🔹 Adal Badal Class 10 Question Answer
[প্রতিটি প্রশ্নের মান 3]
1. নতুন জামা পাওয়ার জন্য অমৃত কী কাণ্ড করেছিল ? ৩
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে দুই বন্ধুর জীবনের একটি ছোট ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। সেখানে অমৃতের নতুন জামা পাওয়ার আগ্রহের কথা উল্লেখ আছে।
অমৃতের কাণ্ড : ইসাবের নতুন জামা দেখে অমৃতেরও নতুন জামা পাওয়ার খুব ইচ্ছা হয়। কিন্তু বাড়ির লোকেরা সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়নি। তখন অমৃত জেদ ধরে বসে। সে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং ঠিকমতো খাওয়াও করে না। এমনকি রাতে বাড়িতে না ফেরার সিদ্ধান্ত নেয় এবং ইসাবের বাবার গোয়ালঘরে লুকিয়ে থাকে, যাতে তাকে নতুন জামা দেওয়া হয়।
উপসংহার : অতএব, এই ঘটনাগুলো থেকেই বোঝা যায়, নতুন জামা পাওয়ার আশায় অমৃত জেদ করে নানা অদ্ভুত কাণ্ড করেছিল।
2. ‘বলতে গেলে ছেলে দুটির সবই একরকম, তফাৎ শুধু এই যে’- ছেলে দুটো কে কে ? তাদের মধ্যে মিল ও অমিল লেখো। ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে দুই বন্ধুর জীবনের মিল-অমিলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এখানে ছেলে দুটো বলতে ঘনিষ্ঠ বন্ধু অমৃত ও ইসাব। এই দুই ছেলেকে বোঝানো হয়েছে।
মিল ও অমিল : অমৃত ও ইসাব একই স্কুলের একই শ্রেণিতে পড়ে। তাদের বাবার পেশাও প্রায় একই, দুজনেই চাষের কাজ করেন। প্রয়োজনে দুজনের পরিবারই সুদে টাকা ধার নেয় এবং তাদের বাড়িও কাছাকাছি। তবে পারিবারিক দিক থেকে পার্থক্য আছে। অমৃতের পরিবার বড়, কিন্তু ইসাবের সঙ্গে থাকে শুধু তার বাবা।
উপসংহার : এই কারণে অনেক বিষয়ে তারা একরকম হলেও পারিবারিক অবস্থার দিক থেকে তাদের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে।
3. "অমৃত এতেও পিছপা হতে রাজি নয়।"- অমৃত কীসে কেন পিছপা হতে রাজি নয় ? ৩
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে অমৃতের জেদি স্বভাব ও বন্ধুর সঙ্গে সমান হওয়ার ইচ্ছার একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
অমৃত ইসাবের মতো নতুন জামা পাওয়ার জন্য বাবার মার খেতেও রাজি থাকার ব্যাপারে পিছপা হয়নি।
পিছপা রাজি না হওয়া কারণ : অমৃত ইসাবের নতুন জামা দেখে একই রকম জামা পাওয়ার জন্য খুব জেদ ধরেছিল। মা তাকে ভয় দেখিয়ে বলেছিলেন, নতুন জামা পেতে হলে ইসাবের মতো মারও খেতে হতে পারে। কিন্তু তাতেও অমৃত ভয় পায়নি। বন্ধুর মতো পোশাক পেতেই সে দৃঢ়ভাবে নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিল।
উপসংহার : এভাবেই বোঝা যায়, নতুন জামা পাওয়ার ইচ্ছায় অমৃত কোনো ভয় বা বাধার সামনে পিছিয়ে যেতে চায়নি।
4. 'উনি আসল ঘটনাটা জানেন'- উনি কে ? আসল ঘটনা লেখো ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহানুভূতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
এখানে ‘উনি’ বলতে ইসাবের বাবা হাসান-কে বোঝানো হয়েছে, যিনি ইসাবের আচরণ লক্ষ্য করছিলেন।
আসল ঘটনা : কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি লড়ার সময় ইসাবের নতুন জামাটি ছিঁড়ে যায়। বাবার রাগের ভয়ে সে চিন্তিত হয়ে পড়ে। তখন তার বন্ধু অমৃত সাহায্য করার জন্য নিজের ভালো জামাটি ইসাবকে দেয় এবং ইসাবের ছেঁড়া জামাটি নিজে পরে নেয়। এই জামা অদল-বদলের ঘটনাটাই ছিল আসল ঘটনা।
