ভূ(caps)মিকা : দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টারে ভূগোল বিষয়ে 35 নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। এই 35 নম্বরের মধ্যে ‘মানবীয় ভূগোলের ধারণা’ অধ্যায় থেকে মোট 10 নম্বর প্রশ্ন থাকবে। এই অধ্যায় থেকে দুই নম্বরের প্রশ্ন চারটি থাকবে, যার মধ্যে যেকোনো দুটি করতে হবে (4 নম্বর), এবং তিন নম্বরের প্রশ্ন চারটি থাকবে, যার মধ্যে যেকোনো দুটি করতে হবে (6 নম্বর)। অর্থাৎ মোট 4 + 6 = 10 নম্বর। এই ‘মানবীয় ভূগোলের ধারণা’ অধ্যায়টি মোট দুটি ইউনিটে বিভক্ত। এর মধ্যে প্রথম ইউনিট হল 'জনসংখ্যা ভূগোল'। এই ইউনিটটি পরীক্ষার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা এই 'জনসংখ্যা ভূগোল' ইউনিট থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ 2 নম্বর মানের প্রশ্ন-উত্তর সহ একটি PDF এখানে প্রদান করেছি। এছাড়াও আমাদের প্রকাশিত দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিস্টার ভূগোল সাজেশন ই-বুক (PDF) শিক্ষার্থীরা অল্প কয়েক টাকার বিনিময়ে সংগ্রহ করতে পারেন। কারণ এখন থেকে অনেক প্রশ্ন পরীক্ষায় কমন পাবেন। এই ই-বুকটি WBCHSE বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম অনুসারে অত্যন্ত সহজ ও পরীক্ষামুখীভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, যা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আপনাদের অনেক সাহায্য করবে। তাই ই-বুক (PDF)টি কিনতে চাইলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে Menu Option-এ ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য দেখে নিতে পারেন।
🔹 Class 12 Semester 4 Geography Question Answer
[ প্রতিটি প্রশ্নের মান 2]
1. জনস্বল্পতা কাকে বলে ?
উত্তর : যে কোনো দেশ বা অঞ্চলে যখন সেখানে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদের তুলনায় মানুষের সংখ্যা খুব কম হয়, তখন সেই অবস্থাকে জনস্বল্পতা বলা হয়। যেমন - অস্ট্রেলিয়া একটি জনস্বল্পতাযুক্ত দেশ।
জনস্বল্পতার বৈশিষ্ট্য :
i. এই ধরনের অঞ্চলে সাধারণত শিক্ষার হার তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়।
ii. বেকারত্বের হার কম থাকে, কারণ কাজের সুযোগের তুলনায় লোকসংখ্যা কম হয়।
2. জনবিস্ফোরণ কাকে বলে ?
উত্তর : যখন কোনো দেশ বা অঞ্চলে অল্প সময়ের মধ্যে মানুষের সংখ্যা খুব দ্রুত বেড়ে যায়, তখন সেই অবস্থাকে জনবিস্ফোরণ বলা হয়। যেমন - ভারতে জনবিস্ফোরণের সমস্যা লক্ষ্য করা যায়।
জনবিস্ফোরণের বৈশিষ্ট্য :
i. জনবিস্ফোরণের ফলে বেকারত্বের সমস্যা বৃদ্ধি পায়।
ii. এতে মাথাপিছু আয় কমে যায় এবং দেশের আর্থিক উন্নতি বাধাগ্রস্ত হয়।
3. পরিব্রাজন কাকে বলে ?
উত্তর : বিভিন্ন প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক কারণে মানুষ যখন নিজের বসবাসের স্থান ছেড়ে অন্য স্থানে স্থায়ী বা সাময়িকভাবে থাকার উদ্দেশ্যে যায়, তখন সেই গমনকে পরিব্রাজন বলা হয়। যেমন - বাংলাদেশ থেকে ভারতে মানুষের আসা পরিব্রাজনের একটি উদাহরণ।
পরিব্রাজনের বৈশিষ্ট্য :
i. পরিব্রাজন সাধারণত বসবাসের উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে ঘটে।
ii. এটি স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী উভয় রূপেই হতে পারে।
4. জনাকীর্ণতা কাকে বলে ?
উত্তর : যদি কোনো দেশ বা অঞ্চলে সেখানে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদের তুলনায় মানুষের সংখ্যা খুব বেশি হয়, তবে সেই অবস্থাকে জনাকীর্ণতা বলা হয়। যেমন - ভারতে জনাকীর্ণতার সমস্যা দেখা যায়।
জনাকীর্ণতার বৈশিষ্ট্য :
i. এই ধরনের অঞ্চলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
ii. বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পায়, ফলে সামাজিক সমস্যা দেখা দেয়।
5. জনঘনত্ব কাকে বলে ?
উত্তর : কোনো দেশ বা অঞ্চলের মোট জনসংখ্যা ও সেই অঞ্চলের মোট আয়তনের মধ্যে যে অনুপাত তৈরি হয়, তাকে জনঘনত্ব বলা হয়। সহজভাবে বলতে গেলে, প্রতি বর্গ কিলোমিটার এলাকায় কতজন মানুষ বাস করে, সেটাই জনঘনত্ব। যেমন - ২০১১ সালে ভারতে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ৩৮২ জন মানুষ বসবাস করত।
জনঘনত্বের বৈশিষ্ট্য :
i. জনঘনত্ব একটি পরিমাণভিত্তিক ধারণা, যা সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়।
ii. এটি দ্বিমাত্রিক, কারণ এখানে জনসংখ্যা ও ভূমির আয়তন উভয় বিষয় বিবেচনা করা হয়।
6. মানুষ-জমি অনুপাত কাকে বলে ?
উত্তর : কোনো দেশ বা অঞ্চলে মোট জনসংখ্যা ও সেখানে থাকা মোট কার্যকর জমির পরিমাণের অনুপাতকে মানুষ-জমি অনুপাত বলা হয়। যেমন - ২০১১ সালে ভারতে মানুষ-জমি অনুপাত ছিল প্রায় ৪৩২ জন প্রতি বর্গ কিলোমিটার।
মানুষ-জমি অনুপাতের বৈশিষ্ট্য :
i. এটি একটি ত্রিমাত্রিক ধারণা, কারণ এখানে মানুষ, জমি ও তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বিবেচিত হয়।
ii. এটি একটি গুণগত ধারণা, যা কোনো অঞ্চলের জনসংখ্যার চাপ ও ভূমির ব্যবহারের অবস্থা বোঝাতে সাহায্য করে।
7. কাম্য জনসংখ্যা কাকে বলে ?
উত্তর : কোনো দেশ বা অঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট সময়ে যখন প্রাকৃতিক সম্পদ ও মানুষের সংখ্যার মধ্যে সবচেয়ে উপযুক্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ অনুপাত বজায় থাকে, তখন সেই অবস্থাকে কাম্য জনসংখ্যা বলা হয়। যেমন - জার্মানি ও ফ্রান্সে কাম্য জনসংখ্যার অবস্থা দেখা যায়।
কাম্য জনসংখ্যার বৈশিষ্ট্য :
i. এই ধরনের অঞ্চলে শিক্ষার হার প্রায় সম্পূর্ণ (প্রায় ১০০%) হয়ে থাকে।
ii. এখানে মানুষের মাথাপিছু আয় তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি হয়।
8. জনসংখ্যার বা পরিব্রাজনের পুল ফ্যাক্টর কাকে বলে ?
উত্তর : যে সব আকর্ষণমূলক সুবিধা বা অনুকূল পরিস্থিতির কারণে মানুষ কোনো নির্দিষ্ট স্থানে আসতে আগ্রহী হয়, সেগুলিকে পরিব্রাজনের পুল ফ্যাক্টর বলা হয়। যেমন - ভালো কাজের সুযোগ ও উন্নত জীবনযাত্রার আশায় মানুষ বড় শহরে চলে আসে।
পুল ফ্যাক্টরের বৈশিষ্ট্য :
i. পুল ফ্যাক্টর মানুষকে একটি স্থানের দিকে টেনে আনে।
ii. উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পুল ফ্যাক্টরের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
9. জনসংখ্যার বা পরিব্রাজনের পুশ ফ্যাক্টর কাকে বলে ?
উত্তর : যে সব প্রতিকূল অবস্থা বা অসুবিধার কারণে মানুষ নিজের বসবাসের স্থান ছেড়ে অন্যত্র যেতে বাধ্য হয়, সেই কারণগুলিকে পরিব্রাজনের পুশ ফ্যাক্টর বলা হয়। যেমন - বন্যা বা খরার ফলে মানুষ গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে যেতে বাধ্য হয়।
পুশ ফ্যাক্টরের বৈশিষ্ট্য :
i. পুশ ফ্যাক্টর মানুষকে নিজের এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করে।
ii. এর ফলে যে অঞ্চল থেকে মানুষ চলে যায়, সেখানে জনসংখ্যা ধীরে ধীরে হ্রাস পায়।
10. জনঅভিক্ষেপ কাকে বলে ?
উত্তর : বর্তমান সময়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে কোনো দেশ বা বিশ্বের জনসংখ্যা কত হতে পারে, তার যে অনুমান করা হয়, তাকে জনঅভিক্ষেপ বলা হয়। যেমন - ২০২৬ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৪৩০ কোটি হতে পারে হিসাব অনুযায়ী।
জনঅভিক্ষেপের বৈশিষ্ট্য :
i. এটি একটি পরিসংখ্যানভিত্তিক ও অনুমাননির্ভর পদ্ধতি।
ii. জনঅভিক্ষেপে জন্মহার, মৃত্যুহার ও অভিবাসনের মতো বিষয় বিবেচনা করা হয়।
11. ব্রেন ড্রেন বা মেধা পাচার কাকে বলে ?
উত্তর : যখন কোনো দেশের মেধাবী, উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ উন্নত জীবনযাত্রা, ভালো কর্মসংস্থান অথবা উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে বিদেশে চলে যায়, তখন সেই ঘটনাকে ব্রেন ড্রেন বা মেধা পাচার বলা হয়। যেমন - বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশে ব্রেন ড্রেনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
ব্রেন ড্রেনের বৈশিষ্ট্য :
i. এটি এক ধরনের বহির্মুখী পরিব্রাজন, কারণ মানুষ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে যায়।
ii. এর ফলে দেশে দক্ষ মানবসম্পদের পরিমাণ কমে যায়।
12. ব্রেন গ্রেন বা মেধা লাভ কাকে বলে ?
উত্তর : যখন অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশ থেকে মেধাবী ও দক্ষ মানুষ উন্নত জীবনযাপন, ভালো কাজের সুযোগ বা উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে উন্নত দেশগুলিতে এসে বসবাস করে, তখন সেই ঘটনাকে ব্রেন গ্রেন বা মেধা লাভ বলা হয়। যেমন - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA) ব্রেন গ্রেনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
ব্রেন গ্রেনের বৈশিষ্ট্য :
i. এটি এক ধরনের অন্তর্মুখী পরিব্রাজন, কারণ মানুষ বাইরে থেকে এসে কোনো দেশে বসতি গড়ে তোলে।
ii. এর ফলে সংশ্লিষ্ট দেশে দক্ষ মানবসম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
13. স্থূল জন্মহার কাকে বলে ?
উত্তর : কোনো দেশ বা অঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট বছরে প্রতি ১০০০ জন মানুষের মধ্যে যতজন জীবিত শিশুর জন্ম হয়, সেই সংখ্যাকে স্থূল জন্মহার বলা হয়। যেমন - ২০১১ সালে ভারতে স্থূল জন্মহার ছিল প্রতি হাজারে প্রায় ১৬.২৭ জন।
সূত্র : স্থূল জন্মহার = (মোট জীবিত শিশুর জন্ম ÷ নির্দিষ্ট বছরে মোট জনসংখ্যা) × ১০০০
14. স্থূল মৃত্যুহার কাকে বলে ?
উত্তর : কোনো দেশ বা অঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট বছরে প্রতি ১০০০ জন মানুষের মধ্যে যতজনের মৃত্যু ঘটে, সেই সংখ্যাকে স্থূল মৃত্যুহার বলা হয়। যেমন - ২০১১ সালে ভারতে স্থূল মৃত্যুহার ছিল প্রতি হাজারে প্রায় ৭.৩ জন।
সূত্র : স্থূল মৃত্যুহার = (মোট মৃতের সংখ্যা ÷ নির্দিষ্ট বছরে মাঝামাঝি মোট জনসংখ্যা) × ১০০০
15. ধনাত্মক জনসংখ্যা বৃদ্ধি বা অগ্রগামী জনসংখ্যা কাকে বলে ?
উত্তর : যদি কোনো দেশ বা অঞ্চলে জন্মহারের পরিমাণ মৃত্যুহারের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে সেখানে মানুষের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এই ধরনের জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে ধনাত্মক জনসংখ্যা বৃদ্ধি বা অগ্রগামী জনসংখ্যা বলা হয়। যেমন - ভারত ও বাংলাদেশে ধনাত্মক জনসংখ্যা বৃদ্ধি দেখা যায়।
ধনাত্মক জনসংখ্যা বৃদ্ধির বৈশিষ্ট্য :
i. এ ক্ষেত্রে মোট জনসংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।
ii. শ্রমশক্তি বাড়ার ফলে সম্পদ উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে।
16. ঋণাত্মক জনসংখ্যা বৃদ্ধি বা পশ্চাদগামী জনসংখ্যা কাকে বলে ?
উত্তর : যখন কোনো দেশ বা অঞ্চলে মৃত্যুহার জন্মহারের তুলনায় বেশি হয়, তখন সেখানে জনসংখ্যার সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যায়। এই অবস্থাকে ঋণাত্মক জনসংখ্যা বৃদ্ধি বা পশ্চাদগামী জনসংখ্যা বলা হয়। যেমন - কানাডা ও রাশিয়ায় ঋণাত্মক জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
ঋণাত্মক জনসংখ্যা বৃদ্ধির বৈশিষ্ট্য :
i. এই ধরনের অঞ্চলে মোট জনসংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পায়।
ii. জনসংখ্যা কমে যাওয়ায় সম্পদ উৎপাদনে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
17. স্থূল পরিব্রাজন কাকে বলে ?
উত্তর : কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে যত মানুষ বাইরে যায় (বহির্মুখী পরিব্রাজন) এবং যত মানুষ বাইরে থেকে আসে (অন্তর্মুখী পরিব্রাজন) এই দু’টির মোট যোগফলকেই স্থূল পরিব্রাজন বলা হয়।
স্থূল পরিব্রাজনের বৈশিষ্ট্য :
i. এটি কোনো অঞ্চলে সংঘটিত মোট পরিব্রাজনের পরিমাণকে নির্দেশ করে।
ii. এর মাধ্যমে উৎসস্থল ও গন্তব্যস্থলের মধ্যে মানুষের যাতায়াতের চিত্র বোঝা যায়।
18. নীট পরিব্রাজন কাকে বলে ?
উত্তর : কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে বাইরে থেকে আগত মানুষের সংখ্যা (অন্তর্মুখী পরিব্রাজন) এবং ওই অঞ্চল থেকে বাইরে চলে যাওয়া মানুষের সংখ্যা (বহির্মুখী পরিব্রাজন) এই দু’টির পার্থক্য বা বিয়োগফলকে নীট পরিব্রাজন বলা হয়।
নীট পরিব্রাজনের বৈশিষ্ট্য :
i. নীট পরিব্রাজনের মাধ্যমে বোঝা যায় পরিব্রাজনের ফলে জনসংখ্যা কতটা বেড়েছে বা কমেছে।
ii. এতে স্পষ্ট হয় যে কোনো অঞ্চলে অভিবাসনের তুলনায় অধিবাসন বেশি না কম।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : আমাদের দ্বাদশ শ্রেণির চতুর্থ সেমিষ্টার ভূগোল সাজেশন ই-বুক (PDF)টিতে এই Unit থেকে আরো অনেকগুলি 2 এবং 3 নম্বর মানের প্রশ্নোত্তর দেওয়া আছে।
🔹লেখকের শেষ মন্তব্য : আমাদের প্রকাশিত দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টার ভূগোল সাজেশন ই-বুকটিতে(PDF) বোর্ডের নতুন সিলেবাস ও নতুন প্রশ্নপত্রের নিয়ম মেনে প্রতিটি অধ্যায় থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর খুব সহজ ও পরিষ্কারভাবে সাজানো হয়েছে। তাই এই ই-বুক(PDF)টি কিনতে হলে মেনু অপশনে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
File Details :
PDF Name : ক্লাস 12 জনসংখ্যা ভূগোল প্রশ্ন উত্তর
Size : 1 MB
No. of Pages : 4
Mode : Read-only (Online)
Download Link : Click here To Download PDF
| আরো পড়ুন | প্রশ্নোত্তর |
|---|---|
| (1) ডাকঘর নাটকের প্রশ্ন উত্তর PDF | Click here |
| (2) ক্লাস 12 জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ | Click here |
| (3) ক্লাস 12 জনবসতি এবং মানব উন্নয়ন প্রশ্ন উত্তর | Click here |
| (4) ক্লাস 12 শিক্ষাবিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় শিখন PDF | Click here |
Regards,
WB Semester Team
Registered under MSME (Udyam), Govt. of India
All Legal Rights Reserved
Call & WhatsApp : 9883566115
