🔹 Class 11 2nd Semester Political Science Question Answer
[প্রতিটি প্রশ্নের মান 4]
১. জাতীয় জনসমাজের উপাদানগুলি আলোচনা করো। [HS-2023, 20, 15]
অথবা, জাতীয় জনসমাজের উৎপত্তির প্রধান উপাদানসমূহ আলোচনা করো। [HS-2011]
উত্তর : ‘জাতীয় জনসমাজ’ শব্দটি ইংরেজি Nationality থেকে এসেছে। এটি জনসমাজ ও জাতির মাঝামাঝি একটি ধাপ। যখন কোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যে গভীর আত্মপরিচয়ের বোধ তৈরি হয় এবং তারা নিজেদের অন্যদের থেকে আলাদা বলে ভাবতে শুরু করে, তখন সেই জনসমষ্টিকে জাতীয় জনসমাজ বলা হয়।
জাতীয় জনসমাজের উপাদানসমূহ : কোনো সাধারণ জনসমাজকে জাতীয় জনসমাজে রূপান্তরিত করতে যেসব উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, সেগুলিকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়।
(ক) বস্তুগত বা বাহ্যিক উপাদানসমূহ :
(১) ভৌগোলিক ঐক্য : দীর্ঘ সময় ধরে একই ভূখণ্ডে বসবাস করার ফলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতা ও আত্মীয়তার অনুভূতি জন্মায়। এই একসঙ্গে থাকার অভ্যাস থেকেই স্বদেশপ্রেম ও ঐক্যের ভাব গড়ে ওঠে।
(২) বংশগত ঐক্য : কোনো জনগোষ্ঠী যখন নিজেদের একই পূর্বপুরুষের সন্তান বলে মনে করে, তখন তাদের মধ্যে স্বজনবোধ ও ঐক্য আরও দৃঢ় হয়। এটি জাতীয় জনসমাজ গঠনে সহায়ক হয়।
(৩) ভাষাগত ঐক্য : ভাষা মানুষের ভাব প্রকাশ ও যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। একই ভাষার ব্যবহার জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায় এবং ঐক্যকে মজবুত করে।
(৪) ধর্মীয় ঐক্য : একই ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচার-অনুশীলন মানুষের মধ্যে মানসিক ঘনিষ্ঠতা সৃষ্টি করে। এর ফলে পারস্পরিক আস্থা ও একাত্মতার অনুভূতি গড়ে ওঠে।
(৫) রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্বার্থ : একই আইনের অধীনে বসবাসের ইচ্ছা এবং মিলিত অর্থনৈতিক স্বার্থ জনগণকে একসূত্রে বাঁধে। রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা ও অভিন্ন আর্থিক স্বার্থ জাতীয় জনসমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
(খ) ভাবগত উপাদানসমূহ : জাতীয় জনসমাজ গঠনে ভাবগত বা মানসিক উপাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি মূলত মানুষের মন ও অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত। এই উপাদান দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে - 1. অতীতের স্মৃতি এবং 2. ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষার ইচ্ছা। অনেক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মনে করেন, এই মানসিক বোধ ছাড়া কেবল বাহ্যিক উপাদান দিয়ে জাতীয় জনসমাজ গড়ে ওঠা সম্ভব নয়। যদিও মার্কসবাদীরা এই ভাবগত দিককে ততটা গুরুত্ব দেন না।
উপসংহার : অতএব বলা যায়, বাহ্যিক উপাদানগুলি সহায়ক হলেও আসল চালিকাশক্তি হলো ভাবগত উপাদান। মানুষের মনে যখন নিজেদের নিয়ে গভীর আত্মপরিচয়ের বোধ তৈরি হয়, তখনই একটি সাধারণ জনসমাজ জাতীয় জনসমাজে পরিণত হতে পারে।
2. জাতীয়তাবাদের বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।
উত্তর : জাতীয়তাবাদের সংজ্ঞা : যখন কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী জনসমষ্টি বংশ, ভাষা, সাহিত্য, ধর্ম, প্রথা, কৃষ্টি প্রভৃতির ভিত্তিতে নিজেদের মধ্যে একাত্মবোধ অনুভব করে তখনই তাকে জাতীয়তাবাদ বলে।
জাতীয়তাবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ :
(১) পরিবর্তনশীল স্বভাব : জাতীয়তাবাদ কোনো স্থির ধারণা নয়। আদিম সমাজের গোষ্ঠীগত চেতনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদের ভাবনা ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে। রেনেসাঁস, সার্বভৌমত্বের ধারণা, আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ, ফরাসি বিপ্লব ও শিল্পবিপ্লব—এই ঘটনাগুলি জাতীয়তাবাদের বিকাশে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।
(২) রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা : জোসেফ ফ্র্যাঙ্কেল-এর মতে, রাষ্ট্র সৃষ্টি ও সংগঠনে জাতীয়তাবাদ একটি প্রধান উপাদান। জাতীয়তাবাদ মানুষের মধ্যে ঐক্যের ভাব জাগিয়ে তোলে এবং নতুন রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনে অনুপ্রেরণা দেয়। বিশেষ করে পরাধীন জাতির কাছে এটি মুক্তির পথ দেখায়।
(৩) গঠনশীল ও সৃজনশীল ভূমিকা : জাতীয়তাবাদ গণসার্বভৌমিকতা প্রতিষ্ঠা, জাতির অধিকারবোধ সৃষ্টি এবং রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ভেঙে নতুন প্রতিষ্ঠান ও কাঠামো গড়ে তুলতে সাহায্য করে এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখে।
(৪) ঐক্য ও নিয়ন্ত্রণের শক্তি : জাতীয়তাবাদ প্রতিকূল ও বিভাজনমূলক শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে একাত্মবোধ গড়ে ওঠে এবং জাতিগত সংহতি আরও দৃঢ় হয়।
