🔹 পঁচিশে বৈশাখ প্রশ্ন উত্তর Class 11
[প্রতিটি প্রশ্নের মান 5]
1.'পঁচিশে বৈশাখ' প্রবন্ধে সৈয়দ মুজতবা আলী গান ছাড়া রবীন্দ্রনাথের অন্য কোন্ কোন্ গুণের উল্লেখ করেছেন? তাঁর কাছে কবির গান অসম্পূর্ণ রূপে প্রতিভাত হয় না কেন?
(HS Model Question 24) ২+৩
অথবা, "রবীন্দ্রনাথের গান কখনোই অসম্পূর্ণ রূপে আমার সামনে দাঁড়ায়নি" -রবীন্দ্রনাথের গান সম্পর্কে প্রাবন্ধিকের এই মন্তব্যের কারণ কী ?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘পঁচিশে বৈশাখ’ প্রবন্ধে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসাধারণ প্রতিভার নানা দিক তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে তাঁর গান নিয়ে প্রাবন্ধিকের অনুভূতি খুব গভীর। তিনি মনে করেন, রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি বারবার শুনলেও তার শেষ পাওয়া যায় না।
রবীন্দ্রনাথের গুণাবলী : সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর 'পঁচিশে বৈশাখ' প্রবন্ধে দেখিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথ শুধু গানের মানুষ নন, তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। উপন্যাস রচনায় তিনি কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন, কবি হিসেবে তাঁর খ্যাতি বিশ্বজোড়া। ছোটোগল্প ও নাটকেও তাঁর অসামান্য দক্ষতা আছে। ভাষা ও শব্দের উপর তাঁর দখল ছিল গভীর। তাঁর রাজনীতি সম্পর্কে সুদূরপ্রসারী চিন্তা দেশের মানুষকে নতুন নতুন দিশা দিয়েছে। সবশেষে বলা যায়, তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই এক আদর্শ শিক্ষক।
গান অসম্পূর্ণ প্রতিভাত না হওয়ার কারণ : প্রাবন্ধিক স্পষ্ট করে বলেছেন, রবীন্দ্রনাথের গান তাঁর কাছে কখনও অপূর্ণ বলে মনে হয়নি। গান শুনে যদি কখনও মনে সামান্য না-পাওয়ার অনুভূতি জাগে, তবে তা গানের দুর্বলতা নয়। বরং গভীর রস, সূক্ষ্ম ব্যঞ্জনা আর ধ্বনির সৌন্দর্য শ্রোতাকে আরও বেশি আকর্ষণ করে। এই টান থেকেই অতৃপ্তির জন্ম হয়। প্রাবন্ধিক মনে করেন, রবীন্দ্রসংগীত এমন এক নতুন জগতের দরজা খুলে দেয়, যাকে একবার শুনে পুরো বোঝা যায় না। বারবার শুনতে শুনতে ধীরে ধীরে তার আসল রূপ ধরা দেয়। তাই রবীন্দ্রনাথের গান কখনও ফুরিয়ে যায় না। এই অন্তহীন আকর্ষণের কারণেই রবীন্দ্রসংগীত পূর্ণ এবং অনন্য।
উপসংহার : অতএব, প্রাবন্ধিক বুঝিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের গান যত শোনা যায় ততই নতুন অর্থ দেয়। কখনও শেষ হয়ে যায় না বলেই তা অসম্পূর্ণ নয়, বরং চিরনবীন ও সম্পূর্ণ।
2. "মাত্র কয়েকটি শব্দ আর একটুখানি সুর দিয়ে-এ অলৌকিক কর্ম যিনি করতে পারেন তিনি বিশ্বকর্মা মহাত্মা"-রবীন্দ্রনাথকে 'বিশ্বকর্মা মহাত্মা' বলা হয়েছে কেন? রবীন্দ্রসংগীতের শব্দ প্রয়োগ সম্বন্ধে প্রাবন্ধিকের অভিমত লেখো। ৩+২
অথবা, রবীন্দ্রনাথকে 'বিশ্বকর্মা মহাত্মা' বলার কারণ কী ?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘পঁচিশে বৈশাখ’ প্রবন্ধে তিনি রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশক্তির এক বিস্ময়কর দিক তুলে ধরেছেন। অল্প শব্দ ও সামান্য সুর দিয়েই তিনি যে গভীর অনুভূতির জগৎ গড়ে তুলতে পারেন, সেটাকেই প্রাবন্ধিক বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন।
