ভূমিকা : মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষা মোট 90 নম্বরের হয়। এই 90 নম্বরের মধ্যে পাঠ্য গল্প থেকে মোট 15 নম্বর থাকবে। পাঠ্য গল্পগুলি থেকে 5 নম্বর মানের 2টি প্রশ্ন পরীক্ষায় এসে থাকে, যার মধ্যে যে-কোনো 1 টি প্রশ্নের উত্তর করতে হয়। তাই তোমাদের সুবিধার জন্য এই পর্বে পান্নালাল প্যাটেলের লেখা ও অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত অনূদিত 'অদল বদল' গল্প থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৫ নম্বর মানের কিছু প্রশ্নোত্তর নিচে আলোচনা করা হল। তবে 'অদল বদল' গল্প থেকে ৩ নম্বরের প্রশ্নোত্তর পড়তে চাইলে এই গল্পে পর্ব-1 পোষ্টটি পড়তে হবে। এটির লিঙ্ক একদম নিচের টেবিলে দেওয়া হয়েছে।
Adal Badal Question Answer :
[প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫]
1."অমৃতর জবাব আমাকে বদলে দিয়েছে।"- বক্তা কে? অমৃতের কোন্ জবাব বদলে দিয়েছিল? কীভাবে তা বদলে দিয়েছিল ? [২+৩]
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা ও অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত অনূদিত 'অদল বদল' গল্প থেকে আলোচ্য অংশটি নেওয়া হয়েছে। এখানে বক্তা হলেন ইসাবের বাবা হাসান।
অমৃতের বদলানো জবাব : আড়ালে দাঁড়িয়ে দুই বন্ধুর জামা অদল-বদলের দৃশ্য ও কথোপকথন শুনছিলেন হাসান। জামা বদলের পর ইসাব অমৃতকে জিজ্ঞেস করেছিল, "তোর বাবা যদি তোকে মারে কী হবে?" এর উত্তরে অমৃত বলেছিল, "কিন্তু আমার তো মা আছে।" অমৃতের এই জবাবটিই বক্তাকে বদলে দিয়েছিল।
যেভাবে বক্তার উপলব্ধি বদলে গিয়েছিল : অমৃত আর ইসাবের বন্ধুত্বের গভীরতা ও পবিত্রতা দেখে পাঠান বাহালি তাজ্জব হয়ে গিয়েছিলেন। অমৃত জানত যে তাকে বাবা মারলে মা রক্ষা করবেন, কিন্তু ইসাবের তো মা নেই। অমৃতের এই অনুভবের মধ্যেই বন্ধুত্বের প্রকৃত সংজ্ঞা লুকিয়ে ছিল। ধর্ম, বর্ণ, ধনী বা দরিদ্রের পার্থক্য যে বন্ধুত্বের পথে বাধা হতে পারে না, তা ইসাবের বাবা নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছিলেন। এক অল্পবয়স্ক কিশোরের এই নিষ্কলুষ হৃদয়বৃত্তি তাঁকে গভীরভাবে অবাক করেছিল। নিজের প্রতিবেশীদের কাছেও তিনি এই অবাক করা ঘটনার কথা আবেগাপ্লুত হয়ে জানিয়েছিলেন। হয়তো পরিস্থিতি অনুসারে আগে তাঁর মনেও কিছুটা বৈষম্যের ভাব উঁকি দিত, কিন্তু অমৃতের এই সহজ ও গভীর জবাব তাঁর সেই পুরনো ভাবধারা ও উপলব্ধিকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে।
উপসংহার : সুতরাং আলোচনার পর বলতে পারি, দুই শিশুর অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের দৃশ্য দেখে বক্তার ভেতরের সমস্ত সংকীর্ণতা দূর হয়ে মনোভাবের আমূল পরিবর্তন ঘটেছিল।
2. "অমৃত সত্যি তার বাবা-মাকে খুব জ্বালিয়েছিল।"- অমৃত কীভাবে তার মা-বাবাকে জ্বালিয়েছিল ও তার পরিণাম কী হয়েছিল তা আলোচনা করো। [৩+২]
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা ও অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত অনূদিত 'অদল বদল' গল্প থেকে আলোচ্য অংশটি নেওয়া হয়েছে।
