঁক, অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ, প্লাবনভূমি ও স্বাভাবিক বাঁধের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, যা নদীর সঞ্চয়ক্ষমতার স্পষ্ট পরিচয় বহন করে।

4. সমুদ্রতরঙ্গের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর : প্রবল বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে সমুদ্রের জলরাশি যখন একই স্থানে উল্লম্বভাবে ওঠানামা করে, তখন তাকে সমুদ্রতরঙ্গ বলা হয়। এই সমুদ্রতরঙ্গ উপকূলের উপর বারবার আঘাত করে ক্ষয়কার্য চালায়। এর ফলেই উপকূল অঞ্চলে নানা ধরনের ক্ষয়জাত ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।
সমুদ্রতরঙ্গের ক্ষয়কার্যের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপগুলি হল : 
i. সামুদ্রিক খিলান বা আর্চ : সমুদ্রের দিকে এগিয়ে থাকা সংকীর্ণ ভূমিভাগ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সেতুর মতো আকৃতি ধারণ করলে তাকে সামুদ্রিক খিলান বা আর্চ বলা হয়। প্রথমে ওই ভূমিভাগের দু’দিকে গুহা তৈরি হয় এবং পরে গুহা দুটি মিলিত হলে মাঝখানে খিলান আকৃতি গঠিত হয়। অস্ট্রেলিয়ার লন্ডন ব্রিজ একটি উল্লেখযোগ্য সামুদ্রিক খিলান।
ii. সামুদ্রিক ভৃগু : সমুদ্রতরঙ্গের ক্রমাগত আঘাতে উপকূল রেখা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সমুদ্রমুখী খাড়া ঢালু যে উপকূল ভাগ গঠিত হয়, তাকে সামুদ্রিক ভৃগু বলে। প্রথমে উপকূলের পিছনের অংশে একটি খাঁজ তৈরি হয় এবং সেই খাঁজ বড় হলে সামনের অংশ ধসে পড়ে ভৃগুর সৃষ্টি হয়। ভারতের বিশাখাপত্তনম উপকূলে সামুদ্রিক ভৃগু দেখা যায়।
iii. স্ট্যাক বা সামুদ্রিক স্তম্ভ : সমুদ্রতরঙ্গের ক্ষয়কার্যের ফলে উপকূলের নিকট স্তম্ভের মতো বিচ্ছিন্ন শিলা গঠিত হলে তাকে স্ট্যাক বলা হয়। সাধারণত সামুদ্রিক খিলানের শীর্ষদেশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ভেঙে পড়লে এই স্তম্ভাকার ভূমিরূপ তৈরি হয়। ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের ওর্কনি দ্বীপে স্ট্যাক দেখা যায়।
iv. সামুদ্রিক গুহা : সমুদ্র উপকূলের ফাটলযুক্ত বা কোমল শিলাস্তরে তরঙ্গের আঘাতে বৃহৎ গর্তের সৃষ্টি হলে তাকে সামুদ্রিক গুহা বলা হয়। কঠিন শিলার মধ্যে ফাটল থাকলে বা কোমল শিলা থাকলে তরঙ্গের আঘাতে দ্রুত ক্ষয় হয়ে গুহা তৈরি হয়। স্কটল্যান্ডের সমুদ্র উপকূলে সামুদ্রিক গুহা লক্ষ্য করা যায়।
v. স্ট্যাম্প : সমুদ্রের অগভীর অংশে স্ট্যাকের ক্ষয়জাত অবশিষ্ট নিম্নভূমিকে স্ট্যাম্প বলা হয়। স্ট্যাক ক্রমাগত ক্ষয়ের ফলে ধীরে ধীরে উচ্চতা হারিয়ে স্ট্যাম্পে পরিণত হয়। গোয়ার সমুদ্র উপকূলে স্ট্যাম্পের উদাহরণ পাওয়া যায়।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টার ভূগোল সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই এই ই-বুক(PDF)টি কিনতে হলে মেনু অপশনে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
File Details :
PDF Name : ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়াসমূহ PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF

আরো পড়ুন প্রশ্নোত্তর
1. ক্লাস 12 ভূতত্ত্ববিদ্যা প্রশ্ন ও উত্তর PDF Click here
2. ক্লাস 12 বহির্জাত ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া প্রশ্ন উত্তর Click here
3. ক্লাস 12 জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ PDF Click here
Regards,
WB Semester Team 
📞 & 💬 9883566115


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.