রবীন্দ্রনাথকে ‘বিশ্বকর্মা মহাত্মা’ বলার কারণ : রবীন্দ্রনাথ কয়েকটি শব্দ এবং সামান্য সুর দিয়েই তাঁর গানের এমন উচ্চতায় পৌঁছেছেন, যা সত্যিই অনবদ্য। তাঁর গানের বাণীর মাধ্যমে শ্রোতা কখনও স্বর্গীয় আনন্দ, কখনও মর্ত্যজীবনের বাস্তবতায় প্রবেশ করতে পারেন। এই ওঠা-নেমার অনুভূতিই মানুষকে দেবতার মতো অনুভব করায় এবং আবার সেই দেবতার থেকেও বড় করে তোলে, যেমন বলা হয় “দেবতারে প্রিয় করি, প্রিয়েরে দেবতা।” মাত্র কয়েকটি শব্দ ও সুরের মাধ্যমে এই অলৌকিক কাজ সম্পন্ন হওয়ায় প্রাবন্ধিক সচেতনভাবে রবীন্দ্রনাথকে ‘বিশ্বকর্মা মহাত্মা’ বলে অভিহিত করেছেন।
রবীন্দ্রসংগীতের শব্দ প্রয়োগ সম্বন্ধে প্রাবন্ধিকের মত : প্রাবন্ধিক মনে করেন, রবীন্দ্রনাথের গানের প্রতিটি শব্দ খুব যত্নে বাছা এবং অর্থবহ। শুধু সুর ঠিক রাখলেই গান পূর্ণ হয় না; শব্দের ভেতরের অনুভূতিও বুঝে গাইতে হয়। তা না হলে গান প্রাণহীন হয়ে পড়ে। শব্দকে মর্যাদা দিয়ে, তার গভীরতা উপলব্ধি করে গাইতে পারলেই রবীন্দ্রসংগীত তার আসল রূপ পায়।
উপসংহার : সুতরাং দেখা যায়, অল্প শব্দ ও সুর দিয়ে এমন গভীর অনুভূতির জগৎ সৃষ্টি করার ক্ষমতার জন্যই রবীন্দ্রনাথ প্রাবন্ধিকের কাছে ‘বিশ্বকর্মা মহাত্মা’ হিসেবে স্মরণীয়। তাঁর গান শ্রোতার হৃদয়ে চিরজীবন্ত ও অজর-অমর হয়ে থাকে।
3. "রবীন্দ্রনাথ এসব উত্তীর্ণ হয়ে অজরামর হয়ে রইবেন তাঁর গানের জন্য"-'এইসব' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? রবীন্দ্রনাথের গানের বিশেষত্ব সম্পর্কে প্রাবন্ধিকের মতামত লেখো।
অথবা,"রবীন্দ্রনাথ এসব উত্তীর্ণ হয়ে অজরামর হয়ে রইবেন তাঁর গানের জন্য"- রবীন্দ্রনাথ কেন গানের জন্য আজরামর হয়ে রইবেন?
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘পঁচিশে বৈশাখ’ প্রবন্ধে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিভার নানা দিক আলোচনা করেছেন। তবে তাঁর মতে, সব কৃতিত্বের মধ্যেও কবির গান বিশেষভাবে শ্রেষ্ঠ, যার জন্যই তিনি মানুষের মনে চিরদিন বেঁচে থাকবেন।
‘এইসব’ বলতে বোঝায় : এখানে ‘এইসব’ শব্দটি দিয়ে প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথের নানা ধরনের প্রতিভা ও কাজকেই বুঝিয়েছেন। যেমন উপন্যাস লেখা, ছোটোগল্প, প্রবন্ধ ও কবিতা রচনা, ভাষা ও শব্দ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান, দেশের বিষয়ে সুদূরপ্রসারী চিন্তা এবং শান্তিনিকেতন গড়ে তুলে গুরুর ভূমিকা পালন করা। এই সব দিক মিলিয়েই তাঁর বহুমুখী কৃতিত্বের পরিচয় পাওয়া যায়।
রবীন্দ্রনাথের গানের বিশেষত্ব : প্রাবন্ধিক মনে করেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর অন্যান্য প্রতিভাকেও অতিক্রম করেছেন গানের মাধ্যমে। রবীন্দ্রসংগীত সম্পূর্ণ ও অখণ্ড এটাই তার বড় গুণ। এর মধ্যে যে গীতিমাধুর্য আছে, তা শ্রোতার মনে গভীর রসের অনুভূতি জাগায়। উচ্চমানের রস, ধ্বনির সৌন্দর্য ও ব্যঞ্জনা মানুষকে তৃপ্তির বদলে আরও শোনার ইচ্ছে দেয়। আবার শব্দ বেছে নেওয়া ও সঠিক জায়গায় বসানোর ফলে গানের ভাব ও অর্থ পূর্ণতা পায়। এই কারণেই তাঁর গান চিরকাল নতুন থাকে। এই সব কারণেই রবীন্দ্রনাথের গান মানুষের হৃদয়ে চিরদিন জীবন্ত বা আজরামর হয়ে থাকবে।
মূল্যায়ন : সুতরাং বোঝা যায়, নানা কৃতিত্ব থাকলেও রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানের মধ্য দিয়েই মানুষের মনে সবচেয়ে গভীর জায়গা করে নিয়েছেন। গানের মাধুর্য, রস ও ব্যঞ্জনার জন্যই তিনি যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় এবং অজর-অমর হয়ে থাকবেন।
4. নটরাজের প্রত্যেকটি অঙ্গ-ভঙ্গির মত রবীন্দ্রনাথের গানের প্রত্যেকটি শব্দ"- নটরাজ কে? তাঁর অঙ্গভঙ্গির পরিচয় দিয়ে উদ্ধৃতিটির সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা দাও।
অথবা, রবীন্দ্রসংগীতের সঙ্গে নটরাজের নৃত্যভঙ্গির তুলনা করার কারণ আলোচনা করো।
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘পঁচিশে বৈশাখ’ প্রবন্ধে তিনি নটরাজ এবং রবীন্দ্রনাথের গানের তুলনা করে দেখিয়েছেন, কিভাবে প্রতিটি অঙ্গ-ভঙ্গি এবং শব্দ গভীর অর্থ ও সৌন্দর্য বহন করে। নটরাজের নৃত্য যেমন মহাজাগতিক তাণ্ডবের মধ্যে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, তেমনি রবীন্দ্রনাথের প্রতিটি শব্দও শ্রোতাকে নতুন অনুভূতির জগতে নিয়ে যায়।
নটরাজ ও তাঁর অঙ্গভঙ্গি : হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, নটরাজ হলেন মহাদেব শিবের নৃত্যরূপ, যাকে তাণ্ডবের অধিপতি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তাঁর নৃত্যের অঙ্গভঙ্গি পাঁচটি ক্রিয়াকলাপের প্রতীক। যেমন সৃষ্টি (ডান হাতের ডমরু), সুরক্ষা (ডান হাতের অভয়মুদ্রা), ধ্বংস (বাম হাতের আগুন), বিভ্রম (নটরাজের ডান পা 'অপস্মর' পুরুষকে পদদলিত করে), মুক্তি (শিবের সামনের বাম হাত তার উত্থিত বাম পায়ের দিকে ইশারা)।
উদ্ধৃতিটির সপ্রসঙ্গ : প্রাবন্ধিক দেখিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথের গানের প্রতিটি শব্দ ঠিক নটরাজের অঙ্গ-ভঙ্গির মতো অর্থবহ ও বৈচিত্র্যময়। যেমন নটরাজের অঙ্গ ধ্বংস, সুরক্ষা, মধুরতা ও আশীর্বাদ প্রকাশ করে, তেমনি গানের শব্দের স্থাপন, রস, ব্যঞ্জনা ও গভীর ভাব শ্রোতাকে পূর্ণ অভিজ্ঞতা দেয়। এই কারণে প্রাবন্ধিক নটরাজের অঙ্গভঙ্গি ও রবীন্দ্রনাথের গানের শব্দের মধ্যে তুলনা করেছেন।
উপসংহার : অতএব, নটরাজের নিখুঁত অঙ্গভঙ্গির মতোই রবীন্দ্রনাথের গান প্রতিটি শব্দে পরিপূর্ণ, অপরিবর্তনীয় এবং শ্রেষ্ঠ। শব্দের যথাযথ ব্যবহার, গভীর ব্যঞ্জনা ও রসের বৈচিত্র্য শ্রোতার হৃদয়ে গানকে চিরন্তন করে রাখে।
5. "রবীন্দ্রনাথের কোনো গানই কখনো নিজেকে সম্পূর্ণ নিঃশেষ করে না"- এখানে কোন্ গানের কথা বলা হয়েছে? প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথের গান কখনো নিজেকে নিঃশেষ করে না বলতে কী বুঝিয়েছেন । ২+৩
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘পঁচিশে বৈশাখ’ প্রবন্ধে তিনি রবীন্দ্রনাথের গানের মহিমা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দেখিয়েছেন, এই গান একবার শুনে শেষ হয়ে যায় না। এর গভীরতা বারবার নতুন করে অনুভব করতে হয়।
গানটি হল : প্রাবন্ধিক তাঁর 'পঁচিশে বৈশাখ' প্রবন্ধে গীতবিতান-এর ‘বিচিত্র’ পর্যায়ের ৭৭ নম্বর গানটির উল্লেখ করেছেন। গানটির হল -
“তারায় তারায় দীপ্তিশিখার অগ্নি জ্বলে
নিদ্রাবিহীন গগন তলে…”
এই উদ্ধৃতির মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে রবীন্দ্রনাথের সংগীত ভাব, রূপ ও ব্যঞ্জনায় কতটা গভীর এবং বিস্তৃত, যা পাঠক-শ্রোতাকে এক অনন্য অনুভূতির জগতে নিয়ে যায়।
রবীন্দ্রনাথের গান সম্পর্কে প্রাবন্ধিকের মত : প্রাবন্ধিক স্পষ্টভাবে মেনে নিয়েছেন যে রবীন্দ্রনাথের গান সম্পূর্ণ ও অখণ্ড, অনেক বিদেশি সংগীতের চেয়েও তার মর্যাদা বেশি। এই গানে যে গভীর রস, ধ্বনির সূক্ষ্ম সৌন্দর্য এবং ইঙ্গিতময়তা আছে, তা শ্রোতার মনে প্রবল আবেগ জাগায় এবং তাকে আরও শুনতে টানে। ফলে একবারে তার সবটুকু উপলব্ধি করা যায় না। বারবার শুনতে শুনতে ধীরে ধীরে সেই গানের তৈরি করা নতুন অনুভূতির জগৎ উন্মোচিত হয়। এভাবেই রবীন্দ্রসংগীত মানুষকে সীমা পেরিয়ে অসীমের দিকে নিয়ে যায়, আবার জীবনবাস্তবতায় ফিরিয়ে আনে।
উপসংহার : অতএব বলা যায়, রবীন্দ্রনাথের গানের গভীর রস, ব্যঞ্জনা ও অনন্ত আকর্ষণই তাকে চিরনতুন করে রাখে। যতই শোনা যায়, ততই নতুন অর্থ উন্মোচিত হয়। এই কারণেই প্রাবন্ধিক মনে করেন, রবীন্দ্রনাথের গান কখনোই নিজেকে সম্পূর্ণ নিঃশেষ করে না।
6. "পঁচিশে বৈশাখ” প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক রবীন্দ্রনাথের গান সম্পর্কে যে মতামত প্রকাশ করেছেন তা লেখো। ৫
উত্তর : বাংলা সাহিত্যের প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘পঁচিশে বৈশাখ’ প্রবন্ধে তিনি রবীন্দ্রনাথের বহুমুখী প্রতিভার কথা বললেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁর গানের মাহাত্ম্যকে। প্রাবন্ধিকের মতে, এই সংগীতই কবিকে স্থায়ী সম্মান দিয়েছে।
রবীন্দ্রনাথের গান সম্পর্কে প্রাবন্ধিকের মতামত : প্রাবন্ধিক বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ বহুমুখী প্রতিভার মানুষ। সাহিত্যর বিভিন্ন শাখায় তিনি অসাধারণ সাফল্য পেয়েছেন। তবু তাঁর অমর হয়ে থাকার প্রধান ভিত্তি তাঁর সংগীত প্রতিভা। উপন্যাস, নাটক, গল্প বা প্রবন্ধে কৃতিত্ব থাকলেও গানের মধ্যে যে রস, ভাব ও প্রকাশভঙ্গি দেখা যায় তা একেবারেই আলাদা। রবীন্দ্রসংগীতের প্রতিটি শব্দ অর্থে ভরা এবং প্রতিটি সুর মানুষের গভীর অনুভূতিকে জাগিয়ে তোলে। এই গান মানুষকে জগতের বাঁধন থেকে মুক্ত করে অসীমের অনুভূতি দেয়। এতে আধ্যাত্মিক চিন্তার পাশাপাশি মানুষের আনন্দ, দুঃখ, আশা ও নিরাশার কথাও ফুটে ওঠে।
উপসংহার : তাই প্রাবন্ধিক মনে করেন, রবীন্দ্রনাথের গানের এই অনন্য বৈশিষ্ট্যই তাঁর সমগ্র সাহিত্যসাধনাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছে এবং এটিই তাঁর শ্রেষ্ঠ পরিচয়।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই এই ই-বুক(PDF)টি কিনতে হলে মেনু অপশনে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
File Details :
PDF Name : পঁচিশে বৈশাখ প্রবন্ধ প্রশ্ন উত্তর PDF
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| 1. বই কেনা প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 2. আজব শহর কলকেতা প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 3. নুন কবিতার প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| 4. আগুন নাটকের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115

Loukik sahitya nanadik
উত্তরমুছুন