বাবা-মাকে জ্বালানোর বর্ণনা : বন্ধু ইসাবের নতুন জামা দেখে অমৃতের মনেও নতুন জামার তীব্র আকাঙ্ক্ষা জাগে। মা জামা কিনে দিতে না চাইলে সে নিজের পরিহিত জামার ছেঁড়া অংশ আঙুল দিয়ে আরও ছিঁড়ে ফেলে। ইসাব জামা পাওয়ার আগে মার খেয়েছে শুনেও অমৃত মার খেতে রাজি হয়ে যায়। মা তাকে বাবার কাছে পাঠিয়ে দিলে সে জানত বাবা সহজেই রাজি হবে না। তাই নতুন জামার অনড় দাবিতে সে বেশ কিছু চরম পদক্ষেপ নেয়। যেমন - সে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়, খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়ে অনশন শুরু করে, এমনকি রাতের বেলাতেও বাড়ি ফিরতে অস্বীকার করে একদিন ইসাবদের গোয়ালঘরে গিয়ে লুকিয়ে থাকে।
ঘটার পরিণাম : অমৃতের এই নাছোড়বান্দা জেদ এবং চরম অনশনের ফলে তার পরিবার একপ্রকার বাধ্য হয়। সে স্কুলে যাওয়া ও খাওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় এবং বাড়ি না ফেরায় তার মা বড় কোনো বিপদের আশঙ্কায় অবশেষে হাল ছেড়ে দেন। তিনি অমৃতের বাবাকে বুঝিয়ে রাজি করান। এর ফলে পরিশেষে অমৃত তার কাঙ্ক্ষিত নতুন জামাটি আদায় করতে পেরেছিল।
উপসংহার : অতএব বলা যায়, অমৃতের চরম বায়না ও জেদের কাছে শেষ পর্যন্ত নতিস্বীকার করে তার বাবা-মা তাকে নতুন জামা কিনে দিতে বাধ্য হয়েছিল।
3. "ও আমাকে শিখিয়েছে, খাঁটি জিনিস কাকে বলে।" / 'কি খাঁটি কথা'- বক্তার কাছে খাঁটি জিনিসটি কী ছিল? বক্তা কার কাছ থেকে কীভাবে তা শিখেছেন? [৫]
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা ও অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত অনূদিত 'অদল বদল' গল্প থেকে আলোচ্য অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই গল্পে 'খাঁটি জিনিস' বা 'খাঁটি কথা' বলতে মূলত দুটি দিককে বোঝানো হয়েছে। যেমন মায়ের অপরিসীম স্নেহের প্রতি আস্থা এবং বন্ধুর প্রতি নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ।
বক্তার কাছে খাঁটি জিনিসের পরিচয় : ইসাবের বাবা হাসানের কাছে 'খাঁটি জিনিস' হল মানবিক সম্পর্কের আসল মূল্য। মাতৃহীন ইসাবকে বাবার কঠোর শাস্তির হাত থেকে রক্ষা করতে অমৃত নিজের নতুন জামাটি বন্ধুকে দিয়ে ছেঁড়া জামাটি নিজে পরে নেয়। ইসাব তাকে সতর্ক করলে অমৃত সহজভাবে বলে "আমার তো মা রয়েছে।" এই কথার মধ্যে ফুটে ওঠা মাতৃস্নেহের ওপর অগাধ বিশ্বাস এবং অকৃত্রিম বন্ধুত্বই হল 'খাঁটি জিনিস'।
বক্তা কীভাবে তা বুঝেছেন ও শিখেছেন : কুস্তিতে জামা ছিঁড়ে যাওয়ার পর দুই বন্ধুর জামা বদলের ঘটনাটি আড়ালে দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ করেছিলেন ইসাবের বাবা হাসান। অমৃতের মুখে "আমার তো মা রয়েছে" উক্তিটি শুনে তার হৃদয় গলে যায়। তিনি উপলব্ধি করেন, মাতৃহারা সন্তানের কাছে মায়ের মমতার প্রয়োজনীয়তা কতটা গভীর। বন্ধুকে বাঁচাতে অমৃতের এই আত্মত্যাগ দেখে তিনি বোঝেন, মাতৃহীন সন্তানের বাবাকে শুধু পিতা নয়, মা-ও হয়ে উঠতে হয়। দুই শিশুর এই ভালোবাসা থেকেই হাসান খাঁটি জিনিসের অর্থ শিক্ষা পান।
উপসংহার : সংক্ষেপে বলা যায়, শিশুদের অকৃত্রিম বন্ধুত্ব ও স্নেহের মহিমাই হাসান ভাইয়ের কাছে খাঁটি বস্তু হিসেবে ধরা দিয়েছিল।
4. 'কিন্তু আমাকে বাঁচানোর জন্য তো আমার মা আছে'- কে কাকে কোন্ প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেছেন? এই উক্তির মধ্য দিয়ে বক্তার চরিত্রের কোন্ দিকটি বা মানসিকতা ফুটে উঠেছে? [২+৩]