মূল্যায়ন : অতএব বলা যায়, জাতীয়তাবাদ একটি শক্তিশালী আদর্শ। এটি একদিকে মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, অন্যদিকে জাতির প্রতি গর্ব ও আত্মপরিচয়ের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। তাই রাষ্ট্র ও জাতি গঠনের ক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
3. জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারটি ব্যাখ্যা করো। [HS-2015]
উত্তর : যখন কোনো জাতি তার নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার উদ্দেশ্যে আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবি তোলে বা একটি রাষ্ট্রের মাধ্যমে নিজের স্বাধীন অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তখন সেই অধিকারকে জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বলা হয়। মূলত জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ‘এক জাতি এক রাষ্ট্র’ তত্ত্বকে কেন্দ্র করেই এই ধারণার বিকাশ ঘটেছে।
(১) বৈশিষ্ট্যসমূহ :
i. জাতির আত্মপ্রকাশে সহায়ক : এই অধিকারের মাধ্যমে একটি জাতির নিজস্ব চেতনা, আদর্শ, ভাবধারা, গুণাবলি ও সংগঠন স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। ফলে জাতি তার নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলতে পারে।
ii. গণতন্ত্রের বিকাশে সহায়ক : জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার গণতন্ত্রের প্রসার ঘটাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু সমস্যার স্থায়ী সমাধানেও এই অধিকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
(২) এই অধিকারের পক্ষে বক্তব্যসমূহ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর এই প্রস্তাব ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের শান্তি সম্মেলনে গৃহীত হয়, যা এই অধিকারের গুরুত্বকে আরও দৃঢ় করে।
(৩) এই অধিকারের বিপক্ষে বক্তব্যসমূহ : লর্ড অ্যাক্টন এই অধিকারকে বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন। তাঁর মতে, যেমন মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া সভ্য সমাজ সম্ভব নয়, তেমনি বিভিন্ন জাতির এক রাষ্ট্রের মধ্যে মিলেমিশে বসবাস করাও সভ্যতার একটি অপরিহার্য শর্ত।
মূল্যায়ন : অতএব বলা যায়, জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিয়ে মতভেদ থাকলেও, সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় জনসমাজের দাবির প্রতি জনসমর্থন এবং মানবসভ্যতার সামগ্রিক অগ্রগতির দিক বিবেচনা করেই এই অধিকারের যৌক্তিকতা নির্ধারণ করা উচিত।
4. জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ধ্যানধারণাটি সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করো। [HS Model Question 24]
উত্তর : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জাতীয়তাবাদ সম্পর্কিত চিন্তাভাবনা মূলত পাশ্চাত্য জাতীয়তাবাদের প্রতি তাঁর সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গির ফল। তিনি জাতীয়তাবাদকে কেবল রাজনৈতিক ধারণা হিসেবে না দেখে মানবিক মূল্যবোধের আলোকে বিচার করেছেন।
জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ধ্যানধারণা :
(১) পাশ্চাত্য জাতীয়তাবাদের সমালোচনা : রবীন্দ্রনাথ পাশ্চাত্য জাতীয়তাবাদের উগ্র ও সংকীর্ণ রূপের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর মতে, ইউরোপে জাতীয়তাবাদের নামে যে শক্তিপ্রদর্শন ও অন্য জাতির উপর আধিপত্য বিস্তারের প্রবণতা দেখা যায়, তা মানবিকতার পরিপন্থী।
(২) রাষ্ট্রকেন্দ্রিক জাতীয়তাবাদের বিরোধিতা : ইউরোপীয় চিন্তাবিদরা যখন জাতীয় রাষ্ট্রকে সর্বোচ্চ মানবিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তুলে ধরেন, তখন রবীন্দ্রনাথ এই ধারণার অমানবিক দিকটি প্রকাশ করতে চেয়েছেন। তিনি মনে করতেন, রাষ্ট্রকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিলে মানুষ যন্ত্রের মতো হয়ে যায়।
(৩) মনুষ্যত্বের অবক্ষয়ের আশঙ্কা : রবীন্দ্রনাথের মতে, উগ্র জাতীয়তাবাদ মানুষকে মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং তার শুভবুদ্ধি ও মানবিক সত্তাকে ধ্বংস করে। এই কারণে তিনি জাতীয়তাবাদী ‘যন্ত্রদানব’-এর বিরুদ্ধে মানুষের বিবেক জাগ্রত করার আহ্বান জানান।
(৪) বিশ্বমানবতার আদর্শ : জাত্যভিমান বা সংকীর্ণ দেশপ্রেমের পরিবর্তে রবীন্দ্রনাথ মানুষকে সমগ্র মানবসমাজের সদস্য হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। তিনি মানুষকে একটি অখণ্ড মানবজগতের নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার পক্ষে মত দেন।
মূল্যায়ন : উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদের বিরোধী এবং বিশ্বমানবতার প্রবক্তা। তিনি জাতীয়তাবাদের নামে সংঘর্ষ ও অমানবিকতার পরিবর্তে মানবিকতা, আন্তর্জাতিকতা ও বিশ্বজনীনতার আদর্শকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
5. জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সপক্ষে ও বিপক্ষে যুক্তি দাও। [HS-2007]
অথবা "এক জাতি, এক রাষ্ট্র" এই তত্ত্বটি সম্পর্কে তোমার মতামত দাও ?
উত্তর : যখন কোনো জাতীয় জনসমাজ নিজস্ব ঐতিহ্য ও বৈশিষ্ট্য রক্ষার জন্য নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিজে নির্ধারণ করার দাবি জানায়, তখন সেই দাবিকেই জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বলা হয়। উনবিংশ শতাব্দীতে এই ধারণা জনপ্রিয় হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তা বিশ্বজুড়ে বিস্তার লাভ করে।
এই অধিকারের পক্ষে যুক্তি :
(১) গণতন্ত্রের সহায়ক : বহুজাতিভিত্তিক রাষ্ট্রে বিভিন্ন জাতির মধ্যে ঐক্যের অভাব দেখা যায়, যা গণতন্ত্রের পথে বাধা সৃষ্টি করে। জন স্টুয়ার্ট মিলের মতে, গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য ‘এক জাতি, এক রাষ্ট্র’ নীতিভিত্তিক আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
(২) জাতির স্বকীয় বিকাশ : আত্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রতিটি জাতি তার নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও গুণাবলির পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারে, যা বিশ্বসভ্যতার অগ্রগতিতে সহায়তা করে।
(৩) নৈতিক যুক্তি : নৈতিকভাবে প্রত্যেক জাতিরই নিজের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ করার অধিকার রয়েছে। বহুজাতিক রাষ্ট্রে দুর্বল জাতি প্রায়শই শোষিত হয়।
এই অধিকারের বিপক্ষে যুক্তি :
(১) বিচ্ছিন্নতাবাদের আশঙ্কা : এই নীতি মানা হলে বড় রাষ্ট্র ভেঙে ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত হবে, যা জাতীয় সংহতি ও বিশ্বশান্তির পক্ষে ক্ষতিকর।
(২) উন্নয়ন ব্যাহত হওয়া : লর্ড অ্যাক্টনের মতে, অনুন্নত জাতি উন্নত জাতির সঙ্গে থাকলে বেশি লাভবান হতে পারে। পৃথক রাষ্ট্র দুর্বলতা ও উদ্বাস্তু সমস্যার জন্ম দিতে পারে।
(৩) দ্বিমুখী ফল : লর্ড কার্জনের মতে, এই নীতি একদিকে নতুন রাষ্ট্র সৃষ্টি করে, অন্যদিকে লাগাতার বিচ্ছিন্নতার পথ খুলে দেয়।
মূল্যায়ন : অতএব বলা যায়, জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার উপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তিতে সহায়ক হলেও, এর অযথা প্রয়োগ সংকীর্ণতা ও বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে। তাই সতর্কভাবে এই নীতি গ্রহণ করা প্রয়োজন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : WB Semester Team প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন ই-বুক(PDF)টিতে পুরো সিলেবাসের প্রশ্ন উত্তর রয়েছে এবং এই ইউনিট থেকে 2 নম্বর মানের এবং আরো অনেকগুলি 4 নম্বর মানের প্রশ্ন উত্তর রয়েছে।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই এই ই-বুক(PDF)টি কিনতে হলে মেনু অপশনে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
File Details :
PDF Name : ক্লাস 11 জাতি ও জাতীয়তাবাদ প্রশ্ন উত্তর
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. ক্লাস 11 রাজনৈতিক তত্ত্বের মৌলিক ধারণাসমূহ | Click here |
| 2. ক্লাস 12 জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ | Click here |
| 3. ক্লাস 12 বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন উত্তর | Click here |
| 4. নানা রঙের দিন নাটকের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
