🔹 Class 11 Semester 2 Political Science Question Answer
[প্রতিটি প্রশ্নের মান 4]
1. নির্বাচন কমিশনের গঠন সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর : ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের জন্য সংবিধানে নির্বাচন কমিশনের গঠন ও নিয়োগের সুস্পষ্ট ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের গঠন ও নিয়োগ :
(১) নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক গঠন : ভারতে নির্বাচন কমিশন প্রথম গঠিত হয় ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ২৫ জানুয়ারি। সেই সময় এটি এক সদস্যবিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান ছিল। পরবর্তীকালে প্রয়োজন অনুযায়ী এর কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়।
(২) সংবিধান অনুযায়ী গঠনব্যবস্থা : ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪(২) নং ধারায় নির্বাচন কমিশনের গঠনের কথা বলা হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী একজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং এক বা একাধিক অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠিত হয়। কতজন অন্যান্য কমিশনার থাকবেন, তা সংবিধানে নির্দিষ্ট করে বলা নেই; প্রয়োজন অনুসারে রাষ্ট্রপতি তা নির্ধারণ করেন।
(৩) মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা : সংবিধানের ৩২৪(৩) নং ধারায় বলা হয়েছে, যদি কমিশনে একাধিক সদস্য থাকেন, তাহলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। ভারতের প্রথম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ছিলেন সুকুমার সেন।
(৪) নিয়োগ ও বর্তমান কাঠামো : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ রাষ্ট্রপতি করেন, যা পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের ওপর ভিত্তি করে হয়। ভারতের সুপ্রিমকোর্ট ২০২৩ সালের ২ মার্চ দেওয়া এক রায়ে জানায় যে, প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলের নেতা ও সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত একটি কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এই নিয়োগ করা হবে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন একজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং দুইজন অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়ে গঠিত।
মূল্যায়ন : সুতরাং বলা যায়, সংবিধানে নির্ধারিত নির্বাচন কমিশনের গঠন ও নিয়োগব্যবস্থা কমিশনের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সহায়ক। এই সুসংগঠিত কাঠামোর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তোলে।
2. ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা করো।
অথবা, নির্বাচন কমিশনের যে-কোনো চারটি প্রধান কাজ লেখো।
উত্তর : ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। এই নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য সংবিধান নির্বাচন কমিশনকে বিস্তৃত ক্ষমতা ও দায়িত্ব প্রদান করেছে।
নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যাবলি :
(১) ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও সংশোধন : নির্বাচন কমিশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সাধারণ নির্বাচন ও উপনির্বাচনের আগে সঠিক ভোটার তালিকা তৈরি করা। প্রয়োজন অনুযায়ী ভুল সংশোধন, নতুন ভোটারের নাম সংযোজন এবং অযোগ্য ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার কাজও কমিশন করে থাকে।
(২) নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা : লোকসভা, রাজ্য বিধানসভা, রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতির নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ, মনোনয়নপত্র জমা ও যাচাইয়ের দিন এবং প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিন নির্ধারণ করে। উপনির্বাচনের ক্ষেত্রেও কমিশন একইভাবে সময়সূচি ঘোষণা করে।
(৩) নির্বাচনি প্রতীক প্রদান ও বিরোধ নিষ্পত্তি : নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ করে এবং দলগুলিকে নথিভুক্ত করে। রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভাঙন বা প্রতীক সংক্রান্ত বিরোধ দেখা দিলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়।
(৪) দলীয় স্বীকৃতি ও নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ : নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলিকে জাতীয় দল, রাজ্য বা আঞ্চলিক দল এবং অন্যান্য দলে ভাগ করে। প্রয়োজনে কমিশন কোনো নির্বাচনি কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত বা বাতিল করতে পারে এবং পুনর্নির্বাচনের ব্যবস্থা করে। একই সঙ্গে ভোট কারচুপি, জালভোট ও হিংসা প্রতিরোধের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করার চেষ্টা করে।
মূল্যায়ন : অতএব বলা যায়, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও কার্যাবলি ভারতের গণতন্ত্রের ভিত্তিকে মজবুত করে এবং জনগণের নির্বাচনের ওপর আস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
3. ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তর : ভারতীয় গণতন্ত্রে জনগণই রাষ্ট্রক্ষমতার মূল উৎস। জনগণ তাদের মতামত ও পছন্দ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকাশ করে। তাই গণতন্ত্রকে কার্যকর রাখতে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি। এই উদ্দেশ্যেই সংবিধান অনুযায়ী ভারতীয় নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের গুরুত্ব :
(১) অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতকরণ : গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করে, ফলে জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের মত প্রকাশের সুযোগ পায়।
(২) গণতন্ত্রকে সুস্থ রাখার ভূমিকা : হৃদয়নাথ কুঞ্জরুর মতে, নির্বাচন ব্যবস্থা দুর্বল হলে গণতন্ত্র শুরুতেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নির্বাচন কমিশন সুস্থ পরিবেশে নির্বাচন পরিচালনার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করায়।
(৩) স্বাধীন ও স্বতন্ত্র সাংবিধানিক সংস্থা : নির্বাচনে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্ব এড়ানোর জন্য সংবিধান প্রণেতারা নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব শাসন ও আইন বিভাগের হাতে না দিয়ে একটি স্বাধীন সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত করেছেন। এই ক্ষেত্রে ভারতীয় সংবিধান কানাডার শাসনতন্ত্র অনুসরণ করেছে।
(৪) সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন : সংবিধানের ৩২৪(১) নং ধারা অনুযায়ী লোকসভা, রাজ্যসভা, রাজ্য আইনসভা এবং রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতির নির্বাচন পরিচালনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর বর্তায়। এছাড়া ৭৩ ও ৭৪-তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত ও পৌরসভা নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হাতে দেওয়া হয়েছে।
মূল্যায়ন : অতএব বলা যায়, ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন ও সাংবিধানিক ভূমিকার ফলেই দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠেছে। গণতন্ত্রের সুরক্ষা ও স্থায়িত্ব বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশনের গুরুত্ব অপরিসীম।
4. ভারত PR System-এর পরিবর্তে FPTP System গ্রহণ করেছে কেন ? [HS Model Question 24)
অথবা, ভারতে সহজ সংখ্যাগরিষ্ঠ পদ্ধতিটি কেন গ্রহণ করা হয়েছে আলোচনা করো।
উত্তর : ভারতের মতো বৃহৎ ও বৈচিত্র্যময় দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা সহজ, কার্যকর ও স্থিতিশীল হওয়া প্রয়োজন। এই কারণেই ভারত PR পদ্ধতির পরিবর্তে ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট বা সহজ সংখ্যাগরিষ্ঠ পদ্ধতি গ্রহণ করেছে।
FPTP ব্যবস্থা গ্রহণের কারণসমূহ :
(১) সহজ ও বোধগম্য ব্যবস্থা : এই পদ্ধতিটি সাধারণ মানুষের কাছে খুব সহজ। যাঁদের রাজনীতি বা নির্বাচন সম্পর্কে বিশেষ ধারণা নেই, তাঁরাও সহজে বুঝতে পারেন। ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতার কথা মাথায় রেখে এই ব্যবস্থা উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছে।
(২) ভোটদানে স্বচ্ছতা : এক্ষেত্রে ভোটারকে কেবল একজন প্রার্থী বা একটি দলকে ভোট দিতে হয়। ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয় এবং ভোটদানের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
(৩) স্থায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিতকরণ : সংসদীয় গণতন্ত্রে এই পদ্ধতি কার্যকর, কারণ এর মাধ্যমে আইনসভায় একটি স্থায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দল গড়ে ওঠার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
(৪) স্থিতিশীল সরকার গঠন : FPTP ব্যবস্থায় বৃহত্তম দল বা জোট অনেক সময় ভোটের অনুপাতের তুলনায় বেশি আসন পায়। এর ফলে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল সরকার গঠন করা সম্ভব হয়।
(৫) জনসংযোগ ও সামাজিক ঐক্য : এই ব্যবস্থা বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর ভোটারদের একটি এলাকায় একত্রিত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে উৎসাহিত করে। ভারতের মতো বহুবিধ সমাজে এটি দেশব্যাপী রাজনৈতিক দল গঠনে সহায়ক হয়।
মূল্যায়ন : আলোচনার শেষে বলতে পার , সরলতা, স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীল সরকার গঠনের সুবিধার জন্যই ভারতে PR পদ্ধতির পরিবর্তে ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যা ভারতীয় গণতন্ত্রকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করেছে।
5. ফার্স্ট পাস্ট দা পোস্ট পদ্ধতি বা সহজ সংখ্যাগরিষ্ঠ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো ।
উত্তর : ভারতে নির্বাচন পরিচালনার জন্য যে সহজ সংখ্যাগরিষ্ঠ বা ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তার কিছু স্পষ্ট ও ব্যবহারিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলিই পদ্ধতিটিকে জনপ্রিয় ও কার্যকর করে তুলেছে।
ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যসমূহ :
(১) একক প্রতিনিধি নির্বাচন : এই পদ্ধতিতে প্রতিটি নির্বাচনি এলাকা থেকে কেবল একজন প্রার্থীই নির্বাচিত হন। ফলে প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি স্পষ্ট থাকে।
(২) ফলাফল সহজে নির্ধারণযোগ্য : যে প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনিই জয়ী হন। এর ফলে ফলাফল নির্ধারণে কোনো জটিলতা থাকে না।
(৩) স্থিতিশীল ও শক্তিশালী সরকার গঠন : এই ব্যবস্থায় সাধারণত একটি দল স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করে। তাই শক্তিশালী ও স্থিতিশীল সরকার গঠন করা সহজ হয়।
(৪) প্রতিনিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা : প্রতিটি এলাকা থেকে একজন নির্দিষ্ট প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় ভোটাররা সহজেই তাদের প্রতিনিধিকে চিনতে ও জানতে পারেন।
(৫) সরল ও সহজবোধ্য পদ্ধতি : এই ব্যবস্থায় কোনো জটিল নিয়ম নেই। একজন ভোটার গোপন ভোটের মাধ্যমে একজন প্রার্থীকে ভোট দেন এবং সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী জয়ী হন। তাই রাজনৈতিক জ্ঞান কম থাকলেও মানুষ সহজে এই পদ্ধতি বুঝতে পারে।
মূল্যায়ন : অতএব বলা যায়, সরলতা, স্পষ্ট ফলাফল ও স্থিতিশীল সরকার গঠনের সুবিধার জন্য ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট পদ্ধতি ভারতে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
6. ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ব্যবস্থার সুবিধাগুলি লেখো।
উত্তর : ভারতে নির্বাচনে যে ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট বা সহজ সংখ্যাগরিষ্ঠ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তা সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ও কার্যকর বলে বিবেচিত। এই ব্যবস্থার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার জন্যই এটি দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে।
ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট ব্যবস্থার সুবিধাসমূহ :
(১) সহজ ও সরল পদ্ধতি : এই ব্যবস্থায় প্রত্যেক ভোটার গোপন ভোটের মাধ্যমে একজন প্রার্থীকে ভোট দেন। তাই রাজনীতি বা নির্বাচন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান না থাকলেও সাধারণ মানুষ সহজেই এই পদ্ধতি বুঝতে পারেন।
(২) ফলাফল নির্ধারণে সুবিধা : যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনিই বিজয়ী হন। ফলে ভোটগণনা ও ফলাফল ঘোষণা দ্রুত এবং সহজে করা সম্ভব হয়।
(৩) শক্তিশালী ও স্থিতিশীল সরকার গঠন : এই পদ্ধতিতে সাধারণত একটি দল স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এর ফলে জোট সরকারের সম্ভাবনা কমে যায় এবং শক্তিশালী ও স্থিতিশীল সরকার গঠন করা সহজ হয়।
(৪) পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনের সুযোগ : এটি প্রার্থীকেন্দ্রিক ভোটব্যবস্থা হওয়ায় ভোটাররা দলীয় নাম বা প্রতীক দেখে সহজেই তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচন করতে পারেন। পাশাপাশি প্রার্থীর যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতা বিচার করার সুযোগও পান।
(৫) বৃহৎ দেশের জন্য উপযোগী : অনেকের মতে, এই ব্যবস্থার সরলতার কারণে বৃহৎ জনসংখ্যাবিশিষ্ট দেশের নির্বাচন পরিচালনা করা নির্বাচন কমিশনের পক্ষে তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।
মূল্যায়ন : অতএব বিবেচনা করলে বলা যায়, সরলতা, দ্রুত ফলাফল ও স্থিতিশীল সরকার গঠনের সুবিধার জন্য ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট পদ্ধতি ভারতে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : WB Semester Team প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন ই-বুক(PDF)টিতে পুরো সিলেবাসের প্রশ্ন উত্তর রয়েছে এবং এই অধ্যায় থেকে 4 নম্বর মানের আরো অনেকগুলি প্রশ্ন উত্তর রয়েছে।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই এই ই-বুক(PDF)টি কিনতে হলে মেনু অপশনে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
File Details :
PDF Name : ক্লাস 11 নির্বাচন এবং প্রতিনিধিত্ব প্রশ্ন উত্তর
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. ক্লাস 11 রাজনৈতিক তত্ত্বের মৌলিক ধারণাসমূহ | Click here |
| 2. ক্লাস 11 মৌলিক অধিকারসমূহ প্রশ্ন উত্তর | Click here |
| 3. ক্লাস 12 বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন উত্তর | Click here |
| 4. নানা রঙের দিন নাটকের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