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা ও অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত অনূদিত 'অদল বদল' গল্প থেকে আলোচ্য অংশটি নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ : কুস্তিতে ইসাবের জামা ছিঁড়ে যাওয়ার পর তাকে বাবার মার থেকে বাঁচাতে অমৃত নিজের নতুন জামাটি ইসাবকে দিয়ে তার ছেঁড়া জামাটি নিজে পরে নেয়। তখন ইসাব শঙ্কিত হয়ে জিজ্ঞাসা করে যে ছেঁড়া জামা দেখে তার বাবা যদি তাকে মারে তবে কী হবে - এই প্রসঙ্গেই অমৃত ইসাবকে কথাটি বলেছিল।
বক্তার চরিত্র ও মানসিকতা : আলোচ্য উক্তিটির মাধ্যমে অমৃতের চরিত্রের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ও মানসিকতা প্রকাশ পায়। যেমন -
(ক) মায়ের ওপর অগাধ আস্থা : অমৃতের সহজ-সরল শিশুমনে এই দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে যেকোনো পরিস্থিতিতে তার মা তাকে বাবার রাগ ও প্রহারের হাত থেকে রক্ষা করবেন।
(খ) নিঃস্বার্থ বন্ধুপ্রীতি ও আত্মত্যাগ : ইসাব মাতৃহীন এবং তার বাবা অত্যন্ত রাগী। বন্ধুকে বাবার মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে অমৃত নিজের মার খাওয়ার ঝুঁকি নিয়েও নতুন জামা অদল-বদল করে। বন্ধুর প্রতি তার এই ত্যাগ অকৃত্রিম।
(গ) বিপদের মুখোমুখি হওয়ার সাহস : শাস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা জেনেও কেবল বন্ধুকে রক্ষায় অমৃত যে বিচক্ষণ পদক্ষেপ নেয়, তা তার গভীর বন্ধুপ্রীতির প্রতীক।
উপসংহার : সুতরাং আলোচনার পর বলতে পারি, উক্তিটির মধ্য দিয়ে অমৃতের অনন্য বন্ধুপ্রীতি, নিঃস্বার্থ ত্যাগ এবং মায়ের প্রতি গভীর ভরসা ফুটে উঠেছে।
5. 'অদল বদল' গল্প অবলম্বনে অমৃতের চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো। [৫]
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা ও অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত অনূদিত 'অদল বদল' গল্পে দেশকাল ও ধর্মের সীমানা অতিক্রম করা চিরায়ত বন্ধুত্বের সর্বাধিক সক্রিয় ও প্রধান চরিত্র হল অমৃত। এখন আমি নিচে তার চরিত্রটি বিশ্লেষণ করছি -
(ক) অকৃত্রিম বন্ধুপ্রীতি : অমৃত ও ইসাব একই ক্লাসে পড়ে। কুস্তিতে ইসাবের নতুন জামা ছিঁড়ে গেলে তাকে বাবার প্রহার থেকে বাঁচাতে অমৃত নিজের অক্ষত জামাটি বন্ধুকে দিয়ে তার ছিঁড়া জামাটি গায়ে পরে নেয়।
(খ) বাস্তববুদ্ধি ও উপস্থিতি বুদ্ধি : জামা বদলের সময় অমৃত ইসাবকে বলেছিল "আমাকে বাঁচানোর জন্য তো আমার মা আছে।" এই সংক্ষিপ্ত উক্তির মধ্য দিয়ে তার চমৎকার বাস্তব জ্ঞান ও উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় পাওয়া যায়।
(গ) মায়ের প্রতি অগাধ আস্থা : অমৃতের চরিত্রের অন্যতম গুণ হল মায়ের ভালোবাসার প্রতি গভীর বিশ্বাস। সে দৃঢ়ভাবে জানত যে, যেকোনো পরিস্থিতি বা বাবার শাসনের হাত থেকে তার মা তাকে আগলে রাখবেন।
(ঘ) উদার মনোভাব : বন্ধুত্ব যে ধর্ম বা অর্থকৌলীন্যের প্রাচীর মানে না, অমৃতের চরিত্র তার প্রমাণ। ভিন্ন সম্প্রদায়ের হওয়া সত্ত্বেও ইসাবের প্রতি তার ভালোবাসা ছিল সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থ ও খাঁটি।