উপসংহার : অতএব, বাড়িতে ফেরার পর ইসাবের বাবা দুজনকে শান্তভাবে ডাকেন। তাই তাদের মনে হয় তিনি হয়তো পুরো ঘটনাটিই জেনে গেছেন।
5. "গল্প শুনে তাদেরও বুক ভরে গেল।”- কোন্ গল্প শুনে তাদের বুক ভরে গেল ? তা শুনে বুক ভরে যাবার কারণ কী ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে বন্ধুত্বের আন্তরিকতা ও ত্যাগের সুন্দর দৃষ্টান্ত এই ঘটনার মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।
ইসাব ও অমৃতের গভীর বন্ধুত্ব এবং জামা অদলবদলের ঘটনাকে ঘিরে গড়ে ওঠা গল্প।
বুক ভরে যাবার কারণ : ইসাব ও অমৃত ছিল খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা একে অপরকে খুব ভালোবাসত এবং বন্ধুর জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত ছিল। জামা ছিঁড়ে যাওয়ার পরে অমৃত নিজের ভালো জামা বন্ধুকে দিয়ে দেয়। এই ঘটনায় তাদের আন্তরিকতা ও ত্যাগের মনোভাব স্পষ্ট হয়। এমন নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের কথা শুনে পাড়ার লোকেরা আনন্দ ও গর্ব অনুভব করেছিল।
উপসংহার : এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে ইসাব ও অমৃতের সত্যিকারের বন্ধুত্ব সবার মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
6. ‘আজ থেকে আপনার ছেলে আমার’- কার উদ্দেশ্যে এই উক্তি ? এই উক্তি কেন ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে বন্ধুত্বের নিঃস্বার্থ দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে।
এই কথাটি ইসাবের বাবা হাসান অমৃতের মা বাহালি বৌদির উদ্দেশ্যে বলেছিলেন।
এই উক্তির কারণ : কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি করতে গিয়ে ইসাবের নতুন জামা ছিঁড়ে যায়। বাবার রাগের ভয় থাকায় সে দুশ্চিন্তায় পড়ে। তখন বন্ধু অমৃত নিজের ভালো জামা ইসাবকে দিয়ে ছেঁড়া জামা নিজে পরে নেয়। বন্ধুকে বাঁচাতে তার এই ত্যাগ দেখে হাসান খুব মুগ্ধ হন এবং অমৃতের প্রশংসা করেন।
উপসংহার : অতএব, অমৃতের আন্তরিকতা ও বন্ধুত্বের জন্যই হাসান গর্বের সঙ্গে অমৃতের মাকে এই কথাটি বলেছিলেন।
7. "বাহালি বৌদি, আজ থেকে আপনার ছেলে আমার।"- বাহালি বৌদি কে ? বক্তা তাঁকে কেন একথা বলেছেন ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে বন্ধুত্ব ও মানবিকতার একটি সুন্দর ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
বাহালি বৌদি : বাহালি বৌদি হলেন অমৃতের মা, যাকে ইসাবের বাবা স্নেহ ও শ্রদ্ধা করে এ নামে ডাকতেন।
একথা বলার কারণ : ইসাবের জামা ছিঁড়ে যাওয়ায় অমৃত নিজের জামা বদলে নেয়, যাতে ইসাব বাবার মার না খায়। কারণ ইসাবের মা নেই, তাকে বাঁচানোর কেউ নেই। আড়াল থেকে সব দেখে ইসাবের বাবা অমৃতের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বে মুগ্ধ হয়ে এই কথা বলেন।
উপসংহার : অতএব, এই উক্তির মাধ্যমে অমৃতের আন্তরিক বন্ধুত্ব ও মানবিক মনোভাবের প্রতি ইসাবের বাবার গভীর প্রশংসা প্রকাশ পেয়েছে।
8. ‘তামাশা করে হলেও এখন ব্যাপারটা ঘোরালো হয়ে পড়েছে’- তামাশাটি কী ছিল ? তা কীভাবে ঘোরালো হয়ে পড়েছিল ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে একটি খেলাচ্ছলে শুরু হওয়া ঘটনার কথা বলা হয়েছে।
তামাশাটি হল : কালিয়া জোর করে অমৃতকে কুস্তি করতে নিয়ে যায়। ছেলেরা সেটিকে মজা হিসেবে দেখে উল্লাস করছিল।
যেভাবে ঘোরালো হয়ে পড়েছিল : অমৃতকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার দৃশ্য দেখে ছেলেরা আনন্দে চিৎকার করতে থাকে। বন্ধুর এই অপমান দেখে ইসাব রেগে যায় এবং কালিয়ার সঙ্গে লড়াই করতে এগিয়ে আসে। সে কালিয়াকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। এতে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং সবাই ভয় পেয়ে সেখান থেকে সরে যায়।
উপসংহার : এইভাবে ছেলেদের কাছে যে ঘটনা প্রথমে তামাশা ছিল, পরে তা সত্যিই জটিল ও ভয়ের পরিস্থিতিতে পরিণত হয়েছিল।
9. ‘এসো আমরা কুস্তি লড়ি’- একথা কে, কাকে বলেছে ? এই কুস্তির ফলাফল লেখো ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে ছেলেদের মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার উল্লেখ আছে।
এখানে কালিয়া অমৃতকে উদ্দেশ্য করে ‘এসো আমরা কুস্তি লড়ি’- এই কথাটি বলেছিল এবং তাকে মাঠে নিয়ে গিয়েছিল।
কুস্তির ফলাফল : কুস্তি শুরু হলে অমৃত খুব আগ্রহী ছিল না। কিন্তু কালিয়া তাকে জোর করে ধরে মাটিতে ফেলে দেয়। ছেলেরা তখন আনন্দ করে বলতে থাকে যে কালিয়া জিতেছে। পরে বন্ধুর অপমান দেখে ইসাব রেগে যায় এবং কালিয়ার সঙ্গে লড়াই করে তাকে মাটিতে ফেলে দেয়।
উপসংহার : এইভাবে কুস্তির ঘটনায় প্রথমে অমৃত হেরে গেলেও পরে ইসাবের কারণে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।
10. ‘কালিয়া ইতস্তত করছিল’- কালিয়া কেন ইতস্তত করছিল ? এর পরে কী ঘটেছিল তা লেখো ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে কুস্তির ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।
কালিয়া ইতস্তত হওয়ার কারণ : অমৃতকে হারানোর পর ইসাব রেগে গিয়ে কালিয়াকে কুস্তির জন্য চ্যালেঞ্জ করলে, হঠাৎ পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় কালিয়া দ্বিধায় পড়ে।
পরবর্তী ঘটনা : ইসাব রাগের মাথায় কালিয়ার হাত ধরে লড়াই শুরু করতে চায়। তখন কালিয়া কিছুটা পিছিয়ে পড়ে এবং স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। সুযোগ পেয়ে ইসাব তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। কালিয়া পড়ে গিয়ে চিৎকার করতে থাকে এবং ঘটনাটি হঠাৎ উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
উপসংহার : অতএব, এই ঘটনার পর সবাই ভয় পেয়ে যায় এবং কালিয়ার পরিবার এসে পড়তে পারে ভেবে ছেলেরা দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়।
11. ‘ছেলের দল আনন্দে চেঁচিয়ে উঠলো’- এই আনন্দের কারণ কী ? তারা চেঁচিয়ে কী বলেছিল ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে ছেলেদের উচ্ছ্বাসের একটি দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এই আনন্দের কারণ : কালিয়া কুস্তির সময় অমৃতকে জোরে ধরে মাটিতে ফেলে দেয়। এই দৃশ্য দেখে অন্য ছেলেরা সেটিকে খেলার মজা ভেবে আনন্দিত হয়।
তারা চেঁচিয়ে বলেছিল : অমৃত মাটিতে পড়ে গেলে ছেলেদের দল খুব আনন্দ পায়। তারা উচ্চস্বরে বলতে শুরু করে যে কালিয়া জিতে গেছে এবং অমৃত হেরে গেছে। কেউ কেউ আবার মজা করে বলতে থাকে, 'কালিয়া জিতেছে, অমৃত হেরে গেছে, কি মজা কি মজা'। তাদের কাছে পুরো ঘটনাটি যেন এক ধরনের খেলার তামাশা ছিল।
উপসংহার : এই কারণে কালিয়ার জয়ের দৃশ্য দেখে ছেলেরা আনন্দে চিৎকার করে উঠেছিল।
12. ‘ইসাবের মেজাজ চড়ে গেল’- কেন ইসাবের মেজাজ চড়েছিল ? এর পরিণতি কী হয়েছিল তা লেখো ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে বন্ধুর প্রতি ইসাবের অনুভূতির প্রকাশ দেখা যায়।
ইসাবের মেজাজ : কালিয়া কুস্তির সময় অমৃতকে জোর করে মাটিতে ফেলে দেয়। বন্ধুর এই অপমান এবং ছেলেদের উল্লাস দেখে ইসাব রেগে যায়।
এর পরিণতি : রাগের বশে ইসাব কালিয়ার হাত ধরে তাকে কুস্তির জন্য চ্যালেঞ্জ জানায়। তখন কালিয়া একটু দ্বিধায় পড়ে যায়। সুযোগ পেয়ে ইসাব তাকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। কালিয়া পড়ে গিয়ে জোরে চিৎকার করতে থাকে। ফলে ঘটনাটি হঠাৎ উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
উপসংহার : অতএব, বন্ধুর অপমান সহ্য করতে না পেরে ইসাব রাগে এই কাজ করেছিল এবং এর ফলেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।
13. ‘ওরা ভয়ে কাঠ হয়ে গেল’- ওরা কারা ? তারা কেন ভয়ে কাঠ হয়ে গেল ? ১+২
অথবা, ‘ওদের বুকের ধুকপুকানি তখন বন্ধ হওয়ার জোগাড়’- ওরা কারা ? কেন তাদের এই অবস্থা ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে দুই বন্ধুর ভয়ের মুহূর্তটি প্রকাশ পেয়েছে।
ওরা কারা : এখানে ‘ওরা’ বলতে ঘনিষ্ঠ বন্ধু অমৃত ও ইসাব এই দুই ছেলেকেই বোঝানো হয়েছে।
ভয়ে কাঠ হয়ে যাওয়ার কারণ : হোলির দিনে কালিয়া জোর করে অমৃতকে কুস্তি লড়তে বাধ্য করে এবং তাকে মাটিতে ফেলে দেয়। বন্ধুর অপমান দেখে ইসাব রেগে গিয়ে কালিয়াকে ল্যাং মেরে ফেলে দেয়। এতে ধস্তাধস্তির সময় ইসাবের নতুন জামা ছিঁড়ে যায়। এই কারণে বাবার বকুনি ও মার খাওয়ার ভয়েই তারা খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
উপসংহার : অতএব, নতুন জামা ছিঁড়ে যাওয়ার ফলে বাবার শাস্তির আশঙ্কায় অমৃত ও ইসাবের বুক ধুকপুক করতে থাকে এবং তারা খুব ভয় পেয়ে যায়।
14 "এই বলে সে অমৃতকে খোলা মাঠে নিয়ে এল"- অমৃতকে কেন খোলা মাঠে আনা হয়েছিল ? খোলা মাঠে আনার পর কী ঘটনা ঘটেছিল ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে এই ঘটনাটি ছেলেদের কুস্তি লড়াইকে কেন্দ্র করে বর্ণিত হয়েছে।
অমৃতকে খোলা মাঠে আনার কারণ : কালিয়া অমৃতের সঙ্গে কুস্তি লড়তে চেয়েছিল। অমৃত রাজি না হলেও জোর করে তাকে খোলা মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
পরবর্তী ঘটনা : মাঠে পৌঁছে কালিয়া অমৃতকে কুস্তি লড়তে বাধ্য করে এবং ধাক্কা দিয়ে তাকে মাটিতে ফেলে দেয়। ছেলেরা তা দেখে উল্লাস করে। বন্ধুর অপমান দেখে ইসাব খুব রেগে যায়। সে কালিয়াকে লড়াইয়ের জন্য ডাকে এবং কুস্তিতে তাকে ফেলে দিয়ে জিতেছিল।
উপসংহার : অতএব, এইভাবে খোলা মাঠে আনার পর ঘটনাটি কুস্তির লড়াইয়ে রূপ নেয় এবং শেষ পর্যন্ত ইসাব কালিয়াকে পরাজিত করে।
15. "অমৃত আর ইসাবও রণভূমি ত্যাগ করল।”- কাকে রণভূমি বলা হয়েছে? কেন তারা সেই রণভূমি ত্যাগ করেছিল ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে ছেলেদের কুস্তির ঘটনাকে ঘিরে এই উক্তিটি এসেছে।
রণভূমি : যে খোলা মাঠে কালিয়া অমৃতকে কুস্তি লড়ার জন্য নিয়ে গিয়েছিল। সেই মাঠকেই লেখক রণভূমি বলেছেন।
রণভূমি ত্যাগ করার কারণ : খোলা মাঠে কুস্তির সময় প্রথমে কালিয়া অমৃতকে ফেলে দেয়। পরে বন্ধুর অপমান দেখে ইসাব রেগে গিয়ে কালিয়াকে কুস্তিতে হারায়। এতে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। কালিয়ার বাবা-মা এসে ছেলেদের মারতে পারে। এই আশঙ্কায় সবাই ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। শেষে অমৃত ও ইসাবও মাঠ ছেড়ে চলে যায়।
উপসংহার : এই কারণে কুস্তির সেই মাঠ, অর্থাৎ রণভূমি থেকে অমৃত ও ইসাব শেষ পর্যন্ত সরে যেতে বাধ্য হয়েছিল।
16. "তারা ভয়ে বাড়ির দিকে ছুটে পালাতে লাগল"- ইসাব আর অমৃত কেন ভয়ে বাড়ির দিকে ছুটেছিল ? ৩
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে দুই বন্ধুর জামা বদলের ঘটনাকে ঘিরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।
বাড়ির দিকে ছুটে যাওয়ার কারণ : ইসাবের বাবা ধার করে তাকে নতুন জামা বানিয়ে দিয়েছিলেন। অন্যদিকে অমৃত জেদ করে বাড়ি থেকে নতুন জামা আদায় করেছিল। কিন্তু কালিয়ার সঙ্গে কুস্তির সময় ইসাবের নতুন জামা ছিঁড়ে যায়। পরে দুজন বন্ধু জামা বদল করে নেয়। এই অদলবদলের ঘটনা একটি ছেলে দেখে ফেলে। বিষয়টি যদি তাদের বাবা-মা জেনে যায়, সেই ভয়েই তারা দ্রুত বাড়ির দিকে দৌড়ে পালাতে থাকে।
উপসংহার : অতএব, এইভাবে জামা বদলের ঘটনাটি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ইসাব ও অমৃত ভয়ে বাড়ির দিকে ছুটে গিয়েছিল।
17. “হঠাৎ অমৃতের মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল”- কখন কী অমৃতের মাথায় বুদ্ধি খেলেছিল ? ৩
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে দুই বন্ধুর বিপদের মুহূর্তে অমৃতের বুদ্ধির পরিচয় পাওয়া যায়।
কালিয়ার সঙ্গে লড়াইয়ের সময় ইসাবের নতুন জামা ছিঁড়ে গেলে এবং সে বাবার মার ভেবে খুব ভয় পেলে অমৃতের মাথায় বুদ্ধি আসে।
অমৃতের বুদ্ধি : বন্ধু ইসাবকে ভয়ে কাঁপতে দেখে অমৃত দ্রুত একটি উপায় ভেবে নেয়। সে প্রস্তাব দেয় যে তারা দুজনে নিজেদের জামা বদলে নেবে। এতে ছেঁড়া জামাটা অমৃত পরবে আর ইসাব তার জামা পরে বাড়ি যাবে। এইভাবে বন্ধুকে বিপদ থেকে বাঁচানোর জন্যই অমৃত এই বুদ্ধি বের করেছিল।
উপসংহার : অতএব, বন্ধুর বিপদের সময় অমৃত জামা অদলবদলের বুদ্ধি করে ইসাবকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল।
18. "অমৃতের মতো ছেলে পেলে আমি একুশজনকেও পালন করতে রাজি আছি।”- বক্তা কে ? তাঁর এমন উক্তির কারণ কী ? ১+২
উত্তর : গুজরাটি সাহিত্যের লেখক পান্নালাল প্যাটেলের লেখা 'অদল বদল' গল্পে বন্ধুত্ব ও মানবিকতার এক সুন্দর দৃষ্টান্ত দেখা যায়।
বক্তা হলেন ইসাবের বাবা, যিনি ঘটনাটি দেখে এই মন্তব্য করেন।
এমন উক্তির কারণ : কালিয়ার সঙ্গে কুস্তি করতে গিয়ে ইসাবের জামা ছিঁড়ে যায়। তখন অমৃত নিজের ভালো জামাটি ইসাবকে দেয়, যাতে সে বাবার মার না খায়। অমৃত বলে, তার মা আছে তাই সে বাঁচবে, কিন্তু ইসাবের মা নেই। আড়াল থেকে সব শুনে ইসাবের বাবা অমৃতের উদারতা দেখে এই কথা বলেন।
উপসংহার : অতএব, এই উক্তির মাধ্যমে অমৃতের নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব ও মহানুভবতার প্রতি ইসাবের বাবার গভীর প্রশংসা প্রকাশ পেয়েছে।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন ই-বুক(PDF)টি নিতে হলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটের Menu Option-এ ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দেখে নিতে পারেন।
File Details :
PDF Name : অদল বদল গল্পের প্রশ্ন উত্তর PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. প্রলয়োল্লাস কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 2. অভিষেক কবিতা প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 3. জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 4. সিন্ধুতীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