(ঙ) সহৃদয়তা ও মহৎ আত্মত্যাগ : অমৃত বালকমাত্র হলেও তার আচরণে পরিশুদ্ধ সহৃদয়তা দেখা যায়। বন্ধুকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজের শাস্তি পাওয়ার ঝুঁকি নেওয়া তার অসামান্য ত্যাগের প্রতীক।
উপসংহার : সুতরাং আমি বলতে পারি, অমৃতের সরলতা, গভীর বন্ধুপ্রীতি ও মহৎ আত্মত্যাগই গল্পটিকে চিরকালীন মানবিক আবেদনে ভূষিত করেছে।
6. "আজ থেকে আমরা অমৃতকে অদল আর ইসাবকে বদল বলে ডাকব।"- বক্তা কে? তিনি কখন এ কথা ঘোষণা করেন? এর আড়ালে কোন্ সত্য লুকিয়ে আছে? [১+১+৩]
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা ও অর্ঘ্যকুসুম দত্তগুপ্ত অনূদিত 'অদল বদল' গল্প থেকে আলোচ্য অংশটি নেওয়া হয়েছে। এখানে বক্তা হলেন গ্রামের গ্রামপ্রধান।
ঘোষণার সময় ও প্রেক্ষাপট : কুস্তিতে ইসাবের জামা ছিঁড়ে গেলে প্রহারের হাত থেকে মাতৃহীন বন্ধুকে বাঁচাতে অমৃত নিজের নতুন জামা অদল-বদল করে নেয়। শিশুদের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসার ঘটনাটি যখন একে একে গ্রামের প্রতিটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত গ্রামপ্রধানের কানে পৌঁছায়, তখন তিনি দারুণ আনন্দিত হয়ে এই ঘোষণাটি করেন।
আড়ালে লুকিয়ে থাকা সত্য : গ্রামপ্রধানের এই নামকরণের আড়ালে এক চিরন্তন মানবিক সত্য লুকিয়ে রয়েছে। যেমন -
(ক) ধর্মের উর্ধ্বে অকৃত্রিম বন্ধুত্ব : অমৃত ও ইসাব দুটি ভিন্ন ধর্মসম্প্রদায়ের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাদের শৈশবের পবিত্র বন্ধুত্বের মাঝে ধর্মীয় বিভেদ কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
(খ) মানবিক সম্পর্কের জয় : মাতৃহীন ইসাবকে রক্ষা করতে অমৃতের আত্মত্যাগ প্রমাণ করে যে ভালোবাসার শক্তিতে মানুষ কীভাবে আত্মজন হয়ে ওঠে। যে বাবাকে ইসাব ভয় পেত, তিনিও শেষ পর্যন্ত দুই বন্ধুকে বুকে টেনে নেন এবং অমৃতের মা-ও গর্বিত হন।
(গ) সামাজিক স্বীকৃতি : গ্রামপ্রধানের ঘোষণার মাধ্যমে মূলত সাম্প্রদায়িকতার উর্ধ্বে গিয়ে সম্প্রীতি ও নিষ্পাপ বন্ধুত্বের চিরকালীন মানবতাবাদী আদর্শকেই সমাজে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
উপসংহার : সুতরাং আমি বলতে পারি, গ্রামপ্রধানের এই ঘোষণা কেবল একটি নামকরণ ছিল না, বরং তা ছিল জাতি-ধর্মের উর্ধ্বে প্রকৃত মানবতার এক সামাজিক স্বীকৃতি।
❖ অদল বদল গল্পের ৫ নম্বর বড়ো প্রশ্ন উত্তর পর্ব 2 PDF
File Details :
PDF Name : Adal Badal Question Answer Class 10 PDF
Size : 600 KB
No. of Pages : 3
Mode : Read-only (Online)
🔗 Link :
Click here To
View PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. অদল বদল গল্পের বড় প্রশ্ন উত্তর পর্ব 1 | Click here |
| 2. বহুরূপী গল্পের প্রশ্ন উত্তর | Click here |
| 3. অসুখী একজন কবিতার প্রশ্ন উত্তর | Click here |
| 1. অভিষেক কবিতার ৩ নম্বরের প্রশ্ন উত্তর পর্ব 1 | Click here |
| 5. ক্লাস 12 তৃতীয় সেমিস্টার পরিবেশবিদ্যা Mock Test [Part-2] | Click here |

আপনার কোনো প্রশ্ন, নোটস বা সাজেশন প্রয়োজন হলে কিংবা আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে নিচে কমেন্ট করুন। আমরা দ্রুত উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